x-video.center fuck from above. azure storm masturbating on give me pink gonzo style. motphim.cc sexvideos

একজন মাদ্রিদস্তার চোখে জিদানের বিদায় এবং জিদান বিহীন রিয়াল মাদ্রিদের ভবিষ্যত

0

সময় ৩০শে মার্চ, ২০১৮। অন্যান্য দিনের মত খুবই সাধারণ একটা দিন ছিল মাদ্রিদে। ঝড়ের কোন পূর্বাভাসও ছিল না। তাছাড়া টানা ৩ বার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ জিতে মাদ্রিদ পরিবারের মধ্যে সুখের আবহও বইছিল। এমনই এক সময়ে হঠৎ জিদান সব সাংবাদিককে অনুরোধ করে দুপুর ১টায় প্রেস কনফারেন্সে আসতে। প্রথম দিকে মনে হয়েছিল সম্ভবত রোনালদোর ভবিষ্যত আর মাদ্রিদের এই সিজনে ট্রান্সফার পলিসি নিয়ে এই সম্মেলন হবে। কিন্তু আসতে আসতে ভিতরে থেকে খবর আসতে থাকে জিদান পদত্যাগ করবে। তারপরেও মাদ্রিদস্তারা এইটাকে গুজব বলেই উড়িয়ে দেয় । সদ্য স্বপ্ন দেখতে শুরু করা মাদ্রিদস্তাদের জন্য কোনভাবে এইটা বিশ্বাস করা সম্ভব ছিল না যে জিদান পদত্যাগ করতে পারে। তাছাড়া মাদ্রিদের পরিস্থিতি এতটাই শান্ত ছিল যে, মাদ্রিদস্তাদের মনে কোন রকম সন্দেহই ছিল না এই রকম কিছু হতে পারে।

জিদানের বিদায়
Source: Times LIVE

সময় ১টা। জিদান পেরেজকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসে। কোন রকম ভণিতাই না গিয়েই জিদান বলে বসে,”পরবর্তী সিজন থেকে মাদ্রিদের ডাগ আউটে আমি আর থাকছি না।” বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত এসে ঠেকে এইটা সকল ফুটবলপ্রেমীদের কাছে। মাদ্রিদস্তারাও তো বিশ্বাসই করতে পারছিল না ,এইটা কি হল। স্বপ্ন দেখতে শুরু করার আগেই স্বপ্নভঙ্গ??? এইও কি সম্ভব। জিদান ছাড়বে মাদ্রিদ?? শুধুমাত্র কি মাদ্রিদস্তা? সকল ফুটবলপ্রেমীর কাছে এই যে এটম বোম ফাটানোর মত খবর।  

জিদানের বিদায়
Source: sports.ndtv.com

সংবাদ সম্মেলনে পেরেজের মুখটা ছিল দেখার মত। এতটা হতাশাগ্রস্থ, বিষাদগ্রস্থ পেরেজকে কখনো কেউ দেখেছিল কিনা কেউ বলতে পারবে না। তার চেহারা পরতে পরতে ফুটে উঠছিল বেদনার যাতনা। দেখে মনে হচ্ছিল কেউ যেন তার কলিজা ধরে টান দিচ্ছে। সারাটা জীবন এই পেরেজই সবাইকে স্যাক করে এসেছে। কখনো একবারের জন্যেও তাদের জন্য তার মনে সহানুভুতির সৃষ্টি হয়নি। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেই পেরেজই আজকে মুদ্রার উলটো পিঠটা দেখে নিল। দেখে নিল কেন জিদানকে চ্যাম্পিয়ন বলা হয়। একজন বিলনিওয়ার হওয়ার পরেও আজ সে অসহায়। কোনভাবে যে সে বিশ্বাস করতে পারছিল না। এইভাবে যে সব কিছু হবে সে নিজে ও যে কল্পনা করেনি। “জিদান যখন আমাকে গতরাতে কল করে আমি ভেবছিলাম সে ট্রান্সফার নিয়ে কথা বলবে।আমার একবারেও মনে হয়নি, সে চলে যেতে পারে। আমরা তার পারফরম্যান্সে খুশিও ছিলাম। জিদান জানে আমি তাকে কতটা ভালবাসি। একজন শুভাকাঙ্খী হয়ে আমি সবসময় তার পাশে থাকতে চেয়েছি।” এতটা অসহায় পেরেজকে কি আগে কখনো দেখা গিয়েছে? পেরেজ নিজে চাচ্ছে তার কোচ থেকে যাক, এমনটা কি নিকট অতীতে কোন মাদ্রিদস্তা দেখেছে?  

