x-video.center fuck from above. azure storm masturbating on give me pink gonzo style. motphim.cc sexvideos

ইনফিনিটি স্টোন: মার্ভেল কমিকস কিংবদন্তী

Source: lylesmoviefiles.com
0

গত ২৭ এপ্রিল মুক্তি পেল “এভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার”। বিশ্বজুড়ে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এই সিনেমাকে ঘিরে। এই পর্যন্ত আসতে মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সকে ১৮টি মুভি মুক্তি দিতে হয়েছে। আসলে মার্ভেল ধাপে ধাপে তার ইউনিভার্সটাকে সাজিয়ে এনেছে। ১৮টি মুভির একটি আরেকটির সাথে রিলেটেড। মার্ভেলের সব গুলো মুভিই যদি দেখে থাকেন তবে আপনি ইতিমধ্যে ৬টি ইনফিনিটি স্টোনের কথা জেনে গেছেন যা মূলত “এভেঞ্জার্স থ্রি” এর অন্যতম মূল আকর্ষণ।

এভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার পোস্টার
এভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার পোস্টার Source: IMDB

থ্যানোস তার প্রেমিকা “মিস্ট্রেস ডেথ” কে ইমপ্রেস করার জন্য  সে পৃথিবীর অর্ধেক শুধু ধ্বংস করতে চায়। এজন্য সে ইনফিনিটি স্টোন সংগ্রহ করে ইনফিনিটি গাউনলেটে (খাস বাংলায় বলতে গেলে হাতের ওই গ্লাভসটা যেখানে ইনফিনিটি স্টোনগুলো লেগে আছে)  জমা করছে।

যার কাছে এই ছয়টি স্টোন আছে সে হবে এই ইউনিভার্সের সবচেয়ে শক্তিশালী একজন। আমরা এভেঞ্জার্স থ্রি এর ট্রেইলার দেখে জেনেই গেছি যে ছয়টিই যদি থ্যানোসের হাতে চলে যায় তবে সে শুধুমাত্র একটা তুড়ির মাধ্যমে অর্ধেক পৃথিবী ধ্বংস করে দিতে পারবে। মজার ঘটনা হলো এই ছয়টি স্টোন যে কিউবে থাকে সেই ছয়টির প্রথম অক্ষর মিলিয়ে ম্যাড টাইটান থ্যানোসের নামই হয়।

কিন্তু কথা হলো এই ছয়টি স্টোন দেখতে কেমন, এদের উৎপত্তি কিভাবে, এরা কাজ করে কিভাবে, কোনটা এখন কোথায় আছে এসবই আপনাদের আমি বলার চেষ্টা করবো। ভুল ত্রুটি হতেই পারে এবং তা মার্জনা না করে আশা রাখি ধরিয়ে দেবেন।

ছয়টি স্টোন যে কিউবে থাকে সেই ছয়টির প্রথম অক্ষর মিলিয়ে থ্যানোসের নাম
ছয়টি স্টোন যে কিউবে থাকে সেই ছয়টির প্রথম অক্ষর মিলিয়ে থ্যানোসের নাম ; Source: Pinterest

কথায় কথায় আমি আপনাদের ছয়টি স্টোনের নাম বলতেই ভুলে গেছি। এরা হলো স্পেস, টাইম, সৌল, পাওয়ার, মাইন্ড এবং রিয়েলিটি স্টোন।

চলুন তবে শুরু করা যাক।

স্পেস, টাইম, সৌল, পাওয়ার, মাইন্ড এবং রিয়েলিটি স্টোন
স্পেস, টাইম, সৌল, পাওয়ার, মাইন্ড এবং রিয়েলিটি স্টোন ; Source:Reddit.com

স্পেস স্টোন

এইটা অনেকটা নীল রংয়ের। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এইটা স্পেসকে কন্ট্রোল করে। মূলত এইটার নাম “ট্যাসেরেক্ট”।

ট্যাসেরেক্ট এর ভিতরে স্টোনটা থাকে আর কি।  এইটা কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে খুব সহজে চোখের পলকে টেলিপোর্ট করতে পারে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়। ধরুন আপনার কাছে এই স্টোন আছে এবং আপনি পৃথিবীতে আছেন। আপনি চাইলেই মুহূর্তের মধ্যে আপনি আপনার সামনে একটি পোর্টাল তৈরি করে স্পেসে চলে যেতে পারবেন। এটির মাধ্যমে আপনি একযোগে মহাবিশ্বের সব জায়গায় থাকতে পারবেন। ট্যাসেরেক্টও নীল রংয়ের।  এটি প্রথম দেখা যায় “ক্যাপ্টেন আমেরিকা: দা ফার্স্ট এভেঞ্জার্স” মুভিতে। বর্তমানে স্টোনটি আসগার্ডে আছে, যা থ্যানস পেয়ে যাবে।

