ফুটবলের বিশ্বায়ন: কেন দক্ষিণ এশিয়া পিছিয়ে?

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ। মধ্যরাতে ঢাকার পাড়ায় পাড়ায় বিশাল স্ক্রিন। লক্ষ লক্ষ মানুষ জেগে আছেন ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার জন্য। গলির মোড়ে মোড়ে তর্ক চলছে মেসি না রোনালদো নিয়ে। রাস্তায় ব্রাজিলের সবুজ-হলুদ আর আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি পরা মানুষের ঢল।

এই দৃশ্য শুধু ঢাকায় নয়। মুম্বাই, কলকাতা, লাহোর, কাঠমান্ডু, সর্বত্র একই উন্মাদনা।

কিন্তু একটু থামুন।

এই যে কোটি কোটি মানুষ রাত জেগে ফুটবল দেখছেন, তারা কিন্তু নিজেদের দলের জন্য জাগছেন না। জাগছেন ব্রাজিলের জন্য, আর্জেন্টিনার জন্য, ফ্রান্সের জন্য। কারণ সেই বিশ্বকাপে দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশ ছিল না। এমনকি বাছাইপর্বেও তারা মাথা তুলতে পারেনি।

পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ বাস করে দক্ষিণ এশিয়ায়। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, এই দেশগুলোতে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার কোনো কমতি নেই। মাঠে মাঠে ছেলেরা খেলছে, টেলিভিশনে ইউরোপের লিগ দেখা হচ্ছে, ক্লাবের জার্সি পরা মানুষ রাস্তায় হাঁটছেন।

কিন্তু বিশ্বের মঞ্চে দক্ষিণ এশিয়া কার্যত অনুপস্থিত।

কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে বেরিয়ে আসে একটা জটিল সমীকরণ, যেখানে ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি আর প্রশাসনিক ব্যর্থতা সব মিলিয়ে একটা দুষ্টচক্র তৈরি করেছে।

র‍্যাংকিংয়ের আয়নায় দেখি নিজেদের

সংখ্যাটা দিয়ে শুরু করা যাক, কারণ সংখ্যা মিথ্যা বলে না।

সাম্প্রতিক ফিফা র‍্যাংকিংয়ে ভারত রয়েছে ১২৬তম স্থানে, মালদ্বীপ ১৬৩তম,  ভুটান ১৮৪তম, বাংলাদেশ ১৮৬তম, পাকিস্তান ১৯৭তম এবং শ্রীলঙ্কা ২০০তম।

এই সংখ্যাগুলো মনে রাখুন। মোট ২১১টি দেশের মধ্যে এই অবস্থান।

তুলনার জন্য একটু দেখুন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দিকে। থাইল্যান্ড এই অঞ্চলে শীর্ষে থেকে বিশ্বে ৯৭তম স্থানে আছে, ভিয়েতনাম আছে ১১৬তম স্থানে, ইন্দোনেশিয়া ১২৫তম এ। মানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি দেশ ভারতের চেয়েও ভালো র‍্যাংকিংয়ে আছে, অথচ ভারতের জনসংখ্যা এই তিনটি দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় তিন গুণ।

এশিয়ার মধ্যে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া নিয়মিত বিশ্বকাপে যাচ্ছে। ইরান, সৌদি আরব যাচ্ছে। এমনকি চীন ২০০২ সালে একবার গিয়েছে। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশ এখনো একটিবারের জন্যও বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলতে পারেনি।

এই ব্যর্থতার পেছনে কারণগুলো একটা একটা করে দেখা যাক।

ক্রিকেটের দীর্ঘ ছায়া

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল পিছিয়ে পড়ার সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে প্রায় সবাই একটি কথাই বলেন। ক্রিকেট।

এটা শুনতে সহজ মনে হলেও ব্যাপারটা অনেক গভীর।

ভারতের স্পোর্টস ইকোনমি ২০২৫ সালে দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, কিন্তু এর ৮৯ শতাংশই ক্রিকেটের দখলে। ফুটবল, হকি, ব্যাডমিন্টন মিলিয়ে বাকি মাত্র ১১ শতাংশ।