ফিরে যাই এই বছরের ফেব্রুয়ারীতে। রিয়াল বেটিসের সাথে এওয়ে ম্যাচে কোন এক সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞাস করে, এসেনসিও কে দলে না রাখার কারণ কি? জিদান তার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মত কিছুটা বিরক্ত হয়। তার উত্তর ছিল, “প্রতিটা সপ্তাহে আমি আপনাদের এই প্রশ্ন শুনতে শুনতে ক্লান্ত। এই সপ্তাহে মার্কো। গত সপ্তাহে ছিল ইস্কো। অন্যান্য সময় থাকে সেবায়েস। আপনারা এইটা কেন বোঝার চেষ্টা করেন না যে, একটা ম্যাচে শুধু মাত্র ১১ জন খেলতে পারে। আমি চাইলেও ৭-৮ জন কোয়ালিটি প্লেয়ার অবশ্যি বেঞ্চে বসে থাকতে হবে। প্লেয়ার সময়মত সুযোগ পাবে। কিন্তু এইটাও মাথায় রাখতে হবে সবাই একই রকম সুযোগ পাবে না। এইটাই ফুটবল।” জিদানের মনে এই যে চাপা ক্ষোভ কিংবা অভিমান যে ছিল সেইটা প্রকাশ পায় তার গতকালের সংবাদ সম্মেলনেও। “আমি কোচিং এর ব্যাপারে এখনো আগ্রহী। তবে মাদ্রিদের জন্য মনে হয় না।”

Source: www.skysports.com

মার্চ মাস। লীগ থেকে অলরেডি ছিটকে পড়েছে মাদ্রিদ। এইদিকে কোপা দেল রেতে হারার পর সংবাদমাধ্যমে জিদানের মুন্ডুপাত চলছে। মাদ্রিদ ফ্যানবেজ থেকে উঠেছে জিদানকে স্যাক করার রব। অথচ তারা ভুলে গেল, এই মানুষটিই কিছুদিন আগে ইতিহাস গড়েছে। প্রথমবারের মত ব্যাক টু ব্যাক উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ। তার সাথে লীগ জয় তো আছেই। এর ৬ মাসের মধ্যেই সব কিছু পরিবর্তন। সমর্থকদের দাবী, তার অতিরিক্ত স্বজনপ্রীতি, মুখস্থ একাদশ আর  ক্রস ট্যাকটিসই লা লিগা পরাজয়ের একমাত্র কারণ। পিএসজির সাথে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ এ তার ম্যাচটি ছিল অনেকটা কোনভাবে চাকরী টিকিয়ে রাখা যায় কিনা শেষ চেষ্টা। আর এই জন্য ম্যাচ শুরু আগে সাংবাদিকদের প্রথম প্রশ্ন, “আপনি কি আপনার মাদ্রিদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত?” জিদান আবারো বিরক্ত। কোন রকম রাখ ডাক না রেখেই বলে দিল, “না আমি মোটেও আমার ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত নয়। আমি মাদ্রিদকে ভালবাসি।” তবে দলের কাপ্তান রামোসের মুখে শুনা গেল ভিন্ন কথা, “শুধুমাত্র জিদানই জানে সে পরবর্তী সিজনে কি করবে। এমনও হতে পারে সে জিতবে কিন্তু তারপরেও আমাদের ছেড়ে চলে যাবে”। কথাটা খুবই পরিস্কার। জিদান হয়ত ততদিনে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছে এইটাই মাদ্রিদে তার শেষ সিজন। আর এইটা নিয়ে যে সে রামোসের সাথে কথা বলেছে এইটাও পরিষ্কার তার সংবাদ সম্মেলনে। “আমি সবার আগে এই ব্যাপারে রামোসের সাথে কথা বলি। পরবর্তীতে সে আমার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়।” আর লেগানেসের কাছে হারটি তাকে কতটা কষ্ট দিয়েছে বোঝা যায় তার এক কথাতে, “মাদ্রিদের হয়ে আমার সব থেকে কষ্টকর মূহুর্ত হল লেগানেসের সাথে হোম ম্যাচ হারা”। অকপটে স্বীকারক্তি।সবাই জানে, মাদ্রিদ হেরেছে কিন্তু কেউ একবারও দেখার চেষ্টা করল না সে কাদেরকে সুযোগ দিয়েছিল। হয়ত সে নিজের মত করে দলটাকে  গড়ে তোলার চেষ্টা করছিল কিন্তু দল গড়ার জন্য যে সার্পোটটুকু দরকার তা সে কখনো পাইনি। তার প্রতিটা কাজেই সে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছিল ওই সময়। মাদ্রিদে সব ট্রফিই দরকার। কেন বা কি কারণে হেরেছে তারা এই সব শুনতে চাই না। আর জিদান নীতি অনুসারে মাদ্রিদের পক্ষে সব ট্রফি জিতবে এমনটা বলাও সম্ভব না। এই অবস্থাটাই সে বর্ণনা করে, “আমার মনে হয় এই দলে কিছু পরিবর্তন দরকার। নতুন কোন চিন্তা দরকার। নতুন কোন ভয়েস।”

