<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>হাসনাত আসিফ কুশল, Author at ইতিবৃত্ত</title>
	<atom:link href="https://itibritto.com/author/hasnat-asif/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://itibritto.com/author/hasnat-asif/</link>
	<description>বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Mar 2026 19:19:09 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.2</generator>
	<item>
		<title>গ্রন্থ পর্যালোচনা: ব্যবসায় সাংবাদিকতা</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 15:01:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই ও সিনেমা]]></category>
		<category><![CDATA[অজয় দাশগুপ্ত]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যবসায়]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যবসায় সাংবাদিকতা]]></category>
		<category><![CDATA[রোবায়েত ফেরদৌস]]></category>
		<category><![CDATA[সাংবাদিকতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10513</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="700" height="490" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2025/12/Untitled-1.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" fetchpriority="high" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2025/12/Untitled-1.jpg 700w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2025/12/Untitled-1-300x210.jpg 300w" sizes="(max-width: 700px) 100vw, 700px" style="aspect-ratio: 700/490;" /></div>
<p>কোন পণ্যের কেমন দাম কিংবা বাজারে পণ্যের স্বল্পমূল্য সংক্রান্ত খবরাখবর মধ্যবিত্ত ক্রেতার যেমন আরাধ্য, তেমনই বিনিয়োগ বা লাভবান হওয়ার জন্য ব্যবসায়ী বা শিল্পপতিরও কাঙ্ক্ষিত বিষয়। শুল্ক কিংবা আমদানি নীতি সংক্রান্ত বিষয়েও শিল্পপতিরা কম আগ্রহ রাখেন না।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8/">গ্রন্থ পর্যালোচনা: ব্যবসায় সাংবাদিকতা</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="700" height="490" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2025/12/Untitled-1.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2025/12/Untitled-1.jpg 700w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2025/12/Untitled-1-300x210.jpg 300w" sizes="(max-width: 700px) 100vw, 700px" style="aspect-ratio: 700/490;" /></div><p>ব্যবসায় সাংবাদিকতা: সম্পাদনা- অজয় দাশগুপ্ত ও রোবায়েত ফেরদৌস<br />
প্রকাশকাল: একুশে বইমেলা ফেব্রুয়ারি ২০১০<br />
মুখ্য সম্পাদনা: অজয় দাশগুপ্ত, সম্পাদনা রোবায়েত ফেরদৌস<br />
প্রচ্ছদ: রবীন আহসান<br />
পৃষ্ঠা বিন্যাস: বিবেকানন্দ জয়ধব<br />
প্রকাশক: রবীন আহসান, শ্রাবণ প্রকাশনী,<br />
১৩২ আজিজ সুপার মার্কেট- দ্বিতীয় তলা, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০।<br />
মূল্য: ২৫০ টাকা।</p>
<p>কেউ ব্যবসা করতে চান, কেউ আবার সাংবাদিকতা। ব্যবসায় সাংবাদিকতাও করেন কেউ কেউ। ব্যবসা ও সাংবাদিকতার যেমন কিছু কৌশল ও নীতি আছে, তেমনই ব্যবসায় সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে কিছু কৌশল ও নীতি আছে। আর সেসব কৌশলে নানা দিক উঠে এসেছে অজয় দাশগুপ্ত ও রোবায়েত ফেরদৌসে সম্পাদিত ব্যবসায় সাংবাদিকতা শীর্ষক গ্রন্থে। গ্রন্থটিতে ব্যবসায় সাংবাদিকতার মৌলিক ধারণা দেয়া হয়েছে। ব্যবসা সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরির পদ্ধতি, কলাকৌশল সম্পর্কেও পর্যাপ্ত ধারণা দেয়া হয়েছে। ব্যবসায় সংক্রান্ত সাংবাদিকতা কীভাবে সৃষ্টি হলো আর কীভাবেই বা জনপ্রিয় হলো- তার ইতিহাসও গ্রন্থটিতে তুলে ধরা হয়েছে। ব্যবসায় সাংবাদিকতা গ্রন্থটির ২৬ নং পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, ‘১৮৮২ সালে চার্লস ডাও, এডওয়ার্ড জোনস ও চার্লস বার্গস্ট্রেসের এক ধরনের ওয়ার সার্ভিস চালু করেন যার সাহায্যে ওয়াল স্ট্রিটের বিনিয়োগ হাউসগুলো সংবাদ পেতে শুরু করে। এর একশ’ বছরেরও বেশি সময় পর শেয়ার বাজারে সাধারণ মানুষের বিনিয়োগ বাড়তে থাকায় গণমাধ্যমে ব্যবসায় সাংবাদিকতা প্রাধান্য লাভ করতে থাকে’ (প্রথম অধ্যায়, ব্যবসায় সাংবাদিকতার ধরন ও কৌশল)।</p>
