x-video.center fuck from above. azure storm masturbating on give me pink gonzo style. motphim.cc sexvideos

মর্ডেচাই ভান্নুঃ ইসরায়েলি নিউক্লিয়ার হুইসেলব্লোয়ার

মর্ডেচাই ভান্নুঃ ইসরায়েলি নিউক্লিয়ার হুইসেলব্লোয়ার
0

পৃথিবীর নবম পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলকে সন্দেহ করা হলেও ইসরায়েল কখনোই এ ব্যাপারে কোন স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করে না। এক্ষেত্রে তারা ‘নিউক্লিয়ার এমবিগিউটি’ বা পারমাণবিক দ্ব্যর্থতা অনুসরণ করে। অর্থাৎ তাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে বলে স্বীকারও করবেনা আবার নাই বলে অস্বীকারও করবে না। ১৯৬০ সাল থেকেই পারমাণবিক বিশেষজ্ঞগণ ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করে আসছে। কিন্তু তাদের হাতে কনক্রিট কোন প্রমাণ ছিল না। ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম ইসরায়েলের গোপন পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে ব্রিটেনের দৈনিক সানডে টাইমসে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। আর এই পুরো কাহিনী ফাঁস করেছিলেন ইসরায়েলেরই নাগরিক মর্ডেচাই ভান্নু। ইসরায়েলের কাছে তিনি একজন বিশ্বাসঘাতক আর পুরো বিশ্বের কাছে তিনি একজন মানবতাবাদী নিউক্লিয়ার হুইসেলব্লোয়ার।

মর্ডেচাই ভান্নু
mordechai vanunu

মর্ডেচাই ভান্নুর জন্ম মরক্কোর এক অর্থোডক্স ইহুদি পরিবারে ১৯৫৪ সালে। ১৯৬৩ সালে মরক্কোতে ইহুদি বিদ্বেষ প্রবল হলে ভান্নুর পরিবার ইসরায়েলে পাড়ি জমায়। একটি ইহুদি এজেন্সির সাহায্যে ভান্নুর পরিবারের জায়গা হয় বেরশেবা নামক এক অনুন্নত শহরে। খুব দ্রুতই ভান্নুর পরিবার শহরে স্থিত হয় এবং ১০ বছর বয়সী ভান্নু একটি ধর্মীয় স্কুলে শিক্ষা নেয়া শুরু করে। হাই স্কুলে পড়ার সময় জুদাইসম এর প্রতি ভান্নুর বিশ্বাস উঠে যায় এবং তিনি ইহুদি ধর্ম ত্যাগ করার মনস্থির করেন। কিন্তু মা বাবার সাথে ঝামেলা হবে ভেবে সে যাত্রায় আর সিদ্ধান্ত নেননি। ম্যাট্রিক পাশ করার পর ভান্নু আদালতের আর্কাইভে অস্থায়ী একটি চাকরি নেন। ১৯৭১ সালে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীতে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণে অংশ নেন ভান্নু। তিনি ইসরায়েল বিমান বাহিনীতে পাইলট হিসেবে যোগদানের চেষ্টা চালান কিন্তু পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে যোগ দেন কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ারিং বাহিনীতে যেখানে ভান্নু একজন সেপার (কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ার) হিসেবে চাকরি শুরু করেন। পরে তিনি সার্জেন্ট মেজর পদে উন্নীত হোন। ১৯৭৪ সালে গোলান মালভূমি সিরিয়ার কাছে ফেরত দেয়ার আগে সেখানকার সামরিক স্থাপনাগুলো ধ্বংসে তিনি অংশগ্রহণ করেন। সামরিক বাহিনীতে স্থায়ী চাকরির প্রস্তাব পেলেও তিনি তা ফিরিয়ে দেন এবং তেল আবিব ইউনিভার্সিটিতে পদার্থবিজ্ঞানে ভর্তি হোন কিন্তু টাকার অভাবে পড়াশোনা ইস্তফা দেন। একই সময় ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত’এ চাকরির জন্য আবেদন করে ব্যর্থ হোন।

