x-video.center fuck from above. azure storm masturbating on give me pink gonzo style. motphim.cc sexvideos

নাজকা লাইন : পেরুর মরুভূমির বুকে অঙ্কিত হাজার বছরের রহস্যে ঘেরা রেখাচিত্র!

0

সময় ১৯৩০ সাল। সবেমাত্র পেরুর নাজকা মরুভূমির উপর দিয়ে বিমানের যাত্রা শুরু হয়েছিলো। হঠাৎ যাত্রীদের মধ্যে হৈচৈ শুরু হয়ে গেলো। এর কারণ উঁচু পাহাড়ের পাদদেশ হতে তারা দেখতে পায় আশ্চর্যজনক নিদর্শন। মরুভূমির ভূপৃষ্ঠে বিশালাকৃতির রেখা অঙ্কিত কিছুর দেখা পেয়েছিলো তারা। বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলে ভূ-রেখাচিত্র বা জিওগ্লিফ। দৃশ্যটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর দক্ষিণে নাজকা মরুভূমিতে দেখতে পাওয়া যায়। আয়তনে প্রায় ৫০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে এমন রেখা দেখতে পাওয়া যায়, সংখ্যায় প্রায় হাজারোধিক। আশ্চর্যজনক এই রেখাগুলোকে চিহ্নিত করা হয় “নাজকা রেখা” বা নাজকা লাইন নামে। বিষয়টি এরপরেই মিডিয়া সংবাদ মাধ্যমের কাছে পৌঁছে যায়।

উন্মুক্ত ভূমির উপর অঙ্কিত চিত্রকর্মকে বলা হয় জিওগ্লিফ আর এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, জিওগ্লিফ কখনো সমতলে থেকে বুঝা যায় না বরং এই চিত্রকর্ম দেখতে চাইলে পাশাপাশি কোন উঁচু স্থান হতে দাঁড়িয়ে দেখতে হবে। আয়তনের তারতম্যে হতে পারে কয়েকশো ফুট উপর হতে এটা দেখতে হতে পারে।

নাজকা লাইন
নাজকা লাইন
Source: Ancient Summit

পেরুর রাজধানী লিমা হতে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণে নাজকা মরুভূমিতে অবস্থিত এই নাজকা লাইনগুলো। এই মরুভূমির প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার স্থান জুড়ে আঁকা হয়েছে অসংখ্য জীবজন্তু, ফুল, গাছ, অদ্ভুত সৃষ্টির অবয়ব সহ বিভিন্ন জ্যামিতিক নকশা। তথ্যমতে আয়তনে এদের অনেক আছে প্রায় ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এবং সবচেয়ে দীর্ঘতম গ্লিফ যা ছিলো প্রায় ৯ মাইল দৈর্ঘ্যের। অনেক রেখা দেখা গেছে ভূপৃষ্ঠ হতে ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত গভীরভাবে খোঁড়া। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য পাওয়া গিয়েছে প্রায় ৮০০ টি লম্ব রেখা, ৩০০ টি জ্যামিতিক আকৃতির রেখা এবং ৭০ টির মতো বায়ো-মর্পস যা বেশিরভাগই প্রাণী এবং উদ্ভিদাকৃতির।

লোকমুখে অসংখ্য মিথগল্প শোনা গেলেও মোটামুটি নির্ভরযোগ্য তথ্য হিসেবে ধরা যায়, এই লাইনগুলো ৪ শতক হতে ৬ শতকের মাঝামাঝি সময়ে নাজকায় বসবাসরত মানুষ দ্বারা তৈরি। নাজকা মরুভূমি পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্ক স্থানের মধ্যে একটি যার মধ্য দিয়ে বয়ে যায় মৃদু বাতাস আর সারাবছর ধরে ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মতো তাপমাত্রা বিরাজ করে যা কোন কিছু সংরক্ষণের জন্য খুবই উপযোগী।

পেরুর আর্কিওলজিস্ট তোরিবিও মেজিয়া জেসপে ১৯২৬ সালে এই নাজকা লাইন সম্পর্কে তাথ্যিক আলোচনা করেন। ১৯৪১ সালের জুনের ২২ তারিখ আমেরিকান প্রফেসর পল কোসক এই নিয়ে গবেষণা করেন। পরিশেষে তিনি ৩১০ বর্গ মাইলের এই চিত্রকর্মটিকে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এস্ট্রোনমি বই হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