Source: Daily Express

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনাল। চাকরী বাঁচানোর লড়াই। ডাগআউটে সব থেকে নিশ্চিন্তে আছে জিদান।কারো বোঝার উপায় নেই তার মাথায় কি চলছে। এত পাহাড়পর্বত প্রেশার নিয়েও সে খেলাটাকে উপভোগ করছে সাধারন দর্শকের মতই। বেঞ্জুর গোলে সে যতটা না খুশি তার থেকে সে বেশি উচ্ছলিত বেলের গোলে। এইটাই হল জিদান। সে তার খেলোয়াড়ি সত্তাকে এখণ ভুলে যেতে পারেনি। আর এই জন্যি হয়ত সে এখনও খেলোয়াড়দের প্রিয় “জিজু”। ম্যাচ শেষে প্রথম বোম ফাটাল রোনালদো। সে জানাল, “সে তার ভবিষ্যত নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কথা বলবে।” অন্যদিকে ম্যাচ জয়ের অন্যতম নায়ক বেলও জানাল,”প্লেয়িং টাইম না পেলে সে এই বিরতিতেই তার এজেন্টের সাথে কথা বলবে।” মোট কথা প্রথমবারের মত দলের ঐক্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠল। বোঝা গেল, কিছুটা হলেও দলের ড্রেসিংরুমে সমস্যা দেখা দিয়েছে। গুজব শোনা গেল, পেরেজ চাই প্লেয়ার কিনতে।পেরেজ চাই বেল থাকুক। কিন্তু জিদান চাই রোনালদোকে নিয়েই আরেক সিজন কাটাতে। দুইজনের মধ্যে মনমালিন্য বিধ্যমান। কতটা সেইটা বোঝা না পেলেও জিদানের বিদায়ে সব প্লেয়াররা যখন তাকে কনগ্রেটচুলেশন জানাতে ব্যস্ত সোশিয়াল নেটওয়ার্কে। সে জায়গায় বেলের কোন এক্টিভিটিই পাওয়া গেল না। স্কোয়াডে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ২৪ ঘন্টা পার হয়ে যাওয়ার পরেও বেলের কোন শুভেচ্ছাবার্তা নেই জিদানকে নিয়ে। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, দুইজনের মধ্যে কিছুটা শীতল সম্পর্ক বিরাজ করছে। জিদানের কথাবার্তায় অবশ্য এই সবের কোন গুরুতে নেই। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সে এইসব সম্ভবনাকে “না” বলেই উড়িয়ে দিয়েছে।