সে সময় দিমোনা শহরের দক্ষিণে নেগেভ মরুভূমিতে কঠোর গোপনীয়তার সাথে চলছিল ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচির কাজ। ভান্নু সেখানকার লোভনীয় চাকরির খবর পেয়েছিলেন এবং নিজের পূর্ব অভিজ্ঞতার সুবাদে সেখানে টেকনিশিয়ান পদে আবেদন করেন। এক দীর্ঘ ইন্টারভিউ শেষে নেগেভ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রের নিরাপত্তা কর্মকর্তা ভান্নুকে প্রশিক্ষণের জন্য অনুমোদন দেন এবং আগামী ৫ বছর কোন আরব বা কমিউনিস্ট রাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার শর্ত সহ স্পর্শকাতর নিরাপত্তা সরঞ্জাম গোপন রাখার এক চুক্তি করেন। মর্ডেচাই ভান্নুকে এরইমধ্যে পদার্থ, রসায়ন, গণিত, ফার্স্ট এইড, ইংরেজি ইত্যাদি বিষয়ে কঠোরভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। নিউক্লিয়ার প্লান্ট টেকনিশিয়ান হিসেবে ভান্নু কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন এবং তার পরের বছর ১৯৭৭ সালে ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি পান। ধীরে ধীরে ভান্নুর রাজনৈতিক আদর্শ বদলে যেতে শুরু করে। তিনি হয়ে উঠেন আরব-ইসরায়েলিদের অধিকারের পক্ষের একজন এক্টিভিস্ট এবং ইসরায়েল সরকারের কড়া সমালোচক। তিনি ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরোধিতা করেন। ১৯৮৪ সালের মার্চে ৫ জন আরব ও ৪ জন জ্যুইশ ছাত্র নিয়ে তিনি গড়ে তোলেন বামপন্থী সংগঠন ‘ক্যাম্পাস’। এদের মধ্যে Palestine Liberation organization বা PLO’ র কর্মীও ছিল।
মর্ডেচাই ভান্নু ইসরায়েলের আশকেনাজি ইহুদিদের (যারা ইউরোপ থেকে ইসরায়েলে এসেছিল) একক আধিপত্য এবং সেফারদি (আইবেরিয়ান উপদ্বীপ থেকে যেসব ইহুদি ইসরায়েলে এসেছিল) ও মিজরাহি ইহুদিদের ( মধ্যপ্রাচ্যের ইহুদি) ওপর আশকেনাজিদের বৈষম্যের কড়া সমালোচক ছিলেন। তিনি নিজে মরক্কোন বলে নিজ কর্মক্ষেত্রে আশকেনাজি ইহুদি দ্বারা নিগ্রহের স্বীকার হতেন। তার এই আশকেনাজি ইহুদির প্রতি রাগ ক্রমে ইহুদি বিরাগে পরিণত হয় এবং একই সাথে ইসরায়েল সরকারের প্রতিও তার উচ্চকিত কন্ঠ অব্যাহত থাকে। তার সংগঠন ক্যাম্পাসে তিনি ‘রেডিকাল’ হিসেবে পরিচিতি পান যা তার কর্মক্ষেত্রের মনিবদের দৃষ্টি এড়াতে পারেনি। মে, ১৯৮৪ সালে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়। তার বিরুদ্ধে বামপন্থা ও আরবদের প্রতি সহানুভূতিশীলতার অভিযোগ আনা হয় এবং আপাতত কিছু তিরস্কার করে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু তার পেছনে লেলিয়ে দেয়া হয় মোসাদের গোয়েন্দা। ১৯৮৫ সালে মর্ডেচাই ভান্নু তার চাকরি হারান কিন্তু লেবার কমিটির সুপারিশে তাকে আবার চাকরি ফেরত দেয়া হয়। চাকরিতে ঢুকেই ভান্নু এক সাহসী পরিকল্পনা করে বসেন। গোপনে একটি ক্যামেরা জোগাড় করে পারমাণবিক স্থাপনার ৫৭ টি ছবি তুলতে সক্ষম হোন তিনি। অক্টোবর, ১৯৮৫ সালে কর্মক্ষেত্রে অবমূল্যায়নের কারণ দেখিয়ে তিনি তার চাকরি ছেড়ে দেন। তার পরের বছর ১৯৮৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার এক চার্চে তিনি খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হোন। চার্চে বিশ্ব শান্তি ও পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক আলোচনায় বক্তব্য রাখাকালে ভান্নুর সাথে পরিচয় হয় কলম্বিয়ান ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক অস্কার গুয়েরেরোর। অস্কার ভান্নুর ব্যাপারে শুনেছিলেন এবং তিনি ভান্নুকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আরো বিস্তারিত জানার জন্য চাপ দিতে থাকেন। অস্কার এ ব্যাপারে কাজ করার জন্য অস্ট্রেলিয়ান গণমাধ্যমের সাথে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হোন। গুয়েরেরো এবার ইউরোপ গিয়ে ব্রিটেনের সানডে টাইমসকে রাজি করাতে সক্ষম হোন এবং সানডে টাইমস পিটার হোনাম নামের এক সাংবাদিককে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠায়। এরই মধ্যে অস্কার গুয়েরেরো মোসাদের কাছ থেকে পুরস্কার পাবার আশায় ভান্নুর এই পরিকল্পনা ফাঁস করে দেয়। এরপর থেকেই ভান্নুকে ধরতে তোড়জোড় শুরু করে দেয় মোসাদ। সেপ্টেম্বর ১০, ১৯৮৬ তে হোনুমা এবং ভান্নু লন্ডন চলে যান এবং সেখানেই ছবি সহ ভান্নু ইসরায়েলের পরমাণু অস্ত্র বিষয়ক গোপন তথ্য ফাঁস করেন।