এবার আসুন তবে জেনে নিই নাজকা লাইন সম্পর্কিত কিছু অবাক করা তথ্য

ধারণা করা হয়, সে সময় কালে “Viracocha” নামক এক ইনকা শাসক নাজকা লাইন এবং গ্লিফসগুলোর অনুমোদন করেন। এই “Viracocha” ছিলো দেবদেবীর মধ্যে অন্যতম প্রধান একজন দেবতা এবং তাকে সব কিছুর স্রষ্টা হিসেবে মানা হয়। সহজ অর্থে “Viracocha” এমন এক সারবত্তা যা হতে সমস্ত কিছু সৃষ্টি হতো।

নাজকা লাইন
নাজকা লাইন
Source: Forward Travel

জনমনে অনেক প্রশ্নই জাগে কিভাবে এই নাজকা লাইনের সৃষ্টি! কিভাবেই বা এই লাইন এতো দীর্ঘতর সময় ধরে টিকে আছে! কেনই বা এই লাইনগুলোর কোন বিকৃতি ঘটে না! এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সংক্ষেপেই তুলে ধরা যাক।

এসব অঙ্কিত হতো এক বিশেষ কায়দায়। গবেষকদের মতে, লালচে-বাদামী আয়রন অক্সাইড আবৃত নুড়ি পাথর যা ভূপৃষ্ঠকে ঢেকে রাখে সেসব বস্তু সরিয়ে বানানো হতো। বলতে গেলে ভূমির উপরিস্থ পাথর যা অক্সিডাইজড হওয়ার কারণে গাঢ় ধুসর বর্ণের হয়ে থাকে এবং যখনই উপরিস্থল হতে ১২-১৫ ইঞ্চি পাথর সরিয়ে নেয়া হয় তখন হালকা বর্ণের অতি উজ্জ্বল বালুকণার দেখা পাওয়া যায়। এভাবেই চিত্রকর্মগুলোর সৃষ্টি হয়েছিলো বলে গবেষকদের ধারণা।

এবার আসা যাক এই রেখাগুলোর এত দীর্ঘ সময়কাল ধরে টিকে থাকার রহস্য সম্পর্কে। বলতে গেলে নাজকা মরুভূমি উষ্ণ, শুকনো পরিবেশ, বৃষ্টি স্বল্পতা এবং টানা রোদ যা রেখাগুলোর টিকে থাকার ক্ষেত্রে সাহায্য করে। যখন একটা লেয়ার দীর্ঘদিন ধরে রয়ে গিয়ে পরে কঠিন আঁকার ধারণ করে যা যেকোনো ধরণের প্রতিকূলতা হতে রেখাকে রক্ষা করে। তবে অনেকের মতে, এই মরুভূমিতে আগে আরো রেখার অস্তিত্ব ছিলো যা হতে পারে মুছে গেছে বা বিলীন হয়ে গিয়েছে। প্রায় ৫০০ থেকে ২০০০ বছর ধরে এভাবেই টিকে আছে চিত্রকর্মগুলো।

নাজকা লাইন
নাজকা লাইন
Source: The Big Riddle

সময়কাল ২০১৪ সাল। একটি তীব্র ধুলো ঝড় বয়ে যায় নাজকা মরুভূমির উপর দিয়ে। এই ঝড়ের মাধ্যমেই আবিষ্কৃত হয় আস্তরে ঢাকা দুটো নতুন রেখা যা ছিলো একটি সাপ আরেকটি ছিলো উদ্ভিদ লতা।

তন্মধ্যে সবচেয়ে জটিল অঙ্কন ছিলো একটি মাকড়সার চিত্রকর্ম। এডলার প্লানেটারিয়াম ও প্রটেজ অফ রেইসের সিনিয়র এস্ট্রোনোমার ফিলিস পিটলুগা চিত্রকর্মটিকে একটি আনামোরফিক ডায়াগ্রাম হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

সময়কাল ২০১১ সাল, একদল জাপানী গবেষক খুঁজ পেলেন প্রায় ৪ মিটার লম্বা এবং ৩ মিটার প্রস্থের এক নতুন জিওগ্লিফের যা ছিলো শিরোচ্ছেদের দৃশ্য। অন্যান্য সব জিওগ্লিফের চেয়ে ছিলো এটা অনেক ছোট আকৃতির এবং ভালোভাবে খেয়াল না করলে নজরে পড়ার সম্ভাবনা অতি ক্ষীণ। একই দল আবার ২০১৬ সালে আরেকটি জিওগ্লিফ খুঁজে পেয়েছিলো যা ছিলো ৯৮ ফুট লম্বা অলীক সৃষ্টি যার ছিলো অসংখ্য পা এবং চিহ্নিত দাগ আর জিহ্বা বের করা।