<p>ব্যবসায় সাংবাদিকতা শুরু হয়েছিল কীভাবে? তার জবাব দেয়া হয়েছে ব্যবসায় সাংবাদিকতা গ্রন্থটিতেই। বলা হয়েছে, ‘পণ্যের মূল্য সংক্রান্ত খবর প্রকাশ শুরু হয় অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম ব্যবসায় পত্রিকা বাজারে আসে ১৭৯৩ সালে। ১৮৪৯ সালে জুলিয়াস রয়টার্স ইউরোপে বিজনেস সার্ভিস প্রতিষ্ঠা করেন। যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের আত্মপ্রকাশ ১৮৮৯ সালে। অর্থনীতির বিকাশের সঙ্গে বিকশিত হয়েছে মিডিয়া। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ বাড়তে থাকায় উন্নত-অনুন্নত সব দেশের গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য প্রচারে আগ্রহ লক্ষণীয়। টেলিভিশনে লেনদেনের দৃশ্য সরাসরিই প্রচার করা হচ্ছে। বাংলাদেশও যুক্ত হয়েছে এ ধারায়’ (প্রথম অধ্যায়, ব্যবসায় সাংবাদিকতার ধরন ও কৌশল)।</p>
<blockquote><p>&#8230; কতগুলো মোটাদাগে ভাগ করে সংবাদক্ষেত্র বা সংবাদ উৎস চিহ্নিত করা যায়: ১. মার্কেট বা বাজার, ২. কৃষি, ৩. ব্যবসায়, ৪. অর্থায়ন, ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক অবস্থা, ৫. শিল্প ও শিল্পায়ন, ৬. পরিবহন ব্যবস্থা, ৭. শ্রম, শ্রমিক ও শ্রমবাজার, ৮ সরকারের পলিসি (নীতিমালা), ৯. রিয়েল এস্টেট, ১০. দুর্নীতি, ১১. ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ, ১২. আন্তর্জাতিক।</p></blockquote>
<p>ব্যবসায় সাংবাদিকতার উৎপত্তি ও ইতিহাস যুক্তরাষ্ট্রে অষ্টাদশ শতাব্দিতে। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য কিংবা পণ্যের মূল্য সংক্রান্ত খবরাখবর, দূরদূরান্তের বাণিজ্যের খবর সবকিছু যখন পাঠকের প্রয়োজন হয়েছে, তখনই ব্যবসায় সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করা হয়েছে। বিশেষ করে কোন পণ্যের কেমন দাম কিংবা বাজারে পণ্যের স্বল্পমূল্য সংক্রান্ত খবরাখবর মধ্যবিত্ত ক্রেতার যেমন আরাধ্য, তেমনই বিনিয়োগ বা লাভবান হওয়ার জন্য ব্যবসায়ী বা শিল্পপতিরও কাঙ্ক্ষিত বিষয়। শুল্ক কিংবা আমদানি নীতি সংক্রান্ত বিষয়েও শিল্পপতিরা কম আগ্রহ রাখেন না।</p>
<p>ব্যবসায় সাংবাদিকতা গ্রন্থটির একটি বৈশিষ্ট্য হলো এই গ্রন্থে ব্যবসায় সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা যেমন তুলে ধরা হয়েছে, তেমনই ব্যবসায় সংক্রান্ত প্রতিবেদন কীভাবে লিখতে হবে, তাও উল্লেখ করা হয়ছে। গ্রন্থটির দ্বিতীয় অংশে আছে প্রতিবেদন মূল্যায়ন। ওই অংশে বিভিন্ন প্রতিবেদন সম্পর্কে মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া গ্রন্থটিতে ব্যবসায় সাংবাদিকতার ধরন ও প্রকরণ উল্লেখ করা হয়েছে। ৪৬ নং পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, &#8230; কতগুলো মোটাদাগে ভাগ করে সংবাদক্ষেত্র বা সংবাদ উৎস চিহ্নিত করা যায়: ১. মার্কেট বা বাজার, ২. কৃষি, ৩. ব্যবসায়, ৪. অর্থায়ন, ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক অবস্থা, ৫. শিল্প ও শিল্পায়ন, ৬. পরিবহন ব্যবস্থা, ৭. শ্রম, শ্রমিক ও শ্রমবাজার, ৮ সরকারের পলিসি (নীতিমালা), ৯. রিয়েল এস্টেট, ১০. দুর্নীতি, ১১. ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ, ১২. আন্তর্জাতিক। পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ করে ব্যবসা বা বিজনেস বিটে যারা সাংবাদিকতা করেন, তাদের জন্য বিশেষ কিছু টিপস দেয়া হয়েছে। টিপসগুলো হলো:<br />
১. জারগন বা বিশিষ্টার্থক শব্দে পূর্ণ ভাষা ব্যবহার থেকে দূরে থাকা বা পরিহার করা;<br />
২. টেকনিক্যাল টার্মের সংজ্ঞার্থ নির্ণয় করা;<br />
৩. সংবাদ সম্মেলনে নির্বোধের মতো প্রশ্ন না করা;<br />
৪. সংখ্যা নিয়ে অনুভূতিশূন্য না হওয়া;<br />
৫. সংখ্যা সর্বদাই নিরপেক্ষ;<br />
৬. সংখ্যাকে লেখার বিষয়বস্তুর মধ্যে নিয়ে আসা;<br />
৭. বলার চেয়ে দেখানো উত্তম;<br />
৮. তথ্য-পরিসংখ্যানের পেছনে যারা রয়েছে তাদের খুঁজে বের করা;<br />
৯. মানবিক বিষয় তুলে ধরা;<br />
১০. এটা কোনোভাবেই ভুললে চলবে না যে সব কিছুর পরেও বিজনেস জার্নালিজম সাংবাদিকতারই অংশ।</p>