ইসরায়েলি নিউক্লিয়ার
ইসরায়েলি নিউক্লিয়ার

সানডে টাইমস ভান্নুর এই তথ্য প্রকাশের পূর্বে নিশ্চিত হতে চাইল আসলেই তার এই দাবি সত্য না বানানো। এজন্য পত্রিকাটি পরমাণু অস্ত্র বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে। যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অস্ত্রের ডিজাইনার থিওডোর টেইলর এবং যুক্তরাজ্যের Atomic weapons establishment (AWE) এর সাবেক ইঞ্জিনিয়ার ফ্রাংক বার্নাবি নিশ্চিত করলেন ভান্নুর দাবি সঠিক ও সত্য। মর্ডেচাই ভান্নু সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সানডে টাইমস তাদের এক সাংবাদিককে ইসরায়েল পাঠায়। সম্ভাব্য সবকিছু যাচাই করে সানডে টাইমস এই চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়। অক্টোবর ৫, ১৯৮৬ সালে এই খবর লন্ডনের দৈনিক সানডে টাইমস বড় করে তাদের ফ্রন্ট পেইজে প্রকাশ করে। ভান্নুকে গ্রেফতার করতে তৎপর হয় ইসরায়েল। চাইলে মোসাদ যুক্তরাজ্যেই তাকে গুপ্তহত্যার মাধ্যমে মেরে ফেলতে পারত কিন্তু ইসরায়েলের মিত্র যুক্তরাজ্য তথা মার্গারেট থ্যাচারের সাথে সম্পর্কের অবনতির ঝুঁকি তারা নিতে চাইল না। মোসাদের সাইকোলজিস্টরা মর্ডেচাই ভান্নুর একটি দুর্বলতার সন্ধান পায়। ব্যক্তিজীবনে নিঃসঙ্গ ভান্নুর পেছনে মোসাদের নারী গোয়েন্দা শেরিল বেন্টভকে ‘সিন্ডি’ নাম দিয়ে ফাঁদে ফেলা হয়। প্রথম পরিচয়ে সিন্ডি নিজেকে ইসরায়েল সরকারের সমালোচক হিসেবে প্রমাণ করে। ধীরে ধীরে সিন্ডি ভান্নুর আস্থা অর্জন করে ফেলে। যদিও সানডে টাইমসের সাংবাদিক পিটার হোনাম তাকে সতর্ক করেছিল যে এই মহিলা মোসাদের গোয়েন্দা হতে পারে! সিন্ডি মিথ্যা প্রেমের জালে ভান্নুকে ফাঁসিয়ে লন্ডন থেকে ইতালিতে নিয়ে আসে। ইতালির একটি হোটেলে যখন ভান্নু পা রাখেন সাথে সাথে মোসাদের ওঁৎ পেতে থাকা দুই গোয়েন্দা অচেতন করে ফেলে তাকে এবং ইতালির সৈকতে অপেক্ষমাণ মোসাদের ছদ্মবেশী বাণিজ্য জাহাজে করে ইসরায়েলে নিয়ে আসে। ভান্নুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনে শুরু হয় ইসরায়েলের প্রহসনের বিচার আয়োজন। কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করে চলা বিচারকার্যে ‘বিশ্বাসঘাতক’ মর্চেডাই