x-video.center fuck from above. azure storm masturbating on give me pink gonzo style. motphim.cc sexvideos

জীবন্ত কিংবদন্তী – জলমানব ‘খিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য’

0

নামটি শুনে হয়ত এড়িয়ে যাবেন অনেকেই। কিন্তু যদি বলি একজন জীবন্ত কিংবদন্তী  বাঙালির কথা বলছি তাহলে!!! কিছু কিছু নাম কখনো কখনো বইয়ের পাতার অগোচরেই রয়ে যায়,হারিয়ে যায় কালের অতল গহব্বরে। কিন্তু এই নামগুলোর অবদান কিন্তু পৃথিবীর বিখ্যাত বিখ্যাত ব্যক্তিদের থেকে কোন অংশেই কম নয়তেমনি একজন জীবন্ত কিংবদন্তী বাঙালির কথা আজ আপনাদের বলছি। তিনি বীর  মুক্তিযোদ্ধা খিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য। তাঁর প্রথম পরিচয় তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু তাঁর আরও একটি পরিচয় হচ্ছে তিনি এমন একজন বাঙালি যার কাছে সাঁতার বিষয়টি হচ্ছে নিতান্তই ছেলে খেলা। মার্ক স্পিৎস, মাইকেল ফেল্পস এদের নাম আমরা কম বেশি সবাই জানি। চলুন না নিজের দেশের মানুষটির কথা আজ জেনে নেই।

গ্রামের ছেলে হওয়াতে আগে থেকেই পুকুরে লাফালাফি ,ঝাপাঝাপি ও সাঁতার কাটার অভ্যাস ছিল খিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্যের ধিরে ধিরে তাঁর এই অভ্যাস পরিনত হয় শখে।পরবর্তীতে তিনি তাঁর বিভিন্ন সাঁতার প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাংলার মানুষকে জানান দিয়েছেন যে বাঙালি জাতি মাথা উঁচু করতে জানে,জানে কিভাবে ভয় কে জয় করতে হয়। আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন যে মানুষের শখ কত প্রখর হতে পারে, হতে পারে কতটা প্রাণঘাতী।তাই পেশার পাশাপাশি বেছে নিয়েছেন প্রাণঘাতী এই বিচিত্র শখকে। তাঁর এই শখ দিয়েই আজ বিশ্বকে জয় করে নিয়েছেন তিনি, গড়েছেন অসংখ্য সব রেকর্ড।  

জন্ম-

১৯৫২ সালের ৫ই মে মাতা সুপ্রভা রানী ও পিতা ক্ষিতিশ চন্দ্র বৈশ্যর কোল আলো করে জন্মগ্রহন করেন তিনি। নেত্রকোণা জেলার, মদন উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর গ্রামে  জন্ম নেয়া সেই ছেলেটিই এখন সবার কাছে ‘জলমানব’ নামে পরিচিত। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক এর গণ্ডি পেড়িয়ে পরবর্তীতে পড়াশুনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গনিত বিভাগে।

পেশা :

মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৮০ সালে  শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এন,এম,টি ফেলো,আবহাওয়া অধিদপ্তর এ যোগদান করেন। এরপর ০৪-০১-১৯৮৭ তে সাবেক ডি,সি,এ (বর্তমান নাম- বেসামরিক বিমান চলাচল কতৃপক্ষ) তে সহকারী এরোড্রোম অফিসার  পদে  যোগ দেন। ২২ মে ২০১১ তে অবসর গ্রহণ করেন।পরবর্তীতে ০৬-০৬-২০১২ তারিখে বেসামরিক বিমান চলাচল কতৃপক্ষ এ,এন,এম এর কনসালটেন্ট হিসেবে যোগ দেন।

খিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য’
খিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য’