লোকির হাতে ট্যাসেরেক্ট;
লোকির হাতে ট্যাসেরেক্ট; Source: dailydot.com

মাইন্ড স্টোন

অর্থাৎ এইটা মাইন্ডকে কন্ট্রোল করে। আপনি চাইলেই এর মাধ্যমে কাউকে বশীভূত করতে পারবেন। স্বাভাবিকভাবেই দুই পক্ষের ভিতর বিবাদ সৃষ্টি করে দিতে পারবেন যা লোকি করতে চেষ্টা করেছিল এভেঞ্জার্সদের মাঝে। কিন্তু ব্যানার যখন সেপ্টারটা নিজ হাতে তুলে নেয় তখন মাইন্ড স্টোনের প্রভাব কাটতে শুরু করে। সেপ্টার এর কথা বলতেই ভুলে গেছি আমি। লোকির হাতে যে দণ্ডকার অস্ত্রটা থাকতো তাই হলো সেপ্টার। এর মাথায় মণির মতো যা ছিল সেটাই মাইন্ড স্টোন। বর্তমানে এইটা ভিশনের কপালে আছে। ভিশনের কপাল লক্ষ্য করলেই আমরা তা দেখতে পারি।

ভিশনের কপালে মাইন্ড স্টোন
ভিশনের কপালে মাইন্ড স্টোন ; powerlisting.wikia.com

মাইন্ড স্টোন আমার প্রিয় হলুদ রংয়ের। এইটা প্রথম দেখা যায় এভেঞ্জার্স ওয়ানে। এর দ্বারা পৃথিবীর সমস্ত মন একসাথে কন্ট্রোল করতে পারবেন আবার আলাদা আলাদাও পারবেন। মাইন্ড স্টোন থাকলে আপনি রাতে নিজের ইচ্ছেমতো স্বপ্নও দেখতে পারবেন।

টাইম স্টোন

তার মানে এটি সময়কে নিয়ন্ত্রণ করছে। আপনি এটি ব্যবহার করে যেকোনো বস্তুকে অন্য যেকোনো ডাইমেনশনে পাঠিয়ে দিতে পারবেন। এর দ্বারা আপনি পৃথিবীর আদি থেকে অন্তের মধ্যে যেকোনো সময় দেখতে পারবেন, ওই সময়ে ওই স্থানে বিদ্যমান থাকতে পারবেন। এই স্টোন সবুজ রংয়ের। এইটা আমার খুব পছন্দের স্টোন। নরমালি মানুষ বলে সময় সবকিছু বদলিয়ে দেয়। বাস্তব হলেও আমার এইটা শুনতে ও মানতে খুব খারাপ লাগে। কারণ আমার জীবন, আমার সবকিছুই আমি নিয়ন্ত্রণ করবো। সময় নিয়ন্ত্রণ করার কে! আমি বদলাতে চাচ্ছি না, তো সময় কেন আমাকে বদলাবে। কিন্তু এই স্টোনটির দ্বারা সময় আপনার কথা মতো চলবে। কিছু আপনার মনের মতো না হলে আপনি অতীতে গিয়ে তা পাল্টাতে পারবেন। কিন্তু এতে আপনার মন মতো না হলেও নতুন টাইমলাইন ক্রিয়েট হবে।

আপনি সময়ের গতি বাড়াতে পারবেন, কমাতে পারবেন অর্থাৎ টাইম ট্রাভেল সম্ভব তখন আপনার দ্বারা। আপনি সময়কে অস্ত্র হিসেবে বানিয়ে শত্রু কে ফাঁদে ফেলতে পারবেন। আমরা মুভিতে ডক্টর স্ট্রেঞ্জ এর নিকট স্টোনটি দেখেছি। ডক্টরের বুকে “আই অফ আগামটো” এর ভিতরে আছে এই স্টোনটি। বাট এখানে আমরা একে সবুজ রং ধারণ করতে দেখেছি।

ডক্টর স্ট্রেঞ্জের বুকে "আই অফ আগামটো" এর ভিতরে আছে টাইম স্টোন
ডক্টর স্ট্রেঞ্জের বুকে “আই অফ আগামটো” এর ভিতরে আছে টাইম স্টোন Source: marvelcinematicuniverse.wikia.com

