ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু অধ্যায় থাকে যেগুলো পড়তে পড়তে মনে হয় এটা কি সত্যিই আমাদের পূর্বপুরুষদের গল্প? এত বড় সাম্রাজ্য, এত শিল্প, এত জ্ঞান, এত বিস্তার, আর আজকে আমরা তাদের কথা কতটুকু জানি?
পাল সাম্রাজ্যের কথা বলতে গেলে ঠিক এই অনুভূতিটাই আসে।
একসময় এই বাংলার মাটি থেকে জন্ম নেওয়া একটি রাজবংশ প্রায় চারশো বছর ধরে শাসন করেছিল উপমহাদেশের বিশাল একটা অংশ। তাদের রাজত্বের সীমানা একসময় পৌঁছে গিয়েছিল আজকের বিহার, উত্তরপ্রদেশ, আসাম, ওড়িশা পর্যন্ত। তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গড়ে উঠেছিল। তাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল সুদূর তিব্বত, চীন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত।
অথচ আজকে স্কুলের পাঠ্যবইয়ে তাদের নাম মাত্র কয়েক লাইনে শেষ।
এই লেখায় পাল সাম্রাজ্যের গোটা গল্পটা বলব, উত্থান থেকে পতন পর্যন্ত। একটু ধৈর্য ধরে পড়ুন, মনে হবে একটা হারানো সভ্যতার দরজা খুলে যাচ্ছে।
মাৎস্যন্যায়: যে অন্ধকার থেকে পালদের জন্ম
পালদের গল্প শুরু করতে হলে তার আগের সময়টার কথা বলতে হবে। সপ্তম শতাব্দীর শেষভাগ এবং অষ্টম শতাব্দীর শুরুতে বাংলা ছিল এক ভয়াবহ বিশৃঙ্খলার মধ্যে।
শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় কোনো শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ছিল না। ছোট ছোট রাজারা নিজেরা নিজেরা লড়াই করছিলেন, প্রতিটি অঞ্চল আলাদা হয়ে গিয়েছিল, আর সাধারণ মানুষ পড়েছিলেন চরম বিপদে। ইতিহাসবিদরা এই সময়টার একটা নাম দিয়েছেন, মাৎস্যন্যায়।
মাৎস্যন্যায় মানে হলো মাছের নিয়ম। পুকুরে যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, সেই সময়ের বাংলায় তেমনি শক্তিশালীরা দুর্বলদের উপর অত্যাচার করছিল। কোনো আইন নেই, কোনো শৃঙ্খলা নেই, কোনো নিরাপত্তা নেই।
এই অবস্থা চলেছিল প্রায় একশো বছর।
তারপর একদিন বাংলার জনগণ নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিল। তারা একজন নেতাকে বেছে নেবে যিনি এই বিশৃঙ্খলা থামাবেন। এই নির্বাচনের ঘটনাটা ইতিহাসে বিরল, কারণ সেই যুগে সাধারণত রাজা হতেন রক্তের উত্তরাধিকারে বা যুদ্ধে জিতে। কিন্তু পালদের উত্থান হয়েছিল জনগণের সম্মতিতে।
সেই নির্বাচিত নেতার নাম ছিল গোপাল।
গোপাল: যাঁকে মানুষ নিজেরা রাজা বানিয়েছিল
৭৫০ খ্রিষ্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে গোপাল বাংলার সিংহাসনে বসলেন। তাঁর পূর্বপরিচয় নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে বিতর্ক আছে। কেউ বলেন তিনি একজন সামরিক নেতা ছিলেন, কেউ বলেন স্থানীয় শাসক। কিন্তু একটা বিষয়ে সবাই একমত, তিনি সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে উঠে এসেছিলেন।
গোপাল ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। তাঁর শাসনে বাংলায় আবার শান্তি ফিরে আসতে শুরু করল। ছোট ছোট রাজ্যগুলোকে একত্রিত করা শুরু হলো। বিশৃঙ্খলার জায়গায় আসতে শুরু করল শৃঙ্খলা।
গোপাল নিজে হয়তো বুঝতেন না যে তিনি একটি মহান রাজবংশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছেন। তাঁর ছেলে ধর্মপালের হাতেই পাল সাম্রাজ্য প্রকৃত অর্থে মহাশক্তি হয়ে উঠবে।