প্রতীকী ইলাস্ট্রেশনে বিশাল ক্রিকেট ব্যাটের ছায়া মাটিতে পড়ে থাকা ছোট ফুটবলকে ঢেকে ফেলছে, আলো শুধু ক্রিকেটের দিকে

এই সংখ্যাটা বুঝুন। পুরো দেশের খেলাধুলার অর্থনীতির ৮৯ শতাংশ একটা মাত্র খেলার পকেটে।

আইপিএলের ঘরোয়া টেলিভিশন ও ডিজিটাল সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য প্রায় ৬.২ বিলিয়ন ডলার, যা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগকেও পেছনে ফেলে বিশ্বে এনএফএলের পরেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মূল্যবান স্পোর্টস মিডিয়া প্রপার্টিতে পরিণত হয়েছে।

এই যে বিশাল টাকার পাহাড়, সেটা শুধু ক্রিকেটের দিকেই যাচ্ছে। স্পনসর ক্রিকেটে যাচ্ছে। মিডিয়া কভারেজ ক্রিকেটে যাচ্ছে। মেধাবী ছেলেরা ক্রিকেটের দিকে ঝুঁকছে। কারণ সেখানে অর্থ আছে, সম্মান আছে, পরিচিতি আছে।

২০২৩ সালে মাত্র ৬ শতাংশ ভারতীয় ফুটবল দেখেছেন, বাকিরা ক্রিকেটের পেছনে।

বাংলাদেশের চিত্রও একই। বিপিএলের উত্তেজনায় যে মানুষ রাত জাগেন, তারা বাংলাদেশ ফুটবল দলের খেলার দিন টেলিভিশন চালু করেন না।

একজন বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বললেন, ভারতে ফুটবল একটি জনপ্রিয় খেলা, কিন্তু সমস্যা হলো ভারতীয়রা ইউরোপের ফুটবল দেখেন, ভারতীয় ফুটবল নয়।

এই কথাটা ভাবুন। মেসির সাথে ছবি তোলার জন্য মানুষ লাইন দিচ্ছেন, কিন্তু নিজের দেশের ম্যাচে গ্যালারি ফাঁকা থাকছে।

ভারতের হারানো সুযোগ: ১৯৫০ সালের সেই রহস্য

ইতিহাসের একটা দুঃখজনক অধ্যায়ের কথা না বললে এই গল্প অসম্পূর্ণ থাকবে।

১৯৫০ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপে ভারত সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করেছিল, কারণ বাছাই পর্বের অন্য দলগুলো সরে যাওয়ায় ভারত বিনা বাধায় সুযোগ পেয়েছিল। এটা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ফুটবল বিশ্বের মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার সোনার সুযোগ।

কিন্তু ভারত সেই বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াল। জনপ্রিয় বিশ্বাস ছিল যে ভারতীয় ফুটবলাররা জুতা পরে খেলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন না এবং অলিম্পিক কমিটি খালি পায়ে খেলার অনুমতি দেয়নি। অন্যরা বলেন সরকার আর্থিক সহায়তা দিতে অস্বীকার করেছিল।

সেই না যাওয়ার সিদ্ধান্তটা একটা বাঁকবদল হয়ে গেল ভারতীয় ফুটবলের জন্য।

এরপরও ভারতের একটা সোনালী যুগ ছিল। ১৯৫১ ও ১৯৬২ সালের এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদক, ১৯৫৬ সালের মেলবোর্ন অলিম্পিকে চতুর্থ স্থান।

কিন্তু ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং ফুটবলে ধারাবাহিক পরাজয় মিলিয়ে ধীরে ধীরে মানুষের মনোযোগ সরে গেল। ক্রিকেটের পেশাদার বিপণন ও ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে ক্রিকেটই হয়ে গেল ভারতের জাতীয় ধর্ম।

আর সেই থেকে ফুটবল পিছিয়ে পড়তে শুরু করল।

অবকাঠামোর দুর্দশা: মাঠ নেই, কোচ নেই, পথ নেই

ক্রিকেটের আধিপত্যের বাইরেও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের নিজস্ব সমস্যা আছে, যেগুলো অনেক গভীরে প্রোথিত।

