কখনো এমন হয়েছে যে আপনি স্পষ্ট মনে করছেন একটা কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু সামনের মানুষটা বলছেন না, এটা কখনো হয়নি?
কখনো মনে হয়েছে আপনার সাথে কিছু একটা অন্যায় হচ্ছে, কিন্তু ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারছেন না কী হচ্ছে? বরং উল্টো নিজেকেই দোষী মনে হচ্ছে?
কখনো এমন পরিস্থিতিতে পড়েছেন যেখানে আপনি কাঁদছেন বা রাগ করছেন, আর কেউ বলছেন তুমি বেশি সেনসিটিভ, এত ছোট বিষয় নিয়ে এত ভাবো কেন? আর আপনি ভাবছেন সত্যিই কি আমি বেশি ভাবছি?
যদি এই অনুভূতিগুলো পরিচিত মনে হয়, তাহলে এই লেখাটা আপনার জন্য।
কারণ এই অনুভূতিগুলো হয়তো আপনার দুর্বলতার প্রমাণ নয়। হয়তো এগুলো একটা সুনির্দিষ্ট মানসিক নির্যাতনের লক্ষণ, যার নাম গ্যাসলাইটিং।
নামটা এলো কোথা থেকে?
গ্যাসলাইটিং শব্দটা শুনলে অনেকে ভাবেন এটা বোধহয় কোনো প্রযুক্তিগত বিষয়। কিন্তু এর উৎপত্তি একটা পুরনো নাটক থেকে।
১৯৩৮ সালে ব্রিটিশ নাট্যকার প্যাট্রিক হ্যামিলটন একটি নাটক লিখলেন, নাম গ্যাস লাইট। পরে সেটা হলিউড সিনেমা হয়েছিল ১৯৪৪ সালে।
গল্পটা এরকম। একজন স্বামী তার স্ত্রীকে পাগল বানানোর চেষ্টা করছেন। তিনি বাড়ির গ্যাসের আলো একটু কমিয়ে দেন, তারপর স্ত্রী যখন জিজ্ঞেস করেন আলো কমে গেল কেন, স্বামী বলেন কই, আলো তো ঠিকই আছে। তুমি ভুল দেখছ।

ধীরে ধীরে স্ত্রী নিজের চোখকে, নিজের স্মৃতিকে, নিজের বিচারবুদ্ধিকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। মনে হচ্ছে তিনি সত্যিই পাগল হয়ে যাচ্ছেন।
এই সিনেমা থেকেই গ্যাসলাইটিং শব্দটা মনোবিজ্ঞানের ভাষায় ঢুকে পড়ল। আজকে এটা একটি স্বীকৃত মানসিক নির্যাতনের ধরন হিসেবে পরিচিত।
গ্যাসলাইটিং আসলে কী?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, গ্যাসলাইটিং হলো এমন একটি কৌশল যেখানে একজন মানুষ আরেকজনকে ধীরে ধীরে বোঝাতে চেষ্টা করে যে তার নিজের উপলব্ধি, স্মৃতি, এবং আবেগ সবই ভুল।
লক্ষ্য একটাই। সেই মানুষটাকে নিজের উপর থেকে আস্থা হারিয়ে অন্যের উপর নির্ভরশীল করে ফেলা।
এটা একদিনে হয় না। কয়েক মাস বা কয়েক বছর ধরে ধীরে ধীরে হয়। এতটাই ধীরে যে শিকার প্রায়ই বুঝতে পারেন না কখন থেকে এটা শুরু হয়েছিল।
মনোবিজ্ঞানীরা গ্যাসলাইটিংকে একটি মানসিক নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন। এটা শারীরিক নির্যাতনের মতো দৃশ্যমান নয়, তাই ধরা যায় না সহজে। কিন্তু ক্ষতিটা অনেক সময় শারীরিক নির্যাতনের চেয়েও গভীর হয়।
গ্যাসলাইটিং কে করে?