ধর্মপাল: যিনি বাংলাকে সাম্রাজ্যে পরিণত করলেন
ধর্মপাল পালদের ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল নামগুলোর একটি। তিনি রাজত্ব করেছিলেন আনুমানিক ৭৭০ থেকে ৮১০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত, প্রায় চল্লিশ বছর।
এই চল্লিশ বছরে তিনি বাংলাকে একটি আঞ্চলিক শক্তি থেকে উপমহাদেশের অন্যতম প্রধান সাম্রাজ্যে পরিণত করলেন।
ধর্মপালের সামরিক অভিযান ছিল অসাধারণ। তিনি বিহার দখল করলেন, উত্তর ভারতের দিকে অগ্রসর হলেন, এবং কনৌজের সিংহাসনে নিজের পছন্দের রাজাকে বসালেন। সেই সময়ে কনৌজের আধিপত্য প্রায় সমগ্র উত্তর ভারতে ছিল। তার মানে ধর্মপাল কার্যত উত্তর ভারতের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নিলেন।
কিন্তু ধর্মপালকে শুধু যোদ্ধা বললে অবিচার হবে। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী শাসক যিনি বুঝেছিলেন সাম্রাজ্যের স্থায়িত্বের জন্য তলোয়ারের চেয়েও জ্ঞান বেশি দরকার।
তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান হলো বিক্রমশীলা মহাবিহার প্রতিষ্ঠা। বিহারের কাছে গঙ্গার তীরে তিনি যে বিশ্ববিদ্যালয়টি গড়ে তুললেন, সেটি পরে নালন্দার পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্ঞানকেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। তিব্বত, চীন, নেপাল, শ্রীলঙ্কা থেকে শিক্ষার্থীরা আসতেন এখানে।
ধর্মপাল নালন্দাকেও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছিলেন। নালন্দায় ততদিনে হাজার বছরের ঐতিহ্য, কিন্তু পালদের আমলে এটি আরও সমৃদ্ধ হয়েছিল।

দেবপাল: সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ বিস্তার
ধর্মপালের পুত্র দেবপালের আমলে পাল সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ বিস্তারে পৌঁছাল। আনুমানিক ৮১০ থেকে ৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তাঁর রাজত্ব।
দেবপাল পূর্বদিকে আসাম জয় করলেন, উড়িষ্যায় অভিযান চালালেন, এবং উত্তরে হিমালয়ের পাদদেশ পর্যন্ত তাঁর আধিপত্য বিস্তৃত হলো। সেই সময়ের একটি তাম্রশাসনে বলা হয়েছে তাঁর রাজ্য বিন্ধ্যপর্বত থেকে হিমালয় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
দেবপালের আমলে পালদের আন্তর্জাতিক খ্যাতিও বহু দূর ছড়িয়ে পড়েছিল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শৈলেন্দ্র রাজবংশের রাজা বালপুত্রদেব দেবপালের কাছে একটি দূত পাঠিয়ে নালন্দায় একটি বৌদ্ধ মঠ নির্মাণের অনুমতি চেয়েছিলেন এবং সেই মঠের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাঁচটি গ্রাম দান করার অনুরোধ করেছিলেন। দেবপাল সেই অনুরোধ মঞ্জুর করেছিলেন।
এই একটি তথ্যই বলে দেয় সেই সময়ে পাল সাম্রাজ্যের মর্যাদা কতটা উঁচুতে ছিল।
পাল আমলের শিল্প ও সংস্কৃতি: বাংলার সোনালী অধ্যায়
পাল রাজারা শুধু যোদ্ধা ছিলেন না, শিল্পের পৃষ্ঠপোষকও ছিলেন।
পাল আমলে যে ভাস্কর্যশৈলী গড়ে উঠেছিল সেটাকে এখন ইতিহাসবিদরা পাল স্কুল অফ আর্ট বলেন। কালো পাথরে তৈরি বৌদ্ধ ও হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি, যেগুলো এখন বিশ্বের নানা জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে, সেগুলোর বেশিরভাগই পাল আমলের।