<p>সম্পাদক পরিচিতি: ব্যবসায় সাংবাদিকতা গ্রন্থটি অজয় দাশগুপ্ত ও রোবায়েত ফেরদৌস সম্পাদনা করেছেন। গ্রন্থটির প্রথম ব্ল্যার্বে অজয় দাশগুপ্ত সম্পর্কে বলা হয়েছে, আর শেষ ব্ল্যার্বে রোবায়েত ফেরদৌস। অজয় দাশগুপ্ত রসায়নে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর পেশা হিসেবে সাংবাদিকতাকে বেছে নিয়েছেন। অর্থনীতি হলো তার আরাধ্য বিষয়। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা এই সাংবাদিক ছাত্রজীবন থেকে জনপ্রিয় সাপ্তাহিক ‘জয়ধ্বনি’ সম্পাদনা করেছেন। বিভিন্ন সংবাদপত্রে সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতার ঝুলি কাঁধে নিয়ে ২০০৫ সালে সমকাল সম্পাদকীয় বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। একাধিক বই লিখেছেন তিনি। তার মধ্যে অন্যতম: সংবাদপত্রে হরতালচিত্র: ১৯৪৭-২০০০, বাংলাদেশে ব্যাংকিংয়ের তিন দশক, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড: প্রতিবাদের প্রথম বছর, সাম্রাজ্যবাদের শৃঙ্খলে বাংলাদেশের অর্থনীতি, একাত্তরের যাত্রী, একাত্তরের ৭১, অর্থনীতি: সংবাদ ও সাংবাদিকতা প্রভৃতি।</p>
<p>ব্যবসায় সাংবাদিকতা গ্রন্থটির অপর সম্পাদক রোবায়েত ফেরদৌস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক। ১৯৯৭ সাল থেকে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন এবং এখন অধ্যাপনা করছেন। এই শিক্ষক সাংবাদিকতাও করেছেন। খবরের কাগজ দিয়ে সাংবাদিকতার অনুশীলন করেন। রোবায়েত ফেরদৌসের গ্রন্থের সংখ্যা সাতটি: গণমাধ্যম/শ্রেণিমাধ্যম, তথ্যের অধিকার, তসলিমার ‘ক’: পাণ্ডুলিপি পোড়ে না, নির্বাচন ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বাংলাদেশের সংবাদপত্রে জেন্ডার সংবেদনশীলতা, তথ্য অধিকারের স্বরূপ সন্ধানে, বিশেষ জনের বিশেষ সাক্ষাৎকার। এছাড়া সংবাদপত্রে নিয়মিত লেখালেখি এবং বিভিন্ন টেলিভিশনে উপস্থাপক ও অতিথি হিসেবেও কথা বলেছেন মানবাধিকার আন্দোলনের অ্যাক্টিভিস্ট রোবায়েত ফেরদৌস।</p>
<p>কেন পড়বেন গ্রন্থটি: গ্রন্থটিতে ব্যবসা সাংবাদিকতা সংক্রান্ত কলাকৌশল, প্রতিবেদন তৈরির নিয়ম এবং টিপস দেয়া হয়েছে। এসব টিপস অবলম্বন করে সাংবাদিকতা করলে প্রভূত উন্নতি করা সম্ভব। ব্যবসায় সাংবাদিকতা গ্রন্থটি ব্যবসা বা বিজনেস বিটের সাংবাদিকদের বিশেষভাবে পাঠে উৎসাহিত করছি।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8/">গ্রন্থ পর্যালোচনা: ব্যবসায় সাংবাদিকতা</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাঙালিকে বুঝুন, মুসলিমকে বুঝুন</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9d%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Oct 2024 18:38:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই ও সিনেমা]]></category>
		<category><![CDATA[আহমদ ছফা]]></category>
		<category><![CDATA[বাঙালি]]></category>
		<category><![CDATA[বাঙালি মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[বাঙালি মুসলিমের মন]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10493</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Ahmed-Chofa.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Ahmed-Chofa.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Ahmed-Chofa-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Ahmed-Chofa-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Ahmed-Chofa-768x403.jpg 768w" sizes="(max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div>
<p>বাঙালি মুসলিমকে নিয়ে আমরা সবাইই কমবেশি কথা বলেই থাকি। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেলেবুড়ো সব বয়সের মানুষই বাঙালি মুসলিমের পক্ষে অথবা বিপক্ষে বিতর্কে শামিল হন। কখনও নিরেট যুক্তির খাতিরে তথ্য উপস্থাপন, আবারও কখনও উত্তপ্ত বিতর্ক। বাঙালি মুসলিমের এই আইডেনটিটি ক্রাইসিস যেন শেষ হওয়ার নয়। ঠিক এই বিষয়টা নিয়েই দুই বছর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9d%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87/">বাঙালিকে বুঝুন, মুসলিমকে বুঝুন</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Ahmed-Chofa.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Ahmed-Chofa.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Ahmed-Chofa-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Ahmed-Chofa-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Ahmed-Chofa-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div><p>বাঙালি মুসলিমকে নিয়ে আমরা সবাইই কমবেশি কথা বলেই থাকি। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেলেবুড়ো সব বয়সের মানুষই বাঙালি মুসলিমের পক্ষে অথবা বিপক্ষে বিতর্কে শামিল হন। কখনও নিরেট যুক্তির খাতিরে তথ্য উপস্থাপন, আবারও কখনও উত্তপ্ত বিতর্ক। বাঙালি মুসলিমের এই আইডেনটিটি ক্রাইসিস যেন শেষ হওয়ার নয়।</p>