২০১৫ সালের আগে ভারতে একটিও ফিফা মানসম্পন্ন স্টেডিয়াম ছিল না। আজও বেশিরভাগ ভেন্যু মানসম্পন্ন নয়, এবং তৃণমূল পর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রায় অনুপস্থিত।

বাংলাদেশে ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম বছরের পর বছর সংস্কারের অভাবে জর্জরিত ছিল। জেলায় জেলায় যে মাঠগুলো আছে সেগুলোর অধিকাংশে ভালো ঘাস নেই, ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। বর্ষায় মাঠ পানিতে ডুবে যায়।

একটা ছেলে ফুটবলার হতে চাইলে তার কী দরকার? ভালো কোচ, নিয়মিত মাঠ, প্রতিযোগিতামূলক লিগ, এবং ভবিষ্যতের আশা।

দক্ষিণ এশিয়ার বেশিরভাগ জায়গায় এগুলোর কোনোটাই নেই।

জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে তাকান। সেখানে শিশুবয়স থেকেই পেশাদার কোচিং শুরু হয়। ক্লাব ব্যবস্থা আছে, যেখানে প্রতিভাবান ছেলেরা ধাপে ধাপে উপরে উঠতে পারে। ইউরোপের ক্লাবগুলো তাদের স্কাউট করতে আসে।

দক্ষিণ এশিয়ায় একজন মেধাবী ছেলে তার গ্রামের মাঠে খেলে, জেলা পর্যায়ে উঠলে হয়তো একটু মনোযোগ পায়, তারপর পথ শেষ হয়ে যায়।

প্রশাসনিক দুর্নীতি ও রাজনীতির কালো ছায়া

ফুটবল ফেডারেশনগুলোর হাল দেখলে হতাশ না হয়ে পারা যায় না।

অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে ২০২২ সালে ফিফা কর্তৃক সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হয়েছিল।

এটা কতটা লজ্জার একটু ভাবুন। ১৪০ কোটি মানুষের দেশের ফুটবল ফেডারেশন নিষিদ্ধ হয়েছে কারণ সেখানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এতটাই বেড়ে গিয়েছিল।

বাংলাদেশেও ফুটবল ফেডারেশনে রাজনৈতিক প্রভাব, দলীয় বিবেচনায় দল নির্বাচন, এবং তহবিলের অপব্যবহারের অভিযোগ বহু পুরনো। যারা মাঠে খেলেন তাদের সময়মতো পারিশ্রমিক পান না, বিদেশ ট্যুরে ঠিকমতো থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা নেই, ভালো কোচ আনার বাজেট নেই।

কিন্তু ফেডারেশনের অফিসে বসে থাকা মানুষগুলো ঠিকই গদি আঁকড়ে থাকেন।

এই পরিবেশে মেধাবী তরুণ খেলোয়াড় কি ফুটবলকে পেশা হিসেবে নেবেন?

তুলনায় দেখি: জাপান কীভাবে পারল?

দক্ষিণ এশিয়ার ব্যর্থতা বুঝতে হলে একটু পূর্ব এশিয়ার সাফল্যের দিকে তাকানো দরকার।

জাপানের ফুটবল ইতিহাস শুরুতে দক্ষিণ এশিয়ার মতোই দুর্বল ছিল। কিন্তু ১৯৯০-এর দশকে তারা একটা সিদ্ধান্ত নিল। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করবে। তৃণমূল থেকে শুরু করবে।

জে-লিগ তৈরি হলো, পেশাদার কাঠামো তৈরি হলো। ছেলেদের ছোটবেলা থেকে কোচিং শুরু হলো। বিদেশ থেকে ভালো কোচ আনা হলো, এবং নিজেদের কোচ তৈরির জন্য বিনিয়োগ করা হলো।

ফলাফল? ১৯৯৮ থেকে জাপান টানা সাতটি বিশ্বকাপে খেলেছে। ২০২২ বিশ্বকাপে তারা জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে সারা পৃথিবীকে চমকে দিয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া ২০০২ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল পর্যন্ত গেছে।

এই দেশগুলোর সাথে দক্ষিণ এশিয়ার পার্থক্য কোথায়? প্রতিভায় নয়। পরিকল্পনায়, বিনিয়োগে, এবং দীর্ঘমেয়াদি সংকল্পে।

আলোর রেখা: পরিবর্তন কি আসছে?