ঢাকার জাতীয় জাদুঘরে গেলে পাল আমলের কিছু ভাস্কর্য দেখতে পাবেন। কিন্তু সেগুলোর বড় অংশ এখন লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামে, নিউইয়র্কের মেট্রোপলিটান মিউজিয়ামে, প্যারিসের লুভরে। এই ভাস্কর্যগুলো এখন পৃথিবীর সেরা শিল্পকর্মের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
পাল আমলে বাংলা থেকে বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার ঘটেছিল তিব্বতে। অতীশ দীপংকর, যিনি তিব্বতি বৌদ্ধ ধর্মের পুনরুজ্জীবনে বিশাল ভূমিকা রেখেছিলেন, তিনি ছিলেন বাংলার মানুষ, পাল আমলের সন্তান। তিব্বতে আজও তাঁকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়।
পাল আমলে সংস্কৃত সাহিত্যের বিকাশ ঘটেছিল। গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, দর্শন এই সব বিষয়ে পাণ্ডিত্য ছিল পাল রাজসভার বৈশিষ্ট্য।
পতনের শুরু: ভেতর থেকে ক্ষয়
কিন্তু প্রতিটি সাম্রাজ্যেরই একটা শেষ থাকে। পালদেরও ছিল।
দেবপালের পরে পাল সাম্রাজ্যে উত্তরাধিকারের সংকট শুরু হলো। একের পর এক দুর্বল রাজা সিংহাসনে বসলেন। কেউ দীর্ঘদিন টিকলেন না, কেউ পারলেন না সাম্রাজ্যকে একত্রিত রাখতে।
এই সময়ে তিনটি প্রধান শক্তি পালদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল। দক্ষিণ থেকে রাষ্ট্রকূট, পশ্চিম থেকে প্রতিহার, আর দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে পরে চালুক্য। এই তিনটি শক্তির সাথে একসাথে পেরে ওঠা পালদের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছিল না।
ভেতরেও সমস্যা বাড়ছিল। বড় বড় সামন্তরা কেন্দ্রীয় শাসনের বিরুদ্ধে মাথা তুলছিলেন। রাজস্ব কমে যাচ্ছিল। সেনাবাহিনীর শক্তি কমছিল।
দশম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে মনে হচ্ছিল পাল সাম্রাজ্য বুঝি শেষ হয়ে গেল।
মহীপাল: একটি অস্থায়ী পুনরুজ্জীবন
কিন্তু তখনই এলেন মহীপাল। আনুমানিক ৯৮৮ থেকে ১০৩৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তাঁর রাজত্ব। তিনি অনেকটা হারিয়ে যাওয়া সাম্রাজ্যকে আবার একত্রিত করলেন।
বাংলার লোকগাথায় মহীপাল একটি বিশেষ জায়গা পেয়েছেন। আজও গ্রামের মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত আছে মহীপালের ডিমা বা মহীপালের গড়ের গল্প। উত্তরবঙ্গে মহীপালদিঘি নামে একটি বিশাল দিঘি আছে যেটি তাঁর স্মৃতি বহন করছে।
মহীপাল বিহার পুনরুদ্ধার করলেন। নালন্দা ও বিক্রমশীলার পুনর্নির্মাণে অর্থ ব্যয় করলেন। কিছুটা হলেও পুরনো গৌরব ফিরিয়ে আনলেন।
কিন্তু এটা ছিল একটা অস্থায়ী পুনরুজ্জীবন। মহীপালের পরে আবার শুরু হলো অস্থিরতা।
কৈবর্ত বিদ্রোহ: ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়
পাল সাম্রাজ্যের শেষ পর্বে একটি অসাধারণ ঘটনা ঘটেছিল যেটা ইতিহাসের পাতায় বিশেষ মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য।
মহীপালের পুত্র দ্বিতীয় মহীপালের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলেন কৈবর্ত নেতা দিব্যোক বা দিব্য। কৈবর্তরা ছিলেন মূলত জেলে সম্প্রদায়, সমাজের নিচের স্তরের মানুষ। কিন্তু তারা সংগঠিত হয়ে সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন।