সাঁতার প্রদর্শনী ও রেকর্ডসমূহ –

১৯৭০ এর কথা । সিলেটের ধুপদিঘি পুকুরে অরুন কুমারের অবিরাম ৩০ ঘণ্টার দীর্ঘ সাঁতারের মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনী তাঁর মনে বিপুল উৎসাহের সৃষ্টি করে। এরপর থেকেই তাঁর সাধনা শুরু।সাধনার ফল যে কখনো বৃথা যায়না তারই এক জ্বলন্ত ও জীবন্ত প্রমান এই ‘খিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য’দুরপাল্লার সাঁতারে  একে একে জয় করে নিলেন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাইরের অনেক দীর্ঘতম নদ নদিকে। চলুন এক নজরে দেখে নেই এই জলমানবের বিভিন্ন সাঁতার প্রদর্শনীর স্থান,সময়কাল ও রেকর্ডসমূহ –

প্রথম প্রদর্শনী

১৯৭০ সালে মদন উপজেলার জাহাঙ্গির পুর উন্নয়ন কেন্দ্রের পুকুরে টানা ১৫ ঘণ্টার সাঁতার প্রদর্শন করেন তিনি।

দ্বিতীয় প্রদর্শনী

১৯৭২ সালে সিলেটের রামকৃষ্ণ মিশন পুকুরে টানা ৩৪ ঘণ্টার সাঁতার প্রদর্শন করে সবার মন জয় করে নেন।

তৃতীয় প্রদর্শনী –

একই বছর ১৯৭২ সালে শুনামগঞ্জের সরকারি হাই স্কুল এর পুকুরে একটানা ৪৩ ঘণ্টার সাঁতার প্রদর্শন করেন।

চতুর্থ প্রদর্শনী –

এরপর ১৯৭৩ সালে শুনামগঞ্জের ছাতক হাই স্কুল এর পুকুরে টানা ৬০ ঘণ্টার সাঁতার প্রদর্শন করে শবাইকে তাক লাগিয়ে দেন।

পঞ্চম প্রদর্শনী –

তাঁর কয়েকদিন পর একই বছরে সিলেটের সরকারি এম,সি কলেজের পুকুরে অবিরাম ৮২ ঘণ্টার সাঁতার প্রদর্শন করেন তিনি।

ষষ্ঠ প্রদর্শনী –

এরপর ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের পুকুরে টানা ৯৩ ঘণ্টা ১১ মিনিট সাঁতার কেটে জাতীয় রেকর্ড সৃষ্টি করেন।

সপ্তম প্রদর্শনী –

এরপর ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের পুকুরে টানা ১০৮ ঘণ্টা ৫ মিনিট সাঁতার কেটে তাঁর নিজের পূর্ববর্তী  জাতীয় রেকর্ড  টপকিয়ে নতুন জাতীয়  রেকর্ড এর মালিক হন।

অষ্টম প্রদর্শনী –

১৯৭৯ সালে ঢাকা স্টেডিয়াম এর সুইমিং পুল এ টানা ৭৯ ঘণ্টার সাঁতার প্রদর্শন করেন।

নবম প্রদর্শনী –

এরপর ২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের পুকুরে টানা ১০ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সাঁতার প্রদর্শন করেন।

দশম প্রদর্শনী –

২০১৩ সালে নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলা পরিষদ পুকুরে টানা ১৫ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সাঁতার প্রদর্শন করেন ।

একাদশ প্রদর্শনী –

এরপর ২০১৪ সালে নেত্রকোনার শরির চর্চা কেন্দ্রের পুকুরে টানা ২৪ ঘণ্টা ৫ মিনিট সাঁতার প্রদর্শন করেন।

এইগুলো ছিল তাঁর সাঁতার প্রদর্শনীর কিছু খুদ্র উদাহরন।এইবার আসছি  তাঁর দূরপাল্লার সাঁতার প্রদর্শনীতে।