এখানে একটা সত্যি কথা বলে রাখা দরকার। গ্যাসলাইটিং শুধু সম্পর্কে হয় না, শুধু প্রেমিক বা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হয় না।
এটা হতে পারে পরিবারে। মা-বাবা সন্তানকে গ্যাসলাইট করতে পারেন। বড় ভাই বা বোন ছোটটাকে করতে পারেন।
এটা হতে পারে কর্মক্ষেত্রে। বস কর্মীকে করতে পারেন। সহকর্মী সহকর্মীকে করতে পারেন।
এটা হতে পারে বন্ধুত্বে। ঘনিষ্ঠ বন্ধু এটা করতে পারেন।
এমনকি সমাজের বৃহত্তর স্তরেও গ্যাসলাইটিং হয়। একটি গোষ্ঠী বা ব্যবস্থা যখন কাউকে বলে তোমার সাথে কোনো অবিচার হচ্ছে না, তুমি বেশি ভাবছ, এটাও একধরনের গ্যাসলাইটিং।
যারা গ্যাসলাইট করেন তারা সবসময় সচেতনভাবে খলনায়কের মতো পরিকল্পনা করেন না। অনেকে নিজেও বুঝতে পারেন না যে তারা এটা করছেন। তারা নিজেরাও হয়তো কোনো ক্ষতিকর পরিবেশে বড় হয়েছেন। কিন্তু অসচেতনভাবে করলেও ক্ষতিটা সমান।
গ্যাসলাইটিংয়ের চেহারাগুলো কেমন?
এবার একটু নির্দিষ্টভাবে দেখা যাক গ্যাসলাইটিং কীভাবে দেখতে।
স্মৃতি অস্বীকার করা। এটা সবচেয়ে সাধারণ কৌশল। আপনি মনে করছেন একটি কথা বলা হয়েছিল, একটি ঘটনা হয়েছিল। কিন্তু গ্যাসলাইটার বলছেন, এটা কখনো হয়নি। তুমি মনে মনে বানিয়ে নিয়েছ। তোমার স্মৃতিশক্তি দুর্বল।
ধীরে ধীরে আপনি নিজেও ভাবতে শুরু করেন, সত্যিই কি আমার স্মৃতি ঠিক নেই?
আবেগকে তুচ্ছ করা। আপনি কষ্ট পেয়েছেন এবং সেটা বলছেন। গ্যাসলাইটার বলছেন, তুমি এত সেনসিটিভ কেন? এতটুকু কথায় কাঁদতে হয়? সবাই কি এভাবে রিঅ্যাক্ট করে? তুমিই বেশি করছ।
এই কথাগুলো শুনতে শুনতে একসময় আপনি নিজের আবেগকে অস্বাভাবিক মনে করতে শুরু করেন। কষ্ট পেলে সেটা প্রকাশ করার আগে দশবার ভাবেন।
ঘটনা উল্টে দেওয়া। আপনি একটা সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গেলেন। কিন্তু কথার মাঝে কোথায় যেন বিষয় উল্টে গেল। এখন আর আসল সমস্যা নিয়ে কথা হচ্ছে না, আপনিই কীভাবে ভুল করলেন সেটা নিয়ে হচ্ছে।
এই কৌশলটাকে বলে ডিফ্লেকশন। সমস্যা থেকে মনোযোগ সরিয়ে আপনাকে রক্ষণাত্মক অবস্থানে ফেলে দেওয়া।
অন্যদের সামনে হেয় করা। গ্যাসলাইটার মাঝে মাঝে অন্যদের সামনে আপনাকে উদাহরণ দেন। দেখো, সে কীভাবে ছোট বিষয় নিয়ে এত মাতামাতি করে। সবাই কি তখন হাসে? আপনার কি লজ্জা লাগে?
