x-video.center fuck from above. azure storm masturbating on give me pink gonzo style. motphim.cc sexvideos

Cold War বা স্নায়ুযুদ্ধের ইতিবৃত্ত ও বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব (শেষ পর্ব)

Source: history.com
0

[প্রথম পর্বের পর] ( প্রথম পর্বের লিঙ্কঃ https://itibritto.com/cold-war-part-1/ )

স্নায়ুযুদ্ধের কারণ ও ফলাফলঃ

স্নায়ুযুদ্ধকালীন ঘটনাসমূহের মধ্যে সবচেয়ে উত্তেজনাকর ঘটনা বলা যায় “কিউবার মিসাইল সংকট” বা “অক্টোবর সংকট” কে। ১৯৫৯ সালে তৎকালীন কিউবার দুর্নীতিগ্রস্ত একনায়কতান্ত্রিক শাসক বাতিস্তাকে তাড়িয়ে ক্ষমতা দখল করেন সমাজতান্ত্রিক নেতা ফিদেল কাস্ত্রো। এ সময়টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ কেনেডি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ। যুক্তরাষ্ট্র কখনোই কিউবার এই সমাজতান্ত্রিক সরকারকে স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারেনি। তাই লাখ লাখ কিউবানকে আশ্রয় ও প্রশিক্ষণ দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তার সাথে সিআইএ এজেন্টদের পাঠায় কিউবাতে ফিদেল কাস্ত্রো সরকার উৎখাত করার জন্য ।

১৯৬১ সালে সিআইএ (Central Intelligence Agency) পরিচালিত এ অভিযান “অপারেশন জ্যাপাটা” বা “বে অব পিগস ইনভেশন” নামে খ্যাত।

কিন্তু ফিদেল কাস্ত্রোর সেনাবাহিনী সিআইএ’ র হামলা সম্পর্কে আগেই জেনে ফেলেছিল। তাছাড়া কিউবার জনগণও ফিদেল কাস্ত্রোকে সমর্থন দেয়।

ফলে যুক্তরাষ্ট্রের এ অপারেশন মারাত্মক ভাবে ব্যর্থ হয়। বিদ্রোহীদের কয়েক হাজার সদস্য কিউবার সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়ে এবং তাদের হত্যা করা হয়।

অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিপুল অংকের আর্থিক সাহায্য এবং অস্ত্রশস্ত্রসহ কিউবার পাশে দাঁড়াল সোভিয়েত ইউনিয়ন। বে অব পিগস ইনভেশনের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের আশংকা ছিল যে, আমেরিকা কিউবা আক্রমণ করে দখল করে নিতে পারে। তাই সোভিয়েত খুব গোপনে কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপনাস্ত্র মোতায়েন করতে শুরু করে। ১৯৬২ সালের অক্টোবর মাসে কিউবাতে সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক ক্ষেপনাস্ত্র মোতায়েন করার খবর ফাঁস হয়ে যায়। আর তখনই দেখা দেয় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমূহ আশংকা। যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয় সোভিয়েত ইউনিয়নকে কিউবা থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র একটি নৌ-অবরোধ আরোপ করে, যাতে করে কিউবায় কোনো ধরনের সামরিক মারণাস্ত্র সরবরাহ করা না যায়। এই নৌ-অবরোধ অনেকটা সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রকে একটি যুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

সোভিয়েত ইউনিয়ন তখন দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্রকে তুরস্ক থেকে তাদের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রত্যাহার করে নিতে হবে। দীর্ঘ ১৩ দিন এই নৌ-অবরোধ বহাল ছিল। অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ক থেকে মিসাইল প্রত্যাহার করে নিলে সোভিয়েত ইউনিয়নও কিউবা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরিয়ে নেয়। এভাবে তের দিনের মাথায় এই সংকটের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি হয়।

যেসমস্ত দেশ সোভিয়েত ইউনিয়ন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই দুই পক্ষের কাউকেই সরকারিভাবে সমর্থন করত না, তাদেরকে নিরপেক্ষ দেশ বলা হত। নিরপেক্ষ দেশ দেশসমুহ একসাথে হয়ে একটি সংগঠন তৈরি করেছিলো যা “জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন” বা Non Aligned Movement (NAM) নামে পরিচিত। যে সকল দেশ জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের অংশ তাদের Third World Countries” বা “তৃতীয় বিশ্বের দেশ” বলা হয়। এ আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু, যুগোশ্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ ব্রজ টিটো, ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট সুকর্ণো, মিসরের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের এবং ঘানার প্রথম প্রেসিডেন্ট নক্রুমা। প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া—এই মূলনীতির ভিত্তিতে ১৯৬১ সালে তৎকালীন যুগোশ্লোভাকিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে জন্ম নেয় জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন।