** ০৭/০৯/১৯৮০ ইং

পশ্চিমবঙ্গ ভারতের মুর্শিদাবাদ সুইমিং ফেডারেশন এর আয়োজনে ভারতের ভাগীরথী নদিতে ৭৪ কিলোমিটার এর দূরপাল্লার এক সাঁতার অনুষ্ঠিত হয়। সেইখানে অংশগ্রহন করেন ‘খিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য’ এবং এই ৭৪ কিলোমিটার পথ পারি দিতে তিনি সময় নেন ১২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট।

**০৪/০৯/১৯৮১ ইং

নেত্রকোনার মগড়া নদীতে, কালীবাড়ি ঘাট হতে মদন উপজেলার জাহাঙ্গির পুর পর্যন্ত  দীর্ঘ ৫০ মাইল পথ তিনি সাঁতার কেটে পাড়ি দেন।এই সাঁতারের জন্য তিনি সময় নেন ১৬ ঘণ্টা ৫ মিনিট।

** ০৬/০৮/২০১৭ ইং

তাঁর বয়স তখন ৬৫। সবচেয় আশ্চর্যের বিষয় হল এই ৬৫ বছর বয়সে এসেও তাঁর শখ ও সাহসে বিন্দুমাত্র ভাটা পরেনি। মাত্র ৪৩ ঘণ্টায় ১৪৬ কিলোমিটার পথ সাঁতার কেটে পাড়ি দিয়ে জাতীয় রেকর্ড সৃষ্টি করেন,যা তাঁর এই ৬৫ বছর বয়সে এসে দুঃসাহসিকতার পরিচয়ই বটে সবচেয় বেশি বয়সে এত দূর সাঁতার কেটে পাড়ি দেয়ার বিরল একটি রেকর্ড এইটি। এক সুত্র থেকে জানা যায় যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁর বয়সের কথা মাথায় রেখে এই সাঁতার প্রদর্শনী থেকে তাঁকে বিরত থাকার জন্য অনুরধ করেন।কিন্তু এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭১ এর মত আবারও প্রমান করে দিলেন যে ৭১ এর যুদ্ধ তাঁকে পিছপা হতে শেখায়নি।তাই নিজ সিদ্ধান্তে অনড় থেকে এই প্রদর্শনী করেন তিনি।    

খিতিন্দ্র চন্দ্রের সম্মানার্থে কিছু স্মারকের কথা উল্লেখ না করলেই নয়।

**৮২ ঘণ্টা অবিরাম সাঁতার কেটে রেকর্ড সৃষ্টির প্রেক্ষিতে সিলেট সরকারি কলেজের (এম সি কলেজ) বিভাগীয় প্রধানের কক্ষে একটি আলোকচিত্র সংরক্ষণ করা হয়।

** ৯৩ ঘণ্টা অবিরাম সাঁতার কেটে নতুন জাতীয় সৃষ্টির প্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১৬.১.১৯৭৪ তারিখে সকাল ১০ ঘটিকার পর সকল ক্লাস ছুটি ঘোষণা করে ও তৎকালীন ডাকসুর উদ্যোগে একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়।

**ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের পুকুরে অবিরাম ১০৮ ঘণ্টা ৫ মিনিট সাঁতার কাটার দৃষ্টান্তস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জগন্নাথ হল পুকুর পাড়ে একটি স্মারক ফলক নির্মাণ করেন যা এখনো বিদ্যমান আছে।

বয়স হলেও দমে যাননি তিনি । মানুষের লক্ষ, সাধনা, সখ সব কিছুর কেন্দ্রবিন্দু যদি একই হয় তাহলেই মানুষ স্বাভাবিক থেকে হয়ে ওঠে অস্বাভাবিক কিছু, এরই প্রকৃত উদাহরণ এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ‘খিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য’

 

বিভিন্ন সাক্ষাৎকার থেকে তথ্য সংগৃহীত

Comments
Loading...
sex videos ko ko fucks her lover. girlfriends blonde and brunette share sex toys. desi porn porn videos hot brutal vaginal fisting.