x-video.center fuck from above. azure storm masturbating on give me pink gonzo style. motphim.cc sexvideos

ফেল্লেনির পাপারাজ্জো ও পাপারাৎজ্জিদের কথা

Source: rollingstone.com
0

 

তারকাখ্যাতি সম্পন্নদের ব্যাক্তিগত মুহূর্তের আলোকচিত্র তাদের অনিচ্ছায় অগোচরে ধারণ করে সেসমস্ত আলোকচিত্র গণমাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে প্রকাশ করা এক শ্রেণীর পেশাদারী স্বাধীন আলোকচিত্রীকেই পাপারাৎসি বা পাপারাৎজ্জি (Paparazzi) নামে আখ্যায়িত করা হয়। পাপারাৎজ্জিদেরকে কেন এমন নামকরণ  করা হল, পাপারাৎজ্জি এর অর্থ কি? পাপারাৎজ্জিদের এই নামকরণের পিছনে একটি গল্প আছে, যার সাথে জড়িয়ে আছে একটি চলচ্চিত্র ও তার চলচ্চিত্রকারের নাম।

তারকাদের ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের কথা কারো অজানা নয়। একজন তারকা ব্যাক্তিজীবনে কেমন ? তার ব্যাক্তি সম্পর্ক, তার পছন্দ কি? কিই বা তার অপছন্দের বিষয় ? ভক্তদের এমন হাজারো প্রশ্ন থাকে তারকাদের ব্যাক্তি জীবন নিয়ে, প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ভক্তরা দারস্ত হন গণমাধ্যমের, গণমাধ্যমও তাই প্রতিনিয়ত খুঁজে ফিরে তারকাদের ব্যাক্তিগত জীবনের বিবিধ বিষয়। গণমাধ্যম এবং ভক্তদের এহেন জিজ্ঞাসু ইচ্ছার সমাধানে নানা সময় কাজ করে স্বাধীন কিছু আলোকচিত্রী তারাই বর্তমানে পাপারাৎজ্জি হিসেবে পরিচিত।

ফেল্লেনির পাপারাজ্জো ও পাপারাৎজ্জিদের কথা
বিখ্যাত ইতালিয়ান চলচ্চিত্রকার ফেদেরিকো ফেল্লিনি
Source: Taste of Cinema

পাপারাৎজ্জিদের এই নামকরণ ও পেশার সম্পর্কে যে চলচ্চিত্রকারের কথা পূর্বে বলেছি তিনি হলেন বিখ্যাত ইতালিয়ান চলচ্চিত্রকার ফেদেরিকো ফেল্লিনি। ১৯৬০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তার সে চলচ্চিত্রটি হল  ‘লা ডলসে ভিটা’। চলচ্চিত্রটির পটভূমি ছিলো- ইতালির রোম শহরে ম্যাগাজিনের জন্য গসিপ লেখক মার্সেলো রুবিনি (মার্সেলো মারসোয়ান্নি অভিনীত) নামক একজন সাংবাদিককে ঘিরে, যে কিনা জীবনযাত্রার মানে হঠাৎ বিপুল পরিবর্তন হতে থাকা বিপথগামী আধুনিক রোম শহরে সাংবাদিকতা করে। তার চারপাশের  শহরের অবক্ষয়ে আচ্ছন্ন অবস্থা এবং ব্যাক্তিগত জীবন তাকে  বিষণ্ণ করে তুলে। নিজ থেকে এমন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে উগ্রিব মার্সেলোকে তখন পেশাগত কারনেই সাক্ষতকার নিতে যেতে হয় জমকালো বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের তারকা অভিনেত্রী সেল্ভিয়ার (আনিতা একবার্গ অভিনীত) কাছে । মার্সেলোর সাথে ছিলেন ফটোসাংবাদিক সহকর্মী পাপারাজ্জো ( ওয়াল্টার সান্টেসসো অভিনীত)। ঘটনা ক্রমে সাংবাদিক মার্সেলো ব্যাক্তিগতভাবে জড়িয়ে পরেন সেল্ভিয়ার সাথে। তাদের মধ্যকার বিভিন্ন অন্তরঙ্গ স্থিরচিত্র অগোচরে এই পাপারাজ্জো ধারণ করেন যা পরবর্তীতে প্রকাশ হয় পত্রিকায়, সাংবাদিক মার্সেলো নিজেই খবর হয়ে উঠেন । তৈরী হয় এক বিব্রতকর পরিস্থিতির।

ফেল্লেনির পাপারাজ্জো ও পাপারাৎজ্জিদের কথা
চলচ্চিত্র ‘লা ডলসে ভিটা’
Source: Amazon.com

