x-video.center fuck from above. azure storm masturbating on give me pink gonzo style. motphim.cc sexvideos

কাস্তার সমাধিক্ষেত্র – দুই হাজার বছরের লুকানো রহস্য

Source: Amfipolis
0

বিশ্বের রহস্য পিয়াসু মানুষদের মন এই মুহূর্তে একটি প্রাচীন রহস্যের উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছে! রহস্যটি গ্রীসের এম্ফিপোলিসের কাস্তা পর্বতের একটি সমাধিস্তম্ভকে ঘিরে। এম্ফিপোলিসের এই সমাধিস্থলে কাকে কবরস্থ করা হয়েছে? না, একেবারেই অনুমান করা যাচ্ছেনা। তবে আশার আলো প্রত্নতাত্বিক গবেষণা। সহস্রাব্দ পরে এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য আসলে প্রত্নতাত্মিক গবেষণা ছাড়া আর কেউ দিতে পারবে বলে মনে হয়না। দিগ্বীবজয়ী গ্রীক বীর আলেক্সান্ডারের স্ত্রী রোক্সেন কে কি এখানে সমাহিত করা হয়েছিল? নাকি তার ছেলেকে? অথবা তার মা? নাকি খোদ আলেক্সান্ডার কেই? অথবা অন্য কেউ!

এম্ফিপোলিসের এই সমাধিক্ষেত্রটি প্রাচীন মেসিডোনিয়ান ধাঁচে গড়া একটি সমাধিক্ষেত্র যা ২০১২ সালে মেসিডোনিয়ার নিকটবর্তী এম্ফিপোলিস এর কাস্তা টিলায় আবিষ্কৃত হয়।

 চুনাপাথরের প্রাচীর দ্বার বেষ্টিত সমাধিক্ষেত্র
চুনাপাথরের প্রাচীর দ্বার বেষ্টিত সমাধিক্ষেত্র

৫০০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ মিটার উচ্চতার চুনাপাথর নির্মিত একটি প্রাচীর দ্বার বেষ্টিত এই বিখ্যাত সমাধিক্ষেত্রটি।

২ বছরের খনন কার্য শেষে সমাধিক্ষেত্রটি
২ বছরের খনন কার্য শেষে সমাধিক্ষেত্রটি

চারপাশের দেয়ালের শৈল্পিকতায় তৎকালীন গ্রীসের বিখ্যাত স্থপতি ডেনোক্রাটিসের স্থাপত্যের ছাপ পাওয়া যায়। আবিষ্কারের পর প্রায় ২ বছরের খনন কার্য শেষে ২০১৪ সালে প্রথম এই সমাধিক্ষেত্রটির মাঝে প্রবেশ করতে সক্ষম হয় প্রত্নতাত্মিক গবেষক দল।

কাস্তার সমাধিক্ষেত্রটি
কাস্তার সমাধিক্ষেত্রটি

কাস্তার এই সমাধিক্ষেত্রটি খৃষ্টপূর্ব ৪র্থ শতাব্দীর শেষ দিকে নির্মিত হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছেন প্রত্নতত্মবিদরা। এই সমাধিক্ষেত্রটি এজাবতকালীন গ্রীসে আবিস্কৃত সমাধিস্তূপগুলোর মধ্যে আকারে সবচেয়ে বড়। এমনকি এতোদিন সবচেয়ে বড় সমাধিক্ষেত্র হিসেবে বহুল পরিচিত ভার্জিনিয়ায় অবস্থিত আলেক্সান্ডার দ্যা গ্রেট এর পিতা মেসিডোনিয়ার শাসনকর্তা ফিলিপ-২ এর চেয়েও এটি আকারে বেশ বড়।

সমাধিক্ষেত্র
সমাধিক্ষেত্র

আবিষ্কারের পর থেকে সমাধিক্ষেত্রটি এর সুনিপুন ও অনন্য নির্মানশৈলীর কারনে সারা বিশ্বে তুমুল আলোড়ন তুলেছে। তবে ভার্জিনিয়ার স্মৃতিস্তম্ভের সাথে এটির অনেক মিল রয়েছে। মেসিডোনিয়ার এরিস্টোটল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায়োগিক ভূপ্রকৃতিবিদ্যা গবেষণাগারে ভূতাত্বিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে গঠনগত সাদৃশ্যের এসকল তথ্য জানা যায়।