<p>ঠিক এই বিষয়টা নিয়েই দুই বছর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি প্রতিষ্ঠান আয়োজিত গবেষণা প্রতিযোগিতায় প্রবন্ধ লিখি। সেই প্রতিযোগিতায় অবশ্য আমি একমাত্র বাংলাদেশি সাংবাদিক হিসেবে তৃতীয় স্থান অধিকার করি। বাঙালি মুসলমানের আইডেনটিটি ক্রাইসিস নিয়ে লেখা ওই প্রবন্ধে ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের ভাগ করো ও শাসন করো নীতি, বঙ্গভঙ্গ, দেশভাগ, লাহোর প্রস্তাব ও সাম্প্রতিক সময়ের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ঘটনা ঠাঁই পেয়েছে। আর এখন আবার লিখতে বসেছি- আহমদ ছফার ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ গ্রন্থের পর্যালোচনা বা রিভিউ।</p>
<p>প্রকৃত অর্থে ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ হলো নামপ্রবন্ধ। বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক আহমদ ছফার লেখা এই প্রবন্ধগ্রন্থের প্রথম প্রকাশ ১৯৮১ সালে। দল-মত নির্বিশেষে সবাই এই লেখকের লেখা বইগুলোকে অবশ্যপাঠ্য বলে বিবেচনা করে থাকেন। পাঠক হিসেবে আহমদ ছফার বইগুলোকে বাংলাদেশের রাজনীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিকতার বাইবেল হিসেবেও আমরা অভিহিত করতে পারি। কেননা আহমদ ছফা এমন অনেক ঘটনা গল্পাকারে তুলে ধরেছেন, যা অন্তত দুই দশক পরে হলেও বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মূর্ত রূপ ধারণ করেছে। কাজেই প্রাবন্ধিক হিসেবে আহমদ ছফাকে হেলাফেলা করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।</p>
<p>যদিও তার লেখায় তত্ত্বের কচকচানি থাকার কারণে অনেক কচি পাঠক মুখ ফিরিয়ে নেন। কিন্তু বুদ্ধিমান পাঠকরা তার বইগুলোকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাইবেল হিসেবে মনে করে থাকেন। ‘বাঙালি মুসলমানের মন’আহমদ ছফারই অন্যতম সুবিখ্যাত গ্রন্থ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উত্তপ্ত কথাবার্তার সময় হরহামেশাই আহমদ ছফাকে রেফারেন্স হিসেবে টানা হয়ে থাকে। তবে তরুণ পাঠকদের আহমদ ছফার বই পড়ার দিকে টানার শটকার্ট একটা রাস্তা অবশ্য আছে। আর সেই রাস্তা বলে দিয়েছেন লেখক কে এম রাকিব। প্রথম আলোর অন্যতম ক্রোড়পত্র অন্যআলোতে এ-সংক্রান্ত একটি নিবন্ধে তিনি লেখেন, ‘আহমদ ছফার ব্যাপারে তরুণদের মধ্যে আগ্রহ তৈরির সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে আহমদ ছফার রচনাবলি নিষিদ্ধ করা। নিষিদ্ধ হলে আমার ধারণা, তরুণেরা হুমড়ি খেয়ে ছফা পাঠ করবে। তরুণরা যাতে আহমদ ছফার প্রতি আরও মনোনিবেশ করেন, সেজন্য অন্য আলোতে নিজের ওই লেখায় কিঞ্চিৎ ব্যাঙ্গ করে কথাটা তুলে ধরেছেন (আহমদ ছফা কেন পড়বেন?, ২৮ জুলাই ২০২১)।’</p>
<p>আহমদ ছফার জন্ম ১৯৪৩ সালের ৩০ জুন। চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামের হেদায়েত আলী ও আছিয়া খাতুনের পরিবারে তার জন্ম। প্রাবন্ধিক হিসেবে সাহিত্যিক ও পাঠক মহলে পরিচিত হলেও গল্প, উপন্যাস, কবিতা, ইতিহাস, ভ্রমণকাহিনী ও অনুবাদেও বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন আহমদ ছফা। কীর্তিমান ও প্রথিতযশা এই লেখক সাংবাদিকতাও করেছেন। দৈনিক গণকণ্ঠের উপদেষ্টা এবং সাপ্তাহিক উত্তরণ ও উত্থানপর্বের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শুধু সাহিত্যেই তার অবাধ বিচরণ থেমে থাকেনি, জ্ঞানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও ঘুরে বেড়িয়েছেন এই লেখক। ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ গ্রন্থের শেষ ব্লার্বে তাকে ‘সব্যসাচী বিরলপ্রজ লেখক’ অভিধায় ভূষিত করা হয়েছে। ‘গাভী বিত্তান্ত’, ‘যদ্যপি আমার গুরু’, ‘সূর্য তুমি সাথী’, ‘অলাতচক্র’, ‘ওঙ্কার’, ‘একজন আলী কেনানের উত্থান-পতন’, ‘পুষ্প বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ’, ‘অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী’, ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’, ‘ফাউস্ট’ প্রভৃতি গ্রন্থ লেখেন তিনি। একুশে পদকসহ একাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন খ্যাতিমান এই প্রাবন্ধিক। আহমদ ছফা প্রয়াত হন ২০০১ সালের ২৮ জুলাই।</p>