এই লজ্জাটাই কাজে লাগে গ্যাসলাইটারের। কারণ লজ্জিত মানুষ কম প্রশ্ন করে।
ভালোবাসা ও নির্যাতন একসাথে। গ্যাসলাইটিংয়ের সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর দিক হলো এটা সবসময় খারাপ মুহূর্তে হয় না। একটু কষ্ট দেওয়া, তারপর অনেক মিষ্টি আচরণ, তারপর আবার কষ্ট। এই উঠানামায় শিকার বিভ্রান্ত হয়ে যান। খারাপ মুহূর্তগুলো ভুলে ভালো মুহূর্তগুলোয় আটকে থাকেন।
বাস্তব জীবন থেকে কিছু উদাহরণ
গ্যাসলাইটিং বইয়ের পাতায় নয়, আমাদের চারপাশে প্রতিদিন হচ্ছে।
ধরুন একটি দম্পতির কথা। স্ত্রী বললেন, তুমি গতকাল বললে না যে আমার রান্না ভালো হয়নি? স্বামী বললেন, আমি এটা কখনো বলিনি। তুমি ভুল শুনেছ। এটা যদি একবার হয় সেটা ভুল বোঝাবুঝি। কিন্তু যদি বারবার হয়, যদি প্রতিটি কথোপকথন এভাবে শেষ হয় যে স্ত্রী নিজেই ভাবতে শুরু করেন সত্যিই কি আমি ভুল শুনি, তাহলে সেটা গ্যাসলাইটিং।
অথবা একটি কর্মক্ষেত্রের কথা। একজন কর্মী বললেন, স্যার, আপনি তো বলেছিলেন এই প্রজেক্টের ডেডলাইন শুক্রবার। বস বললেন, আমি কখন এটা বললাম? তুমি কি মনোযোগ দিয়ে শোনো? এটা সোমবার থেকেই জানা ছিল। এরকম যদি বারবার হয়, যদি কর্মী ভাবতে শুরু করেন আমি কি আসলেই অমনোযোগী, তাহলে সেটা গ্যাসলাইটিং।
অথবা একটি পারিবারিক পরিস্থিতি। ছেলে বলছেন, মা, তুমি কিন্তু ছোটবেলায় আমাকে অনেক মারতে। মা বলছেন, আমি কখনো তোমাকে মারিনি। তুমি অকৃতজ্ঞ, আমি কত কষ্ট করেছি তোমার জন্য, আর তুমি এইসব বলছ। এটাও গ্যাসলাইটিং।
আপনি কি শিকার হচ্ছেন? নিজেকে জিজ্ঞেস করুন
কিছু প্রশ্ন নিজেকে করুন। সৎভাবে উত্তর দিন।
আপনি কি প্রায়ই নিজেকে সন্দেহ করেন? নিজের সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পান? মনে হয় সিদ্ধান্ত নিলেই ভুল হবে?
আপনি কি প্রায়ই ক্ষমা চাইছেন এবং পরে ভাবছেন কেন চাইলাম, কী ভুল করেছিলাম আসলে?
আপনার কাছের মানুষদের সাথে কথা বললে কি প্রায়ই অনুভব করেন যে আপনি বেশি সেনসিটিভ বা বেশি ভাবছেন?
আপনি কি এমন কাউকে খুশি করার জন্য নিজেকে বদলে ফেলার চেষ্টা করছেন কিন্তু সে কখনো সন্তুষ্ট হচ্ছে না?
কোনো একটি সম্পর্কে বা পরিস্থিতিতে আসার আগে আপনি কি সুখী ছিলেন, আর এখন কি নিজেকে অনেক বেশি দুর্বল মনে হচ্ছে?
আপনি কি অনুভব করছেন সব কিছু ঘোলা লাগছে? কোনটা সত্যি আর কোনটা সত্যি নয় বুঝতে পারছেন না?
যদি এই প্রশ্নগুলোর বেশিরভাগের উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে আপনার পরিস্থিতিটা একটু সতর্কভাবে দেখা দরকার।
গ্যাসলাইটিংয়ের শিকার হলে শরীর ও মনে কী হয়?
গ্যাসলাইটিং দীর্ঘদিন চললে এর প্রভাব শুধু মানসিক নয়, শারীরিকও হয়।
মানসিকভাবে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় আত্মবিশ্বাসে। একসময়ের আত্মবিশ্বাসী মানুষ প্রতিটি সিদ্ধান্তে দ্বিধায় পড়ে যান। নিজের পছন্দ কী সেটাও আর বলতে পারেন না। কারণ বহুদিন ধরে নিজের উপলব্ধিকে ভুল বলা হয়েছে।
উদ্বেগ এবং বিষণ্নতা গ্যাসলাইটিংয়ের খুব সাধারণ পরিণতি। সারাক্ষণ মনে হয় কিছু একটা ভুল হচ্ছে, কিন্তু কী ভুল বলতে পারছেন না। এই অনিশ্চয়তা মানুষকে ভেতর থেকে শেষ করে দেয়।

ঘুমের সমস্যা হয়। খাওয়ার সমস্যা হয়। মাথাব্যথা, বুক ধড়ফড়, শরীরে অব্যক্ত ব্যথা এগুলো দেখা দেয়।
সামাজিক জীবন সংকুচিত হয়ে আসে। গ্যাসলাইটাররা প্রায়ই শিকারকে পরিবার ও বন্ধুদের থেকে আস্তে আস্তে দূরে সরিয়ে দেন। একসময় শিকার একা হয়ে পড়েন এবং সেই একাকীত্বে আরও বেশি গ্যাসলাইটারের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।
বের হওয়ার পথ কোথায়?
প্রথমে বলে নিই, বের হওয়া কঠিন। কিন্তু অসম্ভব নয়।
প্রথম পদক্ষেপ হলো সচেতন হওয়া। আপনি এখন এই লেখাটা পড়ছেন, এটাই একটা বড় পদক্ষেপ। কারণ গ্যাসলাইটিং তখনই সবচেয়ে বেশি কাজ করে যখন শিকার বুঝতে পারেন না কী হচ্ছে।
দ্বিতীয় পদক্ষেপ হলো রেকর্ড রাখা। একটা ডায়েরি লিখুন। কী হলো, কখন হলো, কী বলা হলো লিখে রাখুন। এটা দুটো কাজ করে। একটা হলো আপনার নিজের স্মৃতির উপর আস্থা ফিরে আসে যখন দেখেন আপনার উপলব্ধি ঠিকই ছিল। আরেকটা হলো প্যাটার্ন দেখা যায়, বারবার কোন ধরনের ঘটনা ঘটছে।
তৃতীয় পদক্ষেত্র হলো বিশ্বস্ত কারো সাথে কথা বলুন। পরিবারের কেউ, বন্ধু, যাকে আপনি বিশ্বাস করেন। আপনার অভিজ্ঞতাটা বলুন। বাইরের কেউ অনেক সময় সেই প্যাটার্নটা দেখতে পান যেটা ভেতর থেকে দেখা যায় না।
চতুর্থ পদক্ষেপ হলো পেশাদার সাহায্য নেওয়া। একজন মনোবিদ বা কাউন্সেলরের সাথে কথা বলুন। বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নেওয়াকে অনেকে দুর্বলতা মনে করেন। কিন্তু এটা দুর্বলতা নয়, এটা সাহসের কাজ। একজন বিশেষজ্ঞ আপনাকে বুঝতে সাহায্য করতে পারবেন কী হচ্ছে এবং কীভাবে বের হবেন।
পঞ্চম পদক্ষেপ হলো সীমানা তৈরি করুন। যে মানুষটা এটা করছেন তার সাথে প্রতিটি কথোপকথন যে শেষ পর্যন্ত আপনাকে ছোট করে, সেটা বুঝতে শিখুন। প্রয়োজনে দূরত্ব তৈরি করুন।
ষষ্ঠ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো নিজের উপর আস্থা ফিরিয়ে আনা। এটা সময় নেয়। কিন্তু মনে রাখুন, আপনার আবেগ বাস্তব। আপনার স্মৃতি সত্যি। আপনার উপলব্ধি মূল্যবান। কেউ আপনাকে বলে দেওয়ার আগে সেটা আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে।
গ্যাসলাইটিং চেনার একটা সহজ পরীক্ষা
একটা সহজ পরীক্ষা বলি। কোনো একটা সম্পর্ক বা পরিস্থিতির কথা মনে করুন যেটা নিয়ে আপনার মনে সংশয় আছে।
এখন ভাবুন, সেই মানুষটার সাথে কথা বলার পরে আপনি কেমন অনুভব করেন সাধারণত? হালকা অনুভব করেন, নাকি ভারী? বোঝাপড়া হয়েছে মনে হয়, নাকি আরও বিভ্রান্ত হয়ে যান? নিজেকে মূল্যবান মনে হয়, নাকি ছোট মনে হয়?
সুস্থ সম্পর্ক আপনাকে ভারী করে না। কথোপকথনের পর যদি সবসময় মনে হয় আমিই ভুল করলাম, আমিই বেশি ভাবলাম, আমারই দোষ, তাহলে সেই সম্পর্কটা একটু মনোযোগ দিয়ে দেখার সময় এসেছে।
যারা গ্যাসলাইট করেন তাদের প্রতিও একটা কথা
এই লেখায় যারা গ্যাসলাইট করেন তাদের শুধু খলনায়ক হিসেবে দেখানো হলে পুরো ছবিটা সম্পূর্ণ হবে না।
অনেক মানুষ এটা করেন নিজেও না বুঝে। তারা নিজেরাও হয়তো এমন পরিবেশে বড় হয়েছেন যেখানে আবেগকে দুর্বলতা বলা হতো, ভিন্নমতকে অপমান মনে করা হতো। তারা শিখেছেন বিরোধ এড়াতে অস্বীকার করো, নিজের ভুল স্বীকার না করে অন্যকে বিভ্রান্ত করো।
এই মানুষগুলোরও সাহায্য দরকার।
কিন্তু এই কথাটা বলার অর্থ এই নয় যে শিকারকে সহ্য করে থাকতে হবে। নিজের ক্ষতি হতে দিয়ে অন্যের সমস্যা বহন করা আপনার দায়িত্ব নয়।
শেষ কথা
গ্যাসলাইটিং একটি নিঃশব্দ নির্যাতন। কারণ এটা কোনো দাগ রাখে না শরীরে। কিন্তু মনের ভেতরে যে ক্ষতটা তৈরি হয় সেটা অনেক গভীর এবং অনেকদিন থাকে।
যদি আজকের এই লেখা পড়তে পড়তে মনে হয় এটা তো আমার জীবনের কথা বলছে, তাহলে একটা কথা মনে রাখুন।
আপনি পাগল নন। আপনি বেশি সেনসিটিভ নন। আপনি বেশি ভাবছেন না।
আপনি শুধু এমন একটা পরিস্থিতিতে আছেন যেখানে আপনাকে বারবার এই কথাগুলো বিশ্বাস করানো হয়েছে।
নিজের উপর আস্থা রাখুন। আপনার অনুভূতি সত্যি। আপনি সাহায্য পাওয়ার যোগ্য।
এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, একা লড়াই করতে হবে না। কাছের মানুষদের সাথে কথা বলুন। দরকার হলে পেশাদার সাহায্য নিন। আলোর দিকে ফেরার পথ আছে, শুধু প্রথম পদক্ষেপটা নিতে হবে।
Comments are closed.