এম্ফিপোলিস সমাধিক্ষেত্রের রহস্যঃ

যদিও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে পর্যন্ত কাস্তা পর্বতে কোন খনন কার্য হয়নি তবুও ১৯ শতকে অনেক ভূতাত্বিক এম্ফিপোলিসের এই স্থান আবিষ্কার ও এখানে বিশেষ কিছু আছে বলে অনুমান করেছেন। ১৯৭২ ও ১৯৮৫ সালে গ্রীক প্রত্নতাত্বিক . লাজারিডিসের নেতৃত্বে গ্রীক প্রত্নতাত্মিক সোসাইটি বেশ কিছু ছোট ছোট সমাধিক্ষেত্র, প্রাচীন গ্রীসের নগর দূর্গ ও কয়েকটি ভগ্নপ্রায় রাজপ্রাসাদ আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে আরও কিছু খনন কার্যের মাধ্যমে নদী পারাপারের প্রাচীন সেতু, শরীরচর্চা কেন্দ্র, গ্রীক এবং রোমান অনেক স্থাপনা ও সমাধিক্ষেত্র পাওয়া যায়।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ব্রিটিশ এবং বুলগেরিয়ার সৈন্যরা এ অঞ্চলে পরিখা খনন করার সময় এম্ফিপোলিসের সিংহের ভাঙ্গা মূর্তি এবং সমাধিস্থল আবিষ্কার করেন। কিন্তু তারা তখন এটি খনন করেননি। এম্ফিপোলিসের সিংহটির উচ্চতা ছিল ৫.৩ মিটার এবং পাথরের ভীত সহ মোট উচ্চতা প্রায় ১৫.৮৪ মিটার।

এতো কিছুর পরেও এই স্থানটি অনেকটা সময় আলোচনার বাইরেই ছিল। এটি কেবল মাত্র ২০১২ সালে গ্রীক প্রত্নতত্ববিদদের একটি দলের দ্বারা খনন হওয়ার পরে বিশ্বসমাদর পায়। সীমানা প্রাচীর থেকে ১৩ ধাপ নিচে নামলে মূল সমাধিস্থলটি দৃশ্যমান হয়। সমাধিস্থলটিতে মোট তিনটি কামরা রয়েছে যেগুলো পৃথক পৃথক দেয়াল দিয়ে আলাদা করা আছে।

প্রবেশ মুখ এবং প্রথম কামরাঃ

সমাধিস্থলটিতে প্রবেশের মুখেই চোখে পড়ে দৃষ্টি নান্দনিক সৌন্দর্যমন্ডিত একটি পাথরের খিলান, একটি প্রবেশ মুখ ও তার দুপাশে দুটি মাথা ভাঙ্গা স্ফিংসের মূর্তি । স্ফিংসের মূর্তির ঠিক সামনেই একটি চুন সুড়কি নির্মিত বাঁধা প্রাচীর রয়েছে যা সম্ভবত সমাধিস্থলের ভেতরে প্রবেশের মুখে বাঁধা সৃষ্টি করার জন্য নির্মান করা হয়েছিল।

একটি বাঁধা প্রাচীর দ্বারা লুক্কায়িত এবং তার দুপাশে প্রহরা রত দুই স্ফিংস মূর্তি
একটি বাঁধা প্রাচীর দ্বারা লুক্কায়িত এবং তার দুপাশে প্রহরা রত দুই স্ফিংস মূর্তি

একটি বাঁধা প্রাচীর দ্বারা লুক্কায়িত এবং তার দুপাশে প্রহরা রত দুই স্ফিংস মূর্তির যে শৈল্পিক গুরুত্ব তার বিবেচনায় এটির নির্মাতা ও এম্ফোপোলিসের সিংহের নির্মাতা একই ব্যক্তি বলে ধারণা করা যায়।

মার্বেল পাথরের মেঝেঃ

স্ফিংস প্রহরার ঠিক নিচের মেঝের ছবি এটি।  প্রায় ২৩০০ বছর আগে নির্মিত মার্বেল পাথরের এই মেঝেটি এখনো দৃষ্টি আকর্ষন করে। এবং প্রাচীন গ্রীসের নির্মানশৈলী নিয়ে আরও একবার নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করে।

মার্বেল পাথরের মেঝে
মার্বেল পাথরের মেঝে

প্রবেশ মুখের ছবিঃ

এমনই বাঁধা দেয়াল দিয়ে প্রবেশের মুখে বাঁধা সৃষ্টি করা হয়েছিল।

প্রবেশ মুখের ছবি
প্রবেশ মুখের ছবি

ছাদের খিলানের অবলম্বনঃ

শক্ত কাঠের বড় বড় টুকরা দিয়ে ছাদের অবলম্বন তৈরি করা হয়েছিলো।

ছাদের খিলানের অবলম্বন
ছাদের খিলানের অবলম্বন

ক্যারাটিডসঃ

সমাধি স্তম্ভটিতে প্রবেশের প্রথম দিকের ছাদটি দুটি ক্যারাটিডসের (স্তম্ভরুপে ব্যবহৃত নারীমূর্তি) স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে যা খৃষ্টপূর্ব ৪র্থ শতাব্দীর গ্রীক নির্মানশৈলীর এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