SOurce: al-ayyam.com

জিদানের স্কোয়াড় চিন্তা করলে দেখা যাবে সবার গড় বয়স ২৯-৩০ এর কাছাকাছি। আমারই এক লেখাতে আমি বলেছিলাম, পরবর্তী সিজনে জিদানের সব থেকে বড় সমস্যা  হবে এজিং রোনালদো আর রামোসের সমস্যার সমাধান করা। হ্যা, এই জন্যি হয়ত কতৃপক্ষ চাচ্ছিল নতুন কাউকে আনতে যাকে কেন্দ্র করে গরে উঠতে পারে আবার রিয়াল। কিন্তু জিদান এই ট্রাঞ্জিশন পিরিয়ডে থাকতে চাই না। কারণতা বোধগম্য। হঠাৎ করে, নতুন খেলোয়াড় আনা হলে জিদান সিস্টেমে মানিয়ে নিতে কষ্ট হবে। রিস্ক থাকবে ট্রফিশূন্য থাকারও। তাই কথা হল, মাদ্রিদ কি আদৌ প্রস্তুত ট্রফিশুণ্য সিজন কাটাতে? উত্তর হল, না। মাদ্রিদস্তাদের যে পরিমাণ চাহিদা তাতে এইটা পরিস্কার একটা ট্রফিশুণ্য সিজন গেলে তারা জিদান কেন জিদানের থেকে বড় কেউ আসলেও তার মুন্ডুপাত করতে ছাড়বে না। জিদান একজন প্রাক্তন খেলোয়াড়। মাদ্রিদ কালচার সে ভালভাবেই জানে। সে দেখেছে খেলোয়াড়দের অফ ফর্মে তাদের উপর সমর্থকগোষ্টী কি পরিমান চাপ সৃষ্টি করে। তাই যে ভিলেনের মত বিদায় হবার থেকে চ্যাম্পিয়নের বেশেই বিদায় নেওয়াটাকে শ্রেয় মনে করল। কিছুটা সেলফিশ হয়ে তবে যৌক্তিক।

কিছুদিন আগেই সংবাদ বেরিয়েছিল, ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশন তার সাথে যোগাযোগ করে অনুরোধ করে ২০২০ সালে জয়েন করার জন্য। জিদানের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে এই ব্যাপারটিও। মাদ্রিদে তার নিজেকে প্রমাণ করার আর কিছু নেই। সে তার ছোট ক্যারিয়ারে যা অর্জন করেছে এই অর্জনও অনেক কোচের সারাজীবনের স্বপ্ন। জিদানের যা চরিত্রাবলী তাতে ক্লাব কোচ থেকে জাতীয় দলের কোচেই তাকে মানায় বেশি। তাছাড়া বিশ্বকাপের সাথে তার অতীত একটা বোঝাপড়াও আছে। খুব সম্ভবত পেপ এর মত এক বছর সে স্বেচ্ছা নির্বাসনে যাবে। তারপর সে সিদ্ধান্ত নিবে তার ভবিষ্যত নিয়ে। মাদ্রিদে কখনো ফিরবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জিদান বলে, “It’s not a goodbye. It’s “SEE YOU SOON.”” পরিষ্কার মাদ্রিদে আবার দরকার পড়লে সে আসবে। আমরা সমর্থকরা চাইব, পরবর্তীতে আসার সময় সে যেন বিশ্বকাপটা নিয়েই আসে।