<p>‘বাঙালি মুসলমানের মন’ গ্রন্থে আহমদ ছফা বাঙালি মুসলমান মানস চিত্রিত করেছেন। কীভাবে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিপত্তির জন্য ঘোষিত নাস্তিকও আস্তিকে রূপান্তর হয়ে যান, সেই বর্ণনাই এখানে তুলে ধরা হয়েছে। আহমদ ছফার লেখার সঙ্গে বাংলাদেশের বিগত শাসনামলের রাজনীতির বাস্তব একটি উদাহরণ হলো হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেননের হজ করার প্রসঙ্গ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই দুজনের ছবি যখন ভাইরাল হলো, তখন সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।</p>
<p>হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন দুজনেই ভিন্ন দুটি দলের নেতা। ইনু জাসদের আর মেনন ওয়ার্কার্স পার্টির। দুটো সমাজতন্ত্র শিবিরের। আর সমাজতন্ত্রের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মার্কস ‘ঈশ্বরে অবিশ্বাসী’ হওয়ার কারণে তার ভাবাদর্শ ‘শ্রেণি সংগ্রাম তত্ত্বেও’ সেই প্রভাব দেখা যায়। যদিও কার্ল মার্কসের জন্ম একটি ইহুদি পরিবারে। মার্কসের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবহের জের ধরে অনেক বাঙালি মুসলিমের মধ্যে যেহেতু সমাজতন্ত্রকে ‘ঈশ্বরে অবিশ্বাসী বস্তুবাদী দর্শন’ বলে চিত্রিতের প্রবণতা রয়েছে, সেহেতু এদেশের সমাজতান্ত্রিক নেতাদেরকেও সেভাবেই চিত্রিত করা হয়। সে অনুযায়ী হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেননের হজ করার খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠাটা অস্বাভাবিক কিছু না।</p>
<p>‘বাঙালি মুসলমানের মন’ গ্রন্থে বাঙালি মুসলিম সমাজের বিচ্যুতি ও অসঙ্গতি নিয়ে সমালোচনা করেছেন আহমদ ছফা। প্রবন্ধটিতে লেখক দো-ভাষী পুঁথিগুলোর কথা তুলে ধরে লেখেন, দো-ভাষী পুঁথিগুলোতে দেখা যায় ভিনধর্মের একটি পরিবার রাতারাতি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ফেলছেন। ইসলামের মাহাত্ম্য উপলব্ধি করে তারা এহেন কাজ করছেন। আমির হামজার গল্প তুলে ধরার পর ব্যাঙ্গ করে আহমদ ছফা লেখেন, ‘হিন্দু-সমাজের বীরেরা যদি পাতাল বিজয় করে বহাল তবিয়তে ফিরে আসতে পারেন, আমির হামজা দৈত্যের দেশে গমন করে তাদের শায়েস্তা করে আসতে পারবেন না কেন? ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে মুহম্মদ হানিফার মূল কাণ্ড কিছু নেই বলেই তো সুবিধে। কল্পনা যেভাবে ইচ্ছে বিচরণ করতে পেরেছে। হিন্দুদের দেবতা শ্রীকৃষ্ণ যদি বৃন্দাবন ষোলশত গোপবালা নিয়ে লীলা করতে পারেন, মুহম্মদ হানিফার কি এতই দুর্বল হওয়া উচিত যে এ কয়টা ব্রাহ্মণকন্যাকে সামলাতে পারবেন না! (পৃষ্ঠা: ২৪-২৫)।’</p>
<p>আহমদ ছফার লেখা ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ গ্রন্থটি নিয়ে বলতে গিয়ে প্রথম আলোর ক্রোড়পত্র অন্য আলোতে বলা হয়েছে, ‘কিছুদিন পরপরই বাঙালি, বাংলাদেশি, বাঙালি মুসলমান ইত্যাদি নিয়ে চক্রাকারে যে বিতর্ক ঘনিয়ে আসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, সেই বিতর্কের প্রথম লেখা আহমদ ছফার ‘বাঙালির মুসলমানের মন’। লেখাটির সঙ্গে আপনি দ্বিমত হতে পারেন, বেশ কিছু পদ্ধতিগত ভুলও প্রমাণ করতে পারবেন, কিন্তু বাঙালি মুসলমানের সামষ্টিক মন বুঝতে ছফার দৃষ্টিভঙ্গিকে মোকাবিলা না করে পারবেন না। বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক তৎপরতার চেহারা-সুরত বোঝার জন্য ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’-এর মতো বই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ভয়াবহ সংকীর্ণ ও একমাত্রিক সাহিত্যিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজে ছফা এমন কিছু প্রশ্ন তুলেছিলেন, যেগুলো প্রচলিত বস্তাপচা চিন্তাকাঠামোকে অস্বস্তি দিয়েছে। বাংলাদেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতির একটা শক্তিশালী প্রবণতার ধারক ও বাহক ছফা (আহমদ ছফা কেন পড়বেন?, ২৮ জুলাই ২০২১)।’ এ ছাড়া ডেইলি স্টারে বাংলা ভাষায় লেখা এক প্রবন্ধে আহমদ ছফাকে ‘নির্ভয়ে সত্য উচ্চারণ করার মতো সাহসী বুদ্ধিজীবীদের একজন বলে অভিহিত করেন লেখক আহমাদ ইশতিয়াক (আহমদ ছফা: জীবন ও সাহিত্যের বাস্তবতায় এক নিঃসঙ্গ শেরপা, ৩০ জুন ২০২২)।</p>