শিরোচ্ছেদের ঘটনা থেকে আরেকটা ঘটনা সম্পর্কে সামান্য জেনে নেয়া যাক। “ট্রফি হেডস” সংগ্রহে নাজকাবাসীদের পরিচিত ছিলো বলে গবেষকরা মনে করেন। ট্রফি হেডস সম্পর্কে প্রথম জানা আর্কিওলজিস্ট ম্যাক্স উহলে। ট্রফি হেডস বলতে শিকারের পর শিরোচ্ছেদের মাধ্যমে মনুষ্য মাথা সংগ্রহের কথা বুঝানো হয়। ২০০৯ সালের এক গবেষণায় জানা যায় অধিকাংশ খুলি একই নিবাসীদের যাদের দাফন করা হয়েছিলো। প্রায় ১০০ টিরও বেশি মাথার খুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এদের শিরোচ্ছেদের কাহিনীও অনেক মর্মান্তিক। প্রথমে মাথা ধড় হতে আলাদা করে অতি ধারালো ছুরি দ্বারা কশেরুকাসন্ধি বিচ্ছেদ করা হতো। খুলির উপরিতল ভেঙ্গে ভেতরের নরম কোষ, জিহ্বা, পেশি মাংস এবং কন্ঠনালী সরিয়ে ফেলা হতো। একইভাবে মগজ ফেলে দেয়া হতো। খুলির মাঝ বরাবর ছিদ্র করে রশি ঢুকানো হতো এবং কোন দালান বা কোমরেও ঝুলানো হতো। ঠোঁট দুটো পিনের মাধ্যমে সেঁটে দেয়া হতো।

নাজকা লাইন
নাজকা লাইন
Source: The Event Chronicle

সময়কাল ১৯৮৫, আর্কিওলজিস্ট জোহান রেইনহার্ড লাইনটি সম্পর্কে সম্যক তথ্য প্রদান করেন এবং বলেন লাইনগুলো মূলত তৎকালীন ধর্মীয় রীতি হিসেবে সেচকার্যে পানির অভাব পূরণ এবং শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যে পূজার উপকরণ হিসেবে বানানো হতো।

কেনটাকি ইউনিভার্সিটির জো নিকল প্রযুক্তির মাধ্যমে নকশাগুলো পুনরায় তৈরি করেছেন যা অনন্য অসাধারণ এবং নির্ভুল বলে আখ্যায়িত করেছে সাইন্টিফিক আমেরিকান নামের একটি প্রকাশক।

আমেরিকান আবিষ্কারক জিম উডম্যানের মতে নাজকার শিল্পকর্ম সমতল ভূমি হতে দেখতে পাওয়া অসম্ভব তাই তিনি একটি উড়ন্ত বেলুন তৈরি করেন পর্যবেক্ষণের নিমিত্তে এবং তার বিশ্বাস তখনকার যুগের নাজকাবাসীরাও এমনই কিছু ব্যবহার করতো।

আরেকদিকে, ড্রিসডেন ইউনিভার্সিটির একদল বিজ্ঞানী নাজকা লাইনের উপর গবেষণা করেন ক্ষেত্রটির চৌম্বক শক্তি নিরূপণের জন্যে। পরক্ষণে তারা জানায় আশেপাশের থেকে নাজকা লাইনের স্তরে বিদ্যুৎ পরিবাহিতার সক্ষমতা বহুগুণ বেশি।

 মাকড়সা
মাকড়সা
Source: Aquiziam

চিত্রকর্মের মধ্যে নাজকা লাইনে দেখা যায় হামিং বার্ড, শকুনের প্রতিকৃত, সারস, এলিয়েন সদৃশ অবয়ব, মাকড়সা, জলচর পাখি, কুকুর, হাত এবং বানর ইত্যাদি।

সাম্প্রতিক কালের বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে সমস্ত অমূল্য সৃষ্টির অস্তিত্বের। ধারণা করা হচ্ছে, এই পরিবর্তন মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে নাজকা লাইনের জন্য। উদাহরণস্বরূপ, সামান্য একটু ভারী বৃষ্টিই যথেষ্ট নাজকার এই অপূর্ব সৃষ্টিকর্ম মুছে নেয়ার জন্য। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে গ্রীণপিচ একটি জনসচেতনতা মূলক মহড়া আয়োজন করে যেখানে হামিংবার্ডের জিওগ্লিফের পাশের স্থানেই সারিবদ্ধভাবে কাপড়ের চিরকুট সাঁটানো হয়েছে যা শুধুমাত্র উপর হতেই দৃশ্যমান আর তাতে লেখা আছে,

“Time for change! The future is renewable GREENPEACE”

Source Featured Image
Comments
Loading...
sex videos ko ko fucks her lover. girlfriends blonde and brunette share sex toys. desi porn porn videos hot brutal vaginal fisting.