পাওয়ার স্টোন

একটা কথা বলতে ভুলে গেছি, আপনি যদি ছয়টি স্টোনের একটিও আপনার কাছে রাখতে চান তবে আপনার নিজেকেও বিপুল পরিমাণ শক্তির অধিকারী হতে হবে। নইলে আপনি এদের শক্তি সহ্য করতে না পেরে মারা যাবেন। তো নরমালি আপনি যদি পাওয়ার স্টোন কন্ট্রোল করতে চান তবে আপনাকেও একটা ন্যূনতম শক্তির অধিকারী হতে হবে। এইটা ধূসর রংয়ের অর্ব এর ভিতর থেকে। আর স্টোনের রং বেগুনী। আপনি এই স্টোনের অধিকারী হলে পুরো ইউনিভার্সকে পাওয়ার সাপ্লাই করতে পারবেন। গার্ডিয়ান অব দা গ্যালাক্সি মুভিতে আমরা এই স্টোনকে দেখেছি। ছয়টি স্টোন যদি একসাথে থাকে তবে পাওয়ার স্টোন বাকি স্টোনগুলোর পাওয়ার বৃদ্ধি করে দেয়। পাওয়ার স্টোন নিয়ে আর বেশি কিছু বলতে চাচ্ছিনা। আপনি একবার চোখ বন্ধ করে ভাবুন ইমেন্স লেভেলের পাওয়ার থাকলে আপনি কি কি করতে পারতেন, যা যা চোখে ভাসে তা সবই করতে পারতেন। ইনফিনিটি ইস্যুতে আছে সেলেস্টিয়াল নিজের রায় শোনানোর জন্য অর্ব দিয়ে মাটিতে আঘাত করেছিল। সেই আঘাতে পুরো সিভিলাইজেশন ধ্বংস হয়ে যায়।

স্টার লর্ডের সামনে পাওয়ার স্টোন
স্টার লর্ডের সামনে পাওয়ার স্টোন Source:Time.com

রিয়েলিটি স্টোন

এইটা লাল রংয়ের। ছয়টি স্টোনের মধ্যে এটির ব্যবহারই সবচেয়ে জটিল ও বিপদজনক। আপনি এর দ্বারা অবাস্তবকে বাস্তব করতে পারবেন। মহাবিশ্বের সকল ভৌত নিয়ম পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও তা প্রয়োগ করা যাবে এর দ্বারা। এইটা ব্যবহার করতে হলে একটা ন্যূনতম জ্ঞান থাকতে হবে। স্পেস, টাইম, আর রিয়েলিটি স্টোন মিলে পুরো ইউনিভার্সকে বদলানোর ক্ষমতা রাখে। কোন অনভিজ্ঞ কেউ যদি রিয়েলিটি স্টোন ব্যবহার করতে যায় তবে বাস্তব ধ্বংস হওয়া হয়তো কিছু সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে মাত্র। থ্যানোস এই স্টোন শুধু একবার ব্যবহার করেছিল এবং তা শুধু মিস্ট্রেস ডেথ এর উপর রাগ করে। সে ক্যাপ্টেন মার্ভেল কে বাঁচিয়েছিল এইটা ব্যবহার করে যেন সে পরামর্শ দেয়।  সে চেয়েছিল অন্য কোন এক ইউনিভার্স  বানিয়ে সেখানে চলে যাবে। কিন্তু সে বুঝতে পারে যে এটি একটি মিথ্যে বাস্তবতা। থর: দা ডার্ক ওয়ার্ল্ডে এটাকে লাল রংয়ের এথার হিসেবে দেখানো হয়। এথার যা মূলত তরল, কোন স্টোন নয়।

থর মুভিতে লাল রঙ এর রিয়েলিটি স্টোন
থর মুভিতে লাল রঙ এর রিয়েলিটি স্টোন; Source:Time.com

সৌল স্টোন

এটার রং কমলা। স্টোনটির দ্বারা আপনি কোন আত্মাকে দেহ হতে বের করে আনতে পারবেন আবার ইচ্ছা করলে তা দেহে স্থাপনও করে দিতে পারবেন এবং আত্মাকে কন্ট্রোল করতে পারবেন। আপনি দেহ থেকে বের করে এনে সৌলকে মোডিফাই করতে পারবেন। সৌল স্টোন দ্বারা সৌল চুরি করা যায়, এক্সচেঞ্জ করা যায়(চুরিই বলতে হবে)।

থ্যানসের আংটির একদম মাঝের বড় কমলা স্টোনটিই সৌল স্টোন
থ্যানসের আংটির একদম মাঝের বড় কমলা স্টোনটিই সৌল স্টোন; Source: nerdist.com

এখন দেখার বিষয় থ্যানোস সব একত্র করতে পারে কিনা। এভেঞ্জার্স চার আসবে ২০১৯ এ এবং এর দ্বারা মার্ভেলের ফেজ থ্রি কমপ্লিট হবে। ফেজ থ্রি কমপ্লিট করতে মার্ভেলকে বিশটি মুভি রিলিজ করতে হয়েছে।  ফেস বলতে মার্ভেল তার সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সকে সাজানোর জন্য মুভি গুলোকে তিন দফায় রিলিজ করেছে। যাই হোক আমি তো অধীর আগ্রহে আছি। আশা রাখছি এভাটার, টাইটানিক কিচ্ছু কুলবেনা। আমরা স্পেশাল কিছুর সম্মুখীন হতে যাচ্ছি ইনফিনিটি ওয়ার মুভিতে।

Source Featured Image
Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos ko ko fucks her lover. girlfriends blonde and brunette share sex toys. desi porn porn videos hot brutal vaginal fisting.