ভান্নুকে ১৮ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় যার মধ্যে ১১ বছরই তাকে কাটাতে হয় নির্জন কারাবাসে। ২০০৪ সালে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পান তিনি। শর্তগুলোর মধ্যে ছিল- তিনি দেশত্যাগ করতে পারবেন না, সীমান্তের ৫০০ মিটারের ভেতর আসতে পারবেন না, কোন ভিনদেশী নাগরিকের সাথে কথা বলতে পারবেন না, বিদেশী দূতাবাসের ৯০ মিটারের ভেতর আসতে পারবেন না, তার মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সার্বক্ষণিক নজরদারির ভেতর থাকবে এবং বাসা পরিবর্তন করতে চাইলে অবশ্যই শিন বেত’র অনুমতি নিয়ে বদল করতে হবে। ২০১৩ সালে পূর্ব জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দুই নাগরিকের সাথে দেখা করার জন্য ২০১৭ সালে তাকে নতুন করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। ৬৩ বছর বয়স্ক ভান্নু নরওয়েজিয়ান এক প্রফেসরকে বিয়ে করেছেন এবং এখন তিনি মনে করেন তার কাছে এমন কোন গোপন তথ্য বাকি নেই যা ইসরায়েলের জন্য হুমকি হতে পারে। নরওয়ে সরকারও ভান্নুকে তার দেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছে কিন্তু ইসরায়েল সরকার এখনো তাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে বিবেচিত করছে। ২০১৭ সালে ভান্নু তার ওয়েবসাইটে লিখেন,

“৩২ বছর পরেও আমি অসলোতে আমার স্ত্রীর কাছে যাওয়ার জন্য এই দেশ ত্যাগ করতে পারছি না। আমি এখানে কষ্টে আছি এটা দেখতে তাদের ভাল লাগে। কিন্তু আজ হোক বা কাল তাদেরকে এসব বন্ধ করতেই হবে। ইসরায়েলের পারমাণবিক গোপনীয়তার আর কিছু নেই। তারা আমার সাথে যাই করুক না কেন-মুক্তি আসবেই”

১৯৮৭ সাল থেকে প্রতিবারই তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়ে আসছেন। ১৯৮৭ সালেই মর্চেডাই ভান্নু বিকল্প নোবেল বলে খ্যাত রাইট লাইভলিহুড পুরস্কার লাভ করেন। এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তার এই সাহসী পদক্ষেপের জন্য তাকে ‘বিবেকের আসামী’ নামে আখ্যায়িত করেছে।

Comments
Loading...
sex videos ko ko fucks her lover. girlfriends blonde and brunette share sex toys. desi porn porn videos hot brutal vaginal fisting.