<p>ডেইলি স্টারে প্রকাশিত ইংরেজি প্রবন্ধে জার্মান দার্শনিক ওয়াল্টার বেঞ্জামিনের উদ্ধৃতি দিয়ে গল্পকথক হিসেবে লেখক আহমদ ছফার মাহাত্ম্য তুলে ধরেছেন তারই শিষ্য সলিমুল্লাহ খান। লেখক সলিমুল্লাহ খান লেখেন, ‘the figure in which the righteous man encounters himself’ (দ্য অরিজিন অব দ্য ওম: আহমেদ ছফা’স অরা, ২৮ জুলাই ২০২২)।</p>
<p>পাঠক হিসেবে প্রশ্ন উঠতেই পারে আহমদ ছফার শ্রেষ্ঠ রচনাগুলো কোনটি? আমি মনে করি ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ গ্রন্থটি সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এই গ্রন্থে ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ প্রবন্ধ ছাড়াও আরও কয়েকটি প্রবন্ধ লিখেছেন। তার মধ্যে ‘মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চরিত্র’, ‘রবীন্দ্রনাথের সংস্কৃতি সাধনা’, ‘ব্রাটান্ড রাসেল’, ‘শিক্ষার দর্শন’, ‘ভবিষ্যতের ভাবনা’, ‘বাংলার ইতিহাস প্রসঙ্গে’, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি উনিশ শ’ বাহাত্তর’, ‘দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক’-সহ আরও অনেক। এসব প্রবন্ধে মুক্তচিন্তা ও বৃদ্ধিবৃত্তিকতা উপজীব্য হয়ে উঠেছে। বাঙালি মুসলমানের জন্য (যারা ইসলাম প্র্যাকটিস করেন এবং তা নাও করেন- সবার জন্য) বইটি চিন্তার খোরাক। বিশেষ করে ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ শিরোনামে নামপ্রবন্ধটি এই প্রজন্মের সেইসব মুসলিম তরুণদের অবশ্যপাঠ্য বলে বিবেচনা করি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা অনর্থক বিতর্ক করে সময় ও পরিবেশ নষ্ট করছেন। ভিন্ন মত বা ধর্মাবলম্বীদের কটাক্ষ করে যারা উত্তপ্ত কথাবার্তা নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করে থাকেন, তাদের জন্য আহমদ ছফার লেখা ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ গ্রন্থটি পড়া উচিত। হিংসায় লিপ্ত একটি সমাজে সাম্প্রদায়িক চর্চা ও মেরুকরণ যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, গ্রন্থটি পাঠেই সেটা উপলব্ধ হয়।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9d%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87/">বাঙালিকে বুঝুন, মুসলিমকে বুঝুন</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ছবি-বিতর্ক: মওদূদীর পাশে শেখ মুজিব</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%9b%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%93%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%b6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Oct 2024 18:00:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[জামায়াত]]></category>
		<category><![CDATA[জামায়াতে ইসলামী]]></category>
		<category><![CDATA[বৈঠক]]></category>
		<category><![CDATA[মওদূদী]]></category>
		<category><![CDATA[রাওয়ালপিন্ডি]]></category>
		<category><![CDATA[লাহোর]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10489</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Sheikh-Mujib-Maolana-Maodudee.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Sheikh-Mujib-Maolana-Maodudee.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Sheikh-Mujib-Maolana-Maodudee-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Sheikh-Mujib-Maolana-Maodudee-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Sheikh-Mujib-Maolana-Maodudee-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div>
<p>জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আবুল আলা মওদূদীর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। দাবি করা হয়েছে ছবিটি ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তোলা। অথচ ছবিটি ১৯৬৯ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে আইয়ুব খানের সঙ্গে দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকের। যেখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদূদীর পাশে শেখ মুজিবকে বসে থাকতে দেখা যায়। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%9b%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%93%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%b6/">ছবি-বিতর্ক: মওদূদীর পাশে শেখ মুজিব</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Sheikh-Mujib-Maolana-Maodudee.