Source: The Guardian Nigeria

মাদ্রিদের ভবিষ্যতঃ

জিদান চলে যাওয়ায় জিদানের না যতটা সমস্যা হল তার থেকে বেশি সমস্যায় পড়ল মাদ্রিদ। এতদিন পর্যন্ত সব কিছু পরিকল্পনামতই চলছিল। হঠাৎ করে এমন হওয়ায় প্রথম যে সমস্যা মাদ্রিদকে পরতে হবে তা হল কোচ। জিদান দেখিয়ে দিয়েছে মাদ্রিদে সাফল্য পাওয়াটা খুব সহজ যদি কেউ মাদ্রিদের হাতে থাকা রিসোর্সগুলোকে সময় এবং পরিকল্পনামত ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু এইখানে বড় ঝামেলা হল, এই সম্পদগুলো ব্যবহার করা। এই দলের সব থেকে বড় সমস্যা ইগো। এই দলের মোটামুটি সবারই আছে ৩টা করে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ ট্রফি। তাই এদেরকে আপনি আপনার ট্যাকটিস বোঝাতে গেলে এরা কখনোই শুনবে না। তাই আপনি যত বড় ট্যাকটেশিয়ান আনুন না কেন ভরসা নেই যে তার সাথে এই খেলোয়াড়দের ইগো সে সামাল দিতে পারবে। এই খেলোয়াড়দের ইগো এমন পর্যায়ে, তারা দরকারে আপনাকে বের করার জন্য স্বেচ্ছায় মাঠে হেরে যাবে। এই পরিস্থিতিটা বর্ননা করা যায় জিদানের এক কথাতেই, “আমি যখন খেলোয়াড় ছিলাম সব থেকে বিরক্ত লাগত যখন কোচ বড় বড় লেকচার দিত মাঠে।মাদ্রিদে আমরা কেউ ব্যাপারটা পছন্দ করতাম না। তাই আমি একসাথে দুইটার বেশি আইডিয়া নিয়ে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না।” তারমানে মাদ্রিদের এমন কাউকে দরকার যে মাদ্রিদের সংস্কৃতির সাথে পুর্ব পরিচিত। যার থেকে খেলোয়াড়রা ট্যাকটিস শিখবে না শিখবে কিভাবে ভলি গোল দিতে হয়, বাইসাইকেল কিক দিতে হয়। আর এই সব বিবেচনা করলে মাদ্রিদের হাতে দেখা যাচ্ছে অপশন খুবই কম। এইদিকে, জিদান ও চলে যাওয়ার সময় বেল কিংবা রন কারো ভবিষ্যত নিয়ে কিছু বলে যায়নি। তাই মোটামুটি আন্দাজ করা যায়, নতুন কোচ এসেই অনেক ঝামেলায় পরবে। কোপ পরতে পারে তরুণ তুর্কীদের উপরেও। মাদ্রিদের হাতে থাকা কিছু কোচের লিস্ট দি দেখা যাক, কে আসলে বেশি যায় মাদ্রিদের সাথে।

Source: Football365

১। পচেতিন্নোঃ ট্যাকটিক্যাল খুবই স্ট্রং। তবে আমার ভয় হচ্ছে সে আসলে এরিকসন, কেইন কেও নিয়ে আসতে চাইবে। কেইন যদি আসে, বেনজেমা দলে থাকবে না । আর লোন স্টাইকার হিসেবেই কেইন খেলতে পছন্দ করে তাই কোপ পড়তে পারে রোনালদোর উপরও। এই বয়সে এসে রোনালদোও উইং এ ট্র্যাকব্যাক করতে চাইবে না।  তাছাড়া এরিকসনকে আনা হলে, কোভাচিচ, ইস্কো দুইজনেই দল ছাড়তে চাইবে। এতদিন তারা জিদানের অধীনে নিশ্চিন্তে ছিল। এখন সেইটা সম্ভব না। তবে হ্যা লিগ জিতার জন্য পচেতিনো ভাল অপশন। তবে কতদিন টিকে ঠাকবে একটা বড় প্রশ্ন।মাদ্রিদে জিতাই বড় নয়। জিতার পাশাপাশি সবার মন রক্ষার ব্যাপার ও আছে এইখানে।

২। সারিঃ নাপোলির কোচ থেকে কয়েকদিন আগে সরে দাঁড়িয়েছে সারি। ট্যাকটেক্যালি খুবই শক্তিশালী এবং খুব ডিসিপ্লিন।ঘাড়ত্যাড়া বলেই পরিচিত।আর এই দিকে মাদ্রিদের খেলোয়াররাও ঘাড়ত্যাড়া। তাই ট্যাকটিক্যালি শক্তিশালী হবার পরেও কতটুকু সে ড্রেসিংরুম শান্ত রাখতে পারবে বড় প্রশ্ন থেকেই যায়।