যে ঘটনাটি স্নায়ুযুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে অন্যতম গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখেছিলো তা হচ্ছে ১৯৬২ সালের দিকে চীন-সোভিয়েত সম্পর্কের অবনতি। চীন এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন  ছিলো সবচেয়ে বড় দুটি সমাজতান্ত্রিক দেশ এবং শক্তি, তাই এ ঘটনা স্নায়ুযুদ্ধে বড় প্রভাব ফেলেছিলো। হচ্ছে চীন-সোভিয়েত সম্পর্কের অবনতির মূল কারণ ছিলো তাদের মধ্যকার রাজনৈতিক মতভেদ। চীন মনে করতো সোভিয়েত সরকার মূলধারার সমাজতন্ত্র থেকে বের হয়ে নিজেদের স্বার্থে সমাজতন্ত্রকে ব্যবহার করছিলো। পরবর্তীতে চীন–সোভিয়েত দ্বন্দ্বে চরমে পৌঁছায় ১৯৬৯ সালে “চীন–সোভিয়েত সীমান্ত যুদ্ধের” মাধ্যমে। এ যুদ্ধটি ছিল চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে সংঘটিত সাত-মাসব্যাপী একটি অঘোষিত যুদ্ধ।

স্নায়ুযুদ্ধকালীন আরেকটি বড় ঘটনা হচ্ছে ১৯৬৮ সালে চেকশ্লোভাকিয়ায় সোভিয়েত সামরিক অভিযান। ওই সময়টায় চেকশ্লোভাকিয়ান সরকার ছিলো সোভিয়েত সমর্থিত সমাজতন্ত্রবাদী। ১৯৬৮ সালে চেকস্লোভাকিয়ার রাজধানী প্রাগ-এ তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ ব্যাপক আন্দোলন শুরু করে। এ আন্দোলন “প্রাগ স্প্রিং” (Prague Spring) নামে পরিচিত।

কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়নের সরাসরি হস্তক্ষেপ এ আন্দোলন ব্যর্থ হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশাল সশস্ত্র  সেনাবাহিনী পাঠিয়ে এ আন্দোলন থামিয়ে দেয়।

স্নায়ুযুদ্ধের চলাকালীন সময়ের একটি মজার অধ্যায় হচ্ছে মহাকাশ জয়ের প্রতিযোগিতা। ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাকাশে প্রথম সর্বপ্রথম “স্পুৎনিক-১” নামের একটি কৃত্রিম উপগ্রহ সফলভাবে উৎক্ষেপন করে। একই বছর সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাকাশে দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ “স্পুৎনিক-২” উৎক্ষেপণ করে। ১৯৫৮ সালে ৩১ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ “এক্সপ্লোরার-১” মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে।

১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল  সোভিয়েতরা মহাকাশ প্রতিযোগিতায় আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো। এবার মানুষ গেলো মহাকাশে! “ভস্টক” নামক মহাকাশযানে করে মহাকাশে যাওয়া প্রথম ব্যক্তিটির নাম – “ইউরি গ্যাগারিন”

এই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র  হুট করেই ঘোষণা দিলো যে তারা চাঁদে মানুষ পাঠাবে। অবশেষে ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি “অ্যাপোলো ১১” নভোযানটি পৃথিবী থেকে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেয়। অভিযানটির নেতৃত্বে ছিলেন নীল আর্মস্ট্রং এবং তাঁর দুই সহকর্মী ছিলেন এডউইন অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্স। চার দিনের দুঃসাহসিক যাত্রা শেষে ২০ জুলাই চাঁদের বুকে প্রথম মানুষ হিসেবে পা রাখেন “নীল আর্মস্ট্রং”, সৃষ্টি হয় পৃথিবীর ইতিহাসের এক স্মরণীয় দিন।