চলচ্চিত্রটি মুক্তির পরপর পাপারাজ্জো চরিত্রটি  ইউরোপের গণমাধ্যম গুলোতে বেশ আলোচনা সমালোচনার জন্ম দেয়। চলচ্চিত্রকার ফেলিনিকেও চরিত্র পাপারাজ্জো নিয়ে তখন বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। পেশাদার ফটোসাংবাদিকদের এক অংশকে তখন থেকেই পাপারাৎজ্জি নামে আখ্যায়িত করা হতে থাকে। পাপারজ্জো (paparazzo/paparazza) একটি ইতালীয় শব্দ যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় ‘গুনগুন করা পতঙ্গ’। পাপারাজ্জো পুং-পতঙ্গ এবং পাপারাজ্জা স্ত্রী-পতঙ্গ অর্থে ব্যবহৃত হয়। পাপারাৎজ্জির  অর্থগত মিলে হিব্রু, চাইনিজ ও রাশিয়ান ভাষায় বিবিধ শব্দের অস্থিত্ব পাওয়া যায়।ইতালীয় শব্দ ‘পাপারাজ্জো’ থেকে ইংরেজ গণমাধ্যম ‘পাপারাৎজ্জি’ শব্দেটির প্রচলন করে।

১৯৬১ সালে আমেরিকাতে ‘লা ডলসে ভিটা’ মুক্তি পেলে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়। আমেরিকার  গণমাধ্যম এই পাপারাজ্জি চরিত্রটিকে বিশেষায়িত করে গণমাধ্যমের প্রতিষ্ঠিত বিষয় করে তুলে । ‘লা ডলসে ভিটা’র মুক্তির সালেই বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনে ‘Paparazzi on the Prowl’ নামে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ হয়। চলচ্চিত্রে পাপারাৎজ্জিদের গাড়ি আটকে ক্যামেরায় ছবি তোলার দৃশ্যটির একটি স্থিরচিত্রও প্রকাশ হয়। এই প্রবন্ধে পাপারাৎজ্জিদের ক্যামেরাকে ফ্ল্যাশগান হিসেবে বর্ণনা করা হ্য।প্রবন্ধটি প্রকাশের কিছুদিনের মধ্যেই গণমাধ্যমে পাপারাৎজ্জি শব্দটি বহুলভাবে চর্চিত হতে থাকে।সে সময়ে পাপারাৎজ্জিদের ধারণকৃত স্থিরচিত্রগুলো পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ খবরের পাশাপাশি প্রকাশিত হয়, বিনোদন সংবাদের অন্যতম বিষয় হয়ে উঠে পাপারাৎজ্জিরা। তারকাদের ব্যাক্তিজীবন নিয়েও গণমাধ্যম পূর্বের চেয়ে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠে। পাপারাজ্জি এক বিশেষায়িত ফটোসাংবাদিকতা পেশায় রুপ লাভ করে।

ফেল্লেনির পাপারাজ্জো ও পাপারাৎজ্জিদের কথা
ফেদরিকো ফেল্লেনির আঁকা চরিত্র পাপারাজ্জো
source: ufl.edu

সর্বপ্রথম পাপারাজ্জি কে ছিলেন এই প্রশ্নে ইলিও সরচির নাম প্রথমে আসবে। বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সোফিয়া লরেন,চলচ্চিত্র পরিচালক রোমান পোলনাস্কি,রবার্তো রোসালিনি সহ তৎকালীন জনপ্রিয় তারকাদের পারিবারিক ও ব্যাক্তিগত ছবি তুলে বেশ সারাজাগিয়ে ছিলেন ইলিও সরচি। গণমাধ্যমে পাপারাৎজ্জিদের পেশাদারী কাঠামো দানে ইলিও সরচির অনস্বীকার্য অবদান রয়েছে। ইলিও সরচি ১৯৬৩ সালের হায়েস্ট পেইড ফটোসাংবাদিক ছিলেন।

রিনো বারিল্লারি অন্যতম আলোচিত এবং সমালোচিত আরেকজন  পাপারাজ্জি যাকে ‘কিং অফ পাপারাজ্জি’ বলা হয়। ১৯৭২ সালে সাবেক ইউএস ফাস্ট লেডি জ্যাকুলিন ক্যানেডির আদেশে তার সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট রিনো বারিল্লারির ক্যামেরা ভেঙ্গে দেয় এবং তার বিরুদ্ধে হয়রানি করার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখযোগ্য আরেকজন পুরধা পাপারাজ্জি হলেন রোনাল্ড গালেল্লা, দ্যা গদফাদার খ্যাত অভিনেতা মার্লন ব্রান্দো একবার পাপারাৎজ্জি জনিত হয়রানির কারণে রোনাল্ড গালেল্লাকে প্রহার করতে উদ্দত হন। এই ঘটনার পরে টাইম ম্যাগাজিনে রোনাল্ড গালেল্লা ও পাপারাৎজ্জি পেশা  নিয়ে  প্রবন্ধ প্রকাশ হয়। তাতে রোনাল্ড গালেল্লাকে ‘গডফাদার অফ ইউএস পাপারাজ্জি কালচার’ বলে আবিহিত করা হয়।

ইতিহাসে পাপারাৎজ্জি ও তারকাদের মধ্যকার সম্পর্ক যারপরনাই তিক্ত হলেও তার ভিন্নও হয়েছে,  তারকাখ্যাতি বৃদ্ধি ও আলোচনায় থকতে তারকারা ইচ্ছাকৃত সমালোচনার জন্ম দিতেও পাপারাৎজ্জিদের জন্য অনুকূল পরিবেশ দিয়ে গেছেন সময়ে সময়ে ।

Comments
Loading...
sex videos ko ko fucks her lover. girlfriends blonde and brunette share sex toys. desi porn porn videos hot brutal vaginal fisting.