দিব্য দ্বিতীয় মহীপালকে পরাজিত ও নিহত করে উত্তর এবং বরেন্দ্রভূমি দখল করলেন। পাল বংশকে দক্ষিণ বাংলায় পিছু হটতে হলো।
এই ঘটনাটা কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ এটা ছিল সম্ভবত মধ্যযুগীয় ভারতের ইতিহাসে সমাজের নিচের স্তর থেকে উঠে আসা একটি সফল বিদ্রোহ। পরে পাল রাজারা বরেন্দ্র ফিরিয়ে নিলেও এই ঘটনা পাল সাম্রাজ্যকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দিয়েছিল।
সেন রাজাদের উত্থান এবং পালদের পতন
একাদশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে দক্ষিণ ভারত থেকে আসা সেন বংশ বাংলায় শক্তি সঞ্চয় করতে শুরু করল।
বিজয়সেন, বল্লালসেন, লক্ষ্মণসেন, একের পর এক সেন রাজা পালদের জমি দখল করতে লাগলেন। পাল রাজারা লড়াই করলেন, কিন্তু পারলেন না। সাম্রাজ্য ক্রমশ সংকুচিত হতে লাগল।
দ্বাদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মদনপাল ছিলেন শেষ উল্লেখযোগ্য পাল রাজা। তারপরেও কিছু ছোট শাসক ছিলেন, কিন্তু তারা আর সাম্রাজ্যিক শক্তি ছিলেন না। পাল বংশের অস্তিত্ব প্রায় শেষ হয়ে এলো দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগের মধ্যে।
চারশো বছরের এক মহাসাম্রাজ্যের যবনিকাপাত।
পালদের উত্তরাধিকার: যা থেকে গেছে
পাল সাম্রাজ্য শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার আজও বেঁচে আছে।
বৌদ্ধ ধর্মের যে বজ্রযান ধারাটি আজকে তিব্বত, ভুটান, নেপাল এবং সমগ্র পূর্ব এশিয়ায় প্রচলিত, সেটির বিকাশে পাল আমলের বাংলা সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিল। তিব্বতি বৌদ্ধ ধর্মের প্রায় সব প্রধান গ্রন্থ বাংলা বা বিহারে রচিত অথবা অনূদিত।
পাল আমলের ভাস্কর্যশৈলী পরে কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমারের শিল্পকলাকে প্রভাবিত করেছিল। আঙকর ভাটের ভাস্কর্যে পাল প্রভাব পাওয়া যায়।
নালন্দা এবং বিক্রমশীলার মাধ্যমে পাল রাজারা জ্ঞানচর্চার যে কেন্দ্র তৈরি করেছিলেন সেটি মধ্যযুগীয় বিশ্বে অতুলনীয় ছিল। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা আসতেন এখানে, যেমন আজকে আসেন অক্সফোর্ড বা হার্ভার্ডে।
শেষ কথা: ভুলে যাওয়া গৌরব
পাল সাম্রাজ্যের ইতিহাস পড়তে পড়তে একটা কথাই বারবার মনে আসে। আমরা আমাদের ইতিহাস কতটা কম জানি।
মুঘল বা ব্রিটিশ আমলের কথা আমরা জানি, কারণ সেগুলো আমাদের পাঠ্যবইয়ে আছে। কিন্তু পালদের মতো একটি স্থানীয় বাঙালি রাজবংশ, যারা চারশো বছর ধরে এই মাটিতে বসে বিশ্বমানের সভ্যতা গড়ে তুলেছিলেন, তাদের কথা আমাদের আলোচনায় কম আসে।
ধর্মপাল যে বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয় গড়েছিলেন সেটা যে জায়গায় ছিল, আজকের বিহারের সেই অঞ্চলে এখন প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ চলছে। মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে সেই হাজার বছর আগের ইট, স্তম্ভ, ভাস্কর্য।
হয়তো সেই মাটির নিচেই লুকিয়ে আছে বাংলার সেই হারানো সোনালী যুগের আরও অনেক গল্প, যেগুলো আমরা এখনো জানি না।
Comments are closed.