যে ঘটনাটি স্নায়ুযুদ্ধ থামাতে যথেষ্ট ভূমিকা রেখেছিলো তা হলো ১৯৭২ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চীন সফর। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ভাবে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। নিক্সনের চীন সফরের অন্যতম ফলাফল হল চীনে অবস্থিত শাংহাই শহরে চীন-মার্কিন যৌথ ইস্তেহারস্বাক্ষরিত হওয়া। এই ইস্তেহারে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম বারের মতো তাইওয়ানকে চীনের ভূখণ্ডের একটি অংশ হিসেবে স্বীকার করে। একই বছর ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং সোভিয়েত নেতা লিওনিদ ব্রেঝনেভ Strategic Arms Limitation Talk” (SALT) নামক এক সমঝোতা নীতিতে স্বাক্ষর করেন যার উদ্দেশ্য উভয় পক্ষের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি বন্ধ করা। পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালে SALT-এর দ্বিতীয় বৈঠক হয়েছিলো।

১৯৭৯ সালে আফগানিস্তানের নবনির্বাচিত সমাজতান্ত্রিক সরকারকে সামরিক সহায়তা দিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন সেখানে সেনাবাহিনী পাঠায়। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের স্থানীয় বিদ্রোহীদের তথা  মুজাহেদিনদের অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে লেলিয়ে দেয় সমাজতন্ত্র ও সোভিয়েতদের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে এই মুজাহেদিনরাই আল-কায়েদা গঠন করেছিলো এবং ওসামা বিন লাদেন প্রথমদিকে এই মুজাহেদিনেরই সদস্য ছিলেন।

রিচার্ড নিক্সনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রোনাল্ড রিগ্যান। তিনি ক্ষমতায় আসার পর ১৯৮০ সালের দিকে সামরিক খাতে ব্যাপক খরচ শুরু করেন, সমাজতন্ত্রবিরোধী দেশগুলোকে সামরিক ও আর্থিক সাহায্য দেয়া শুরু করেন। নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের লক্ষ্যে ১৯৮৩ সালে বড় ধরণের সামরিক মহড়া শুরু করে ন্যাটো। যা স্নায়ুযুদ্ধে উত্তেজনার খোরাক যোগায়।

এ পর্যায়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন অর্থনৈতিকভাবে অনেকটাই দূর্বল হয়ে পড়েছিলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে প্রতিযোগিতায় ধীরে ধীরে পিছিয়ে যাচ্ছিলো। ১৯৮৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন সমাজতান্ত্রিক দলের জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে নেতৃত্বে আসেন “মিখাইল গর্বাচেভ”। তিনি চেয়েছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নকে পশ্চিমাদের আদলে নতুনভাবে সাজাতে যাতে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে ক্রমশ হ্রাস পাওয়া উৎপাদন বাড়ানো যায় এবং ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতির লাগাম টেনে ধরা যায়। কিন্তু গর্বাচভের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন কট্টর সোভিয়েতপন্থিরা, যাদের মধ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কেজিবি প্রধান ইত্যাদিরা ছিলেন৷ ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন দেশে স্বাধীনতা ও সমাজতন্ত্র থেকে মুক্তির আন্দোলন শুরু হয়ে যায়। রোমানিয়া ছাড়া কোন দেশে এসব আন্দোলন বন্ধের চেষ্টাও করেনি সোভিয়েত সরকার। এদিকে ১৯৮৯ সালে বার্লিন দেয়াল দেয়াল ভাঙা শুরু হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯০ সালে এ দেয়াল তুলে দেয়া হয় এবং পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি একত্রিত হয়ে যায়। ১৯৯১ সালে আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য সরিয়ে আনা হয়।

সেই সময়কার রাশিয়া অঙ্গরাজ্যের প্রেসিডেন্ট “বরিস ইয়েলৎসিন”, সোভিয়েতের ইউনিয়নের বাকি দুই প্রধান শক্তিশালী রাজ্য বেলারুস আর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সাথে মিলে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে ফেলার চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিয়েছিলো। অবশেষে মিখাইল গর্ভাচেভ ২৫ সে ডিসেম্বর ১৯৯১ সালে টিভিতে তাঁর পদত্যাগ আর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি ঘোষণা করেন এবং এর মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের  ১৫ টি প্রজাতন্ত্র বিভক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে গঠন করে আলাদা আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র।

এর মাধ্যমে সুদীর্ঘ চার দশকব্যাপী চলমান স্নায়ুযুদ্ধের (Cold War) সমাপ্তি ঘটে এবং নতুন বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos ko ko fucks her lover. girlfriends blonde and brunette share sex toys. desi porn porn videos hot brutal vaginal fisting.