ক্যারাটিডসের স্তম্ভ
ক্যারাটিডসের স্তম্ভ

খোদাই চিত্রঃ

খননে বেরিয়ে আসে ক্যারাডিটসের পরেই একটি মার্বেল পাথরের খোদায় চিত্র যাতে অঙ্কিত রয়েছে পারসেফোনিকে পাতালের দেবতা হেডাস দ্বারা অপহরনের চিত্র

খোদাই করা চিত্র
খোদাই করা চিত্র

এবং এর পরেই মেসিডোনিয়ান দ্বার দিয়ে তৃতীয় স্তম্ভে প্রবেশের পথ।

তৃতীয় স্তম্ভে প্রবেশের পথ
তৃতীয় স্তম্ভে প্রবেশের পথ

চিত্রটিতে দেখা যায় হেডাসের রথটি দুটি সাদা ঘোড়া হার্মিসের দেখানো পথে পাতালপুরীতে পরিচালিত হচ্ছে। মার্বেল পাথরের ব্যবহারই সমাধিস্থলটির মেসিডোনিয়ান সাদৃশ্য প্রমাণ করে।

স্ফিংসের ভাঙ্গা মাথা
স্ফিংসের ভাঙ্গা মাথা

সমাধিস্তম্ভের ভেতরে ভাঙ্গা দরজার পাশে একটি স্ফিংসের ভাঙ্গা মাথা প্রমাণ করে যে প্রাচীন কালেও এখানে কে বা কারা প্রবেশের চেষ্টা করেছে বা প্রবেশ করেছে।

এই সমাধিক্ষেত্রে কাকে প্রোথিত করা রয়েছে এটি নিয়ে এখনো যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে কারন অনেকে মনে করেন এটি আলেক্সান্ডারের মৃত্যুর অনেক পরে নির্মিত হয়েছে। তাদের মতে এটি হতে পারে আলেক্সান্ডারের কোন নিকটাত্মীয়ের অথবা তার সেনাবাহিনীতে কর্মরত কোন সামরিক কর্মকর্তার।

এম্ফিপোলিস সমাধিক্ষেত্রের নিচে সম্ভবত নতুন কোন স্মৃতিচিহ্ন রয়েছেঃ

গবেষণাগারের পরিচালক . গ্রিগরিস সোকাস দাবী করেন যে, পশ্চিম দিকের এই ধ্বংসাবশেষের আরও নিবিড় পরীক্ষা দরকার। “আমরা সেখানে ত্রি-মাত্রিক জরিপ চালিয়ে সেখানে আরও কিছুর অস্তিত্ব রয়েছে বলে মনে করছি। সম্ভবত সেটি এখানকার দ্বিতীয় আরেকটি সমাধিক্ষেত্র যা প্রাপ্ত সমাধিক্ষেত্রের চেয়ে কিছুটা ছোট আকৃতির এবং সম্ভবত আরও মিটার দুয়েক নিচে রয়েছে । আমাদের অবশ্যই সেটি খনন করে বের করতে হবে”।

প্রোথিত গৃহ
প্রোথিত গৃহ

সোকাস আরও বলেন কাস্টা পর্বতের সম্পূর্ন ভূপ্রাকৃতিক জরিপ করে এর মধ্যে আমরা একটি প্রোথিত গৃহের সন্ধান পেয়েছি। “২০১৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে আমাদের গবেষণাগারে একটি ভূতাত্বিক জরিপের কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে পর্বতটি অনুসন্ধান করেছি এবং এখনও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কার্যক্রম চলছে যা প্রত্নতাত্মিক সনদ না পাওয়া পর্যন্ত যথেষ্ট কঠিন কাজ”। এই অধ্যাপক আরও যুক্ত করেন যে, খনন কার্যে এই স্মৃতি স্তম্ভের ভীতে কয়লার টুকরো পাওয়া গেছে যে পদ্ধতি খৃষ্টপূর্ব ৩০০ শতাব্দীতে অনুসরণ করা হত।

৩য় কামরাঃ

৩য় কামরার খনন কাজও মোটামুটি শেষের পর্যায়ে এখানে প্রবেশের পথে একটি বিশাল আকৃতির মার্বেল পাথরের দরজা দেখা যায়।৩য় কামরায় প্রাপ্ত কফিনের কারুকার্যের কিছু ভগ্ন নকশার ছবি নিচে দেয়া হল।

কফিনের কারুকার্যের ভগ্ন নকশার ছবি
কফিনের কারুকার্যের ভগ্ন নকশার ছবি

কবরের আকারঃ

কবরটি লম্বায় ৩.২৩ মিটার, প্রস্থে ১.৫৬ মিটার এবং এর গভীরতা ১ মিটার। কাস্তার এই সমাধিস্থলে একটি কংকাল ও পাওয়া গেছে তবে তার ছবি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। গবেষণাগারে বিশদ গবেষণার পরে হয়ত দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবশান হবে। তবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

sex videos ko ko fucks her lover. girlfriends blonde and brunette share sex toys. desi porn porn videos hot brutal vaginal fisting.