৩। লোঃ কয়েকদিন আগে চুক্তি বাড়িয়েছে জার্মান দলের হয়ে। ট্যাকটিক্যালি শক্তিশালী আবার ম্যান ম্যানেজমেন্ট ও ভাল। মাদ্রিদের জন্য সব দিক দিয়ে যায়। কিন্তু কথা হল, তাকে আদৌ পাওয়া যাবে কিনা এই সময়।

৪। কন্তেঃ চেলসিতে খুব খারাপ ভাবে শেষ হলেও একজন ইউনার কোচ। তবে তার খেলার ধরণ কোন ভাবেই মাদ্রিদে যায় না। তাছাড়া চেলসির কস্তা, হ্যাজার্ডের ইগোই সে সামাল দিতে পারল না সেইখানে রন, রামোস, বেলদের ইগো সে সামাল দিতে পারবে ব্যাপারটা বোকামি।

৫। গুতিঃ মাদ্রিদে সব থেকে ভাল সলিউশন। জিদানের মত প্লেয়ার বেসড সিস্টেম তৈরী করে। ফরমেশন ট্যাকটিস সব দল ভেদে ভিন্ন। আর সব থেকে বড় কথা, সে নিজেও মাদ্রিদ  লিজেন্ড। এই সময়ে একমাত্র সেই হতে পারে রিয়ালের সব থেকে বড় ভরসার নাম। মাদ্রিদের কোচ হওয়ার ব্যাপারে ও সে আগ্রহী । “My dream is the same as dreams of many managers… to coach Real Madrid” Guti, April 2018

মাদ্রিদের জুভেলাইন দলকে সে ট্রেবল জিতেয়েছিল । তারা খেলার ধরণ এতটাই সহজ ছিল যে জুভেলাইন দলটি খুব স্বল্প সময়ে তা রপ্ত করে ফেলে। রিয়াল তাদের সাফল্য এগিয়ে নিতে চাইলে গুতিই আমার মতে সব থেকে ভাল অপশন।

মাদ্রিদস্তা দের করণীয়ঃ

পরবর্তী সিজনে যেই কোচ হয়ে আসুক না কেন একজন মাদ্রিদস্তা হিসেবে আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে তার কাজকে বিশ্বাস করা। এইটা মোটামুটি ধরে নেওয়া যায়, অনেক পরিবর্তন আসবে দলে। রামোস, ভারানে, মার্সেলো, কারভাহাল, ক্রুস, মদ্রিচ ছাড়া বাকী সবার ভবিষ্যত নির্ভর করছে কোচের ট্যাকটিস আর ভবিষ্যত পরিকল্পনার উপর। তাই যাই হোক না কেন, সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। আর হ্যা জিদান কিছু জিনিস আমাদেরকে হাতে কলমে দেখিয়ে দিয়েছে, যমেন যাই হোক না কেন প্লেয়ারদের পাশে থাকলে তারা অবশ্যি ভাল করবে কারণ মাদ্রিদের সব প্লেয়ারই চ্যাম্পিয়ন প্লেয়ার। আবার, এইটাও বোঝার চেষ্টা করতে হবে কোচ কেন কাউকে নিচ্ছে না। হয়ত কোচের কোন পরিকল্পনা আছে ভিন্ন যেইটা সে প্রকাশ করতে চায় না। এখন বারবার যদি তাকে এই সব প্রশ্ন করা হয় তাহলে শুধু ট্যাকটিসের না এইটা দলেও ক্ষতি। প্লেয়ারদের মনে কোচের প্রতি বিষাদ আসলে তৈরী করে ক্লাব সমর্থকরাই।

 

সব শেষে DR. SEUSS এর একতা লাইন দিয়েই শেষ করছি, “DON’T CRY BECAUSE IT’S OVER. SMILE BECAUSE IT HAPPENED”

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos ko ko fucks her lover. girlfriends blonde and brunette share sex toys. desi porn porn videos hot brutal vaginal fisting.