তবে সব মন্দ নয়। কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিতও আছে।

ভারতে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার পর থেকে ঘরোয়া ফুটবলে কিছুটা হলেও প্রাণ এসেছে। বিদেশি খেলোয়াড়রা আসছেন, টেলিভিশনে সম্প্রচার হচ্ছে, দর্শক আসছে।

অনুপ্রেরণামূলক ইলাস্ট্রেশনে স্থানীয় জার্সি পরা দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ ফুটবলার দূরে উজ্জ্বল স্টেডিয়ামের দিকে বল লাথি মারছে, মেঘ ভেদ করে সূর্যোদয়

সুনীল ছেত্রীর মতো খেলোয়াড় নিজে দর্শকদের মাঠে আসার অনুরোধ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছেন মানুষ। এই ছোট ছোট জিনিসগুলো গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশেও গত কয়েক বছরে কিছু উজ্জ্বল মুহূর্ত এসেছে। ২০২৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়েছে। তরুণ খেলোয়াড়রা উঠে আসছেন। ঘরোয়া লিগে কিছুটা প্রতিযোগিতার ভাব এসেছে।

নেপালও গত কয়েক বছরে র‍্যাংকিং উন্নত করেছে।

কিন্তু এই উন্নতি যথেষ্ট নয়। একটি পদক্ষেপ এগিয়ে গেলে যখন বাকি পৃথিবী দশ পদক্ষেপ এগিয়ে যাচ্ছে, তখন ব্যবধান আসলে কমছে না।

দুষ্টচক্রটা ভাঙা দরকার

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সমস্যাটা আসলে একটা দুষ্টচক্র।

বিনিয়োগ নেই বলে মেধাবী ছেলেরা ফুটবলে আসে না। মেধাবী খেলোয়াড় না থাকলে দল ভালো করে না। দল ভালো না করলে দর্শক হয় না। দর্শক না হলে স্পনসর আসে না। স্পনসর না আসলে বিনিয়োগ নেই।

এই চক্র ভাঙতে হলে কোথাও না কোথাও সাহস করে ঢুকতে হবে।

জাপানের মতো কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয় বছর বয়স থেকে শিশুদের কোচিং শুরু করতে হবে, প্রতিযোগিতামূলক যুব লিগ তৈরি করতে হবে, এবং ফিফামানের অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

ফিফার কাঠামো ক্রিকেটের মতো নয়। ফিফায় প্রতিটি সদস্য দেশের সমান ভোট আছে এবং তহবিল বিতরণ মোটামুটি সমান। ছোট দেশগুলোও এই ব্যবস্থায় উপকৃত হতে পারে। মানে সদিচ্ছা থাকলে বৈশ্বিক কাঠামোটা দক্ষিণ এশিয়ার বিরুদ্ধে নয়।

শেষ কথা

মাঠে মাঠে ছেলেরা যখন ফুটবল খেলে, তাদের বুকে একটা স্বপ্ন থাকে। একদিন জাতীয় দলের জার্সি পরব। কিন্তু বাস্তব সেই স্বপ্নকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গলা টিপে মেরে ফেলে।

বিশ্বকাপের সময় দক্ষিণ এশিয়ার কোটি কোটি মানুষ রাত জেগে অন্য দেশের জয়ে উল্লাস করেন। এই উল্লাসটা যদি একদিন নিজের দেশের জন্য হতো, সেটা কেমন হতো?

সেই দিনটা আসবে কিনা সেটা নির্ভর করছে এই প্রজন্মের সিদ্ধান্তের উপর। ফুটবল ফেডারেশনের সিদ্ধান্তের উপর, সরকারের বিনিয়োগের উপর, অভিভাবকদের মানসিকতার উপর, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেই তরুণদের উপর যারা আজও গলির মাঠে খেলছে এবং স্বপ্ন দেখছে।

ফুটবল পৃথিবীর খেলা। দক্ষিণ এশিয়া এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অংশ। এই দুটো তথ্য মিলিয়ে যে সম্ভাবনা তৈরি হয়, সেটা কাজে লাগানোর সময় এসেছে অনেক আগেই।

প্রশ্ন হলো সেই ইচ্ছাটা কি আছে?

Comments are closed.