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Sheikh-Mujib-Maolana-Maodudee.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Sheikh-Mujib-Maolana-Maodudee-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Sheikh-Mujib-Maolana-Maodudee-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/10/Sheikh-Mujib-Maolana-Maodudee-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div><p>জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আবুল আলা মওদূদীর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। দাবি করা হয়েছে ছবিটি ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তোলা। অথচ ছবিটি ১৯৬৯ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে আইয়ুব খানের সঙ্গে দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকের। যেখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদূদীর পাশে শেখ মুজিবকে বসে থাকতে দেখা যায়।</p>
<p><strong>‘৬৬’র ৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনা:</strong> ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মুক্তির দাবি ছয় দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেন শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালির ম্যাগনা কার্টা বা মুক্তির সনদ বলে পরিচিত ছয় দফা দাবি উত্থাপনের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোরে পৌঁছান শেখ মুজিব। ৫ ফেব্রুয়ারি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের সংবাদপত্রগুলোতে তাকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ হিসেবে চিত্রিত করা হয়। রাগে-দুঃখে ও অপমানে ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলন বর্জন করেন শেখ মুজিব। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয় দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হয়।</p>
<p>‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬-দফা কর্মসূচি’ শিরোনামে ছয় দফা কর্মসূচির একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়। যেখানে শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দিন আহমদের ভূমিকা রাখা হয়েছিল। এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দলীয় সম্মেলনে ছয় দফা প্রস্তাব রাখেন। এরপর ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬-দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়। ২৩ মার্চ লাহোর প্রস্তাবের সঙ্গে মিল রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপিত হয়।</p>
<p><strong>আলোচিত ছবি-কথা:</strong> এবার আসা যাক, ছবির কথায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদূদীর পাশে শেখ &#x200d;মুজিবের একটি ছবি সয়লাব হয়েছে। বলা হচ্ছে, ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে তাদের দুজনের এই ছবি তোলা হয়েছে। কিন্তু শেখ মুজিব ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোর ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন। প্রকৃত সত্য হলো, ছবি ১৯৬৯ সালের। স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের পর ২৫ ফেব্রুয়ারি রাওয়ালপিন্ডিতে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে এক প্রাথমিক গোলটেবিল বৈঠক হয়। এই বৈঠকেই পরবর্তী বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ হয় ১০ মার্চ (দৈনিক জনকণ্ঠ)। দ্বিতীয় বৈঠক চলতে থাকে ১০-১৩ মার্চ পর্যন্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত ছবিটি ১৯৬৯ সালের দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকে তোলা হয়। ১০-১৩ মার্চ পর্যন্ত চলা ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আবুল আলা মওদূদীসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%9b%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%93%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%b6/">ছবি-বিতর্ক: মওদূদীর পাশে শেখ মুজিব</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আর-রাহীকূল মাখতূম: মহম্মদীয় জীবনধারার অনুপম গ্রন্থ</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%a4%e0%a7%82%e0%a6%ae-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Sep 2024 15:26:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই ও সিনেমা]]></category>
		<category><![CDATA[আর-রাহীকূল মাখতূম]]></category>
		<category><![CDATA[মুহম্মদ]]></category>
		<category><![CDATA[মুহম্মদ (সা.)]]></category>
		<category><![CDATA[হযরত মুহম্মদ]]></category>
		<category><![CDATA[হযরত মুহম্মদ (সা.)]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10475</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Ar-Rahikul-Makhtum.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Ar-Rahikul-Makhtum.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Ar-Rahikul-Makhtum-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Ar-Rahikul-Makhtum-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Ar-Rahikul-Makhtum-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div>
<p>বিশ্বনবী হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সীরাহ বা জীবনী জানা মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে আমাদের সবার জন্য জরুরি। অনুপম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ইসলামের এই নবীকে অনুসরণের মধ্যেই রয়েছে মুসলিমদের জন্য কল্যাণ। আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরীর (রহ.) লেখা ‘আর-রাহীকুল মাখতূম’ গ্রন্থে আইয়্যামে জাহিলিয়্যা বা অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগে আরববাসীর ধ্যানধারণা, বিশ্বনবীর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন, তার নব্যুওয়্যাতি জীবন, রাজনীতি, [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%a4%e0%a7%82%e0%a6%ae-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a6/">আর-রাহীকূল মাখতূম: মহম্মদীয় জীবনধারার অনুপম গ্রন্থ</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Ar-Rahikul-Makhtum.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Ar-Rahikul-Makhtum.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Ar-Rahikul-Makhtum-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Ar-Rahikul-Makhtum-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Ar-Rahikul-Makhtum-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div><p>বিশ্বনবী হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সীরাহ বা জীবনী জানা মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে আমাদের সবার জন্য জরুরি। অনুপম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ইসলামের এই নবীকে অনুসরণের মধ্যেই রয়েছে মুসলিমদের জন্য কল্যাণ। আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরীর (রহ.) লেখা ‘আর-রাহীকুল মাখতূম’ গ্রন্থে আইয়্যামে জাহিলিয়্যা বা অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগে আরববাসীর ধ্যানধারণা, বিশ্বনবীর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন, তার নব্যুওয়্যাতি জীবন, রাজনীতি, সমাজ নীতি, সমর নীতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।</p>
<p>গ্রন্থটিতে হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুপম চরিত্র, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের দিকও প্রতিফলিত হয়েছে। কুরাইশদের শত্রুতা, মদিনায় হিজরত এবং পরিশেষে মক্কা বিজয়- মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহকে অসামান্য করে তোলে। বিশেষ করে বিপদে অসীম ধৈর্যের পরিচয় দেওয়ার কারণে আল্লাহর প্রিয় বন্ধু বা হাবিবুল্লাহ হয়ে উঠেছেন তিনি। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ও হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু যে পর্বতের গুহায় আত্মগোপন করে ছিলেন, অনুসন্ধানকারীরা সেই গুহার প্রবেশ পথের পার্শ্বদেশে পৌঁছে গেল, কিন্তু আল্লাহ আপন কাজে জয়ী হলেন। সহিহ বুখারি শরিফে হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে যে, হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে গুহায় থাকা অবস্থায় মাথা তুলে মানুষের পা দেখতে পেলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের দৃষ্টি নীচের দিকে নামