x-video.center fuck from above. azure storm masturbating on give me pink gonzo style. motphim.cc sexvideos

কোপা আমেরিকা কাপ: ফুটবল উৎসবের আরেক নাম

0

লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের নাম হলো কোপা আমেরিকা কাপ। এর পদযাত্রা শুরু হয় ১৯১৬ সালে। আগামী কোপা আমেরিকা কাপের আসরটা হবে ৪৬ তম আসর। উল্লেখ্য বিশ্বকাপের মতোই আলোচনা -সমালোচনায় মেতে থাকে ফুটবল বিশ্ব। মুলত কোপা আমেরিকা কাপ এর নিয়মবিধি পরিচালনা করে কনমেবল নামক ফুটবল সংস্থা। এটি মুলত প্রতি ৪ বছরে একবার অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। আর কোপা আমেরিকা কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চিলি। গত আসরের ফাইনালে ফেভারিট আর্জেন্টিনা কে ট্রাইবেকারে হারিয়ে দ্বিতীয় বার শিরোপার স্বাদ পায় চিলি।

কেমন হবে এবারের আসর?

কোপা আমেরিকা কাপ ২০১৯ সালের আয়োজক দেশ হচ্ছে ফুটবলের রাজপুত্র পেলে’র দেশ ব্রাজিল। এই নিয়ে মোট ৫ বার আয়োজক দেশ হিসেবে নাম লিখাবে ব্রাজিল। এবারের আসরে গত আসর থেকে ৪টি দল কম থাকবে। অর্থাৎ এবারের আসরে অংশগ্রহণ করবে মোট ১২টি দল। যার মধ্যে ১০ টি দল হচ্ছে লাতিন আমেরিকার কনমেবল সংস্থার আওতাধীন। আর বাকি দুই দল আমন্ত্রিত দল হিসেবে খেলবে। আমন্ত্রিত দল দু’টি হচ্ছে এশিয়ার অন্যতম ফুটবল পরাশক্তি জাপান আর ২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ কাতার। আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে এটি জাপানের ২য় কোপা আমেরিকা কাপে অংশগ্রহণ। এর আগে ১৯৯৯ সালে কনমেবলের আমন্ত্রনে নিজেদের প্রথম কোপা আমেরিকা কাপ ফুটবলে অংশগ্রহনের সুযোগ পায় জাপান। এবারের আসর শুরু হওয়ার সম্ভাব্য সময় হচ্ছে ১৪ জুন যেটা ৭ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

৪৬ তম আসর
৪৬ তম আসর
Source: SkyscraperCity

স্বাভাবিক ভাবে কনমেবলের নিয়ম অনুযায়ী কোপা আমেরিকা কাপের এই আসরটা চিলি তে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, যখন ২০১৫ সালের কোপা আমেরিকা কাপের আয়োজক দেশ হওয়ার কথা ছিল ব্রাজিলের। কিন্তু ২০১৩ সালে কনফেডারেশন কাপ, ২০১৪ সালে ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক দেশের নামের তালিকায় ছিল ব্রাজিল। ২০১৩ তে কনফেডারেশন আর ২০১৪ তে ফিফা বিশ্বকাপের মতো দু’টি বড় ধরনের ইভেন্ট ভালোভাবে সমপন্ন করা ব্রাজিলের জন্য আসলেই চ্যালেঞ্জিং ছিল। তার উপর আবার ২০১৬ সালে সামার অলিম্পিকেরও আয়োজক দেশ। তাই ২০১৫ সালের কোপা আমেরিকা কাপের আয়োজক দেশের দায়িত্ব নিতে কনমেবল কে নাকচ করে সিবিএফ। পরবর্তীতে চিলিও ব্রাজিলের ফুটবল ফেডারেশনের মধ্যে ১টা চুক্তি করে অর্থাৎ ২০১৫ তে যেটা ব্রাজিলে হওয়ার কথা ছিল ঐ টা চিলিতে হবে আর ২০১৯ সালের কোপা আমেরিকা কাপ চিলির পরিবর্তে ব্রাজিলে হবে। এই দুই দেশের এই চুক্তিটি ২০১২ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং পরবর্তীতে কনমেবলও তাতে রাজি হয়।

২০১৯ সালের কোপা আমেরিকা কাপ হবে বিজোড় অংকের শেষ কোপা আমেরিকা কাপ। অর্থাৎ এরপরে আর কখনো এই কাপ বিজোড় সালে অনুষ্ঠিত হবে না। ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত হবে কোপা আমেরিকা কাপের ৪৭ তম আসর।সিবিএফের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারনান্দো মারনে 

১৪ জুন ২০১৮ সালে ঘোষনা দেন যে, এবারের আসর ৫টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে। আর এই পাঁচটি শহর হচ্ছে, সালভাদর, রিও ডি জেনেরিও, সাও পাউলো, বেলো হরিজন্টে, পরতে এলেগ্রো।

যারা অংশগ্রহণ করবে এই আসরে

এবারের আসরের জন্য কনমেবল প্রাথমিক ভাবে ১৬ টি দল নিয়ে এই টুর্নামেন্ট খেলার পরিকল্পনা করেছিলো এবং এই ১৬ দলের মধ্যে ১০ টি দল থাকবে কনমেবলের আওতাধীন লাতিন আমেরিকার দেশগুলো। আর বাকি ৬টি দেশ থাকবে কনমেবলের বাইরের।

১৬ মার্চ ২০১৮ সালে কনমেবল ঘোষনা দেয় যে, যে ছয় দল কনমেবলের বাইরের সেই ছয় দলের মধ্যে ৩ দল থাকবে কনক্যাকেফে এর এবং বাকী ৩ দল থাকবে এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের আমন্ত্রিত দল।
১২ এপ্রিল ২০১৮ সালে কাতার ঘোষনা দেয় যে, তারা ২০১৯ সালের কোপা আমেরিকা কাপ খেলার আমন্ত্রণ গ্রহন করেছে।

কোপা আমেরিকা কাপ
কোপা আমেরিকা কাপ
Source: http://a1.espncdn.com

২০১৮ সালের ৪ঠা মে কনমেবল আবারো ঘোষনা দেয় যে, ২০১৯ সালের কোপা আমেরিকা কাপে ১২টি দল অংশগ্রহন করবে। আর ১৯৯৩ সালের আসরের মতো এবারো দুটি আমন্ত্রিত দল থাকবে। আর আমন্ত্রিত দল দু’টি হচ্ছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন থেকে। এই আসরে ১ম আরব দেশ হিসেবে আবির্ভাব ও অভিষেক ঘটবে কাতারের। আর ২য় বারের মতো সুযোগ পাবে জাপান।

এই আসরের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই প্রথম ‘কনক্যাকেফ ‘ থেকে কোন দল অংশগ্রহন করছেনা। বিশেষ করে এই আসরে মেক্সিকো আমন্ত্রিত দল হিসেবে খেলতে পারছে না।

এবারের আসরে যে দেশগুলো অংশগ্রহনের সুযোগ পেয়েছে সে দেশ গুলি হচ্ছে- ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, জাপান (আমন্ত্রিত), প্যারাগুয়ে, পেরু, কাতার (আমন্ত্রিত) , উরুগুয়ে ও ভেনিজুয়েলা।

শিরোপার হিসাব

এবারের আসরের আগে মোট ৪৫ টি কোপা আমেরিকা কাপের আসর অনুষ্ঠিত হয় যেখানে মাত্র ৮’টি দল ৪৫ বার শিরোপা ভাগাভাগি করে নিতে সক্ষম হয়। শিরোপা জিতায় সবার উপরে আছে উরুগুয়ে (১৯১৬, ১৯১৭, ১৯২০, ১৯২৩, ১৯২৪, ১৯২৬, ১৯৩৫, ১৯৪২, ১৯৫৬, ১৯৫৯, ১৯৬৭, ১৯৮৩, ১৯৮৭, ১৯৯৫, ২০১১) তারা মোট পনেরো বার শিরোপার স্বাদ পেয়েছিল।

কোপা আমেরিকা ঘরে তোলায় দ্বিতীয় স্থানে আছে গড অব হ্যান্ডের দেশ আর্জেন্টিনা। তারা মোট ১৪বার শিরোপার কাছে যেতে সক্ষম হয়। সাল গুলি হচ্ছে (১৯২১, ১৯২৫, ১৯২৭, ১৯২৯, ১৯৩৭, ১৯৪১, ১৯৪৫, ১৯৪৬, ১৯৪৭, ১৯৫৫, ১৯৫৭, ১৯৫৯, ১৯৯১, ১৯৯৩)।

কোপা আমেরিকা কাপের শিরোপা ঘরে তুলে নেওয়ায় ব্রাজিল আছে ৩য় স্থানে। তারা মোট ৮’বার শিরোপার কাছে যেতে পেরেছিল। সাল গুলি হচ্ছে (১৯১৯, ১৯২২, ১৯৪৯, ১৯৮৯, ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৪, ২০০৭)।
এছাড়া প্যারাগুয়ে (১৯৫৩, ১৯৭৯), পেরু(১৯৩৯, ১৯৭৫), চিলি (২০১৫, ২০১৬) এই তিনটি দল দুই বার করে শিরোপা জিতেছিলো। আর কলম্বিয়া (২০০১), বলিভিয়া (১৯৬৩) এই দুই দল একবার করে কোপা আমেরিকা কাপ নিজেদের করতে পেরেছিলো।

সর্বোচ্চ গোলদাতা

কোপা আমেরিকা কাপ ফুটবলের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত সর্বোচচ গোলদাতা যৌথভাবে দুইজন খেলোয়ার। তারা হলেন ব্রাজিলের জিজিনহো আর অন্যজন হলেন আর্জেন্টাইন খেলোয়ার নরবের্তো মেন্ডেজ। তারা মোট সতেরো বার বল জালে জড়াতে সক্ষম হন।

ফিফা বিশ্বকাপের মতো কোপা আমেরিকা কাপও একটি উত্তেজনাপূর্ণ টুর্নামেন্ট। কোপা আমেরিকা কাপের আগমনে হেসে উঠে ফুটবল বিশ্ব। তারকা খেলোয়ারদের সমাগম ঘটে এই টুর্নামেন্টে। কোটি কোটি ফুটবল প্রেমীরা মুখিয়ে আছেন কবে দেখতে পাবেন তাদের প্রিয় দল, তারকাদের খেলা।

Source Feature Image
Comments
Loading...
sex videos ko ko fucks her lover. girlfriends blonde and brunette share sex toys. desi porn porn videos hot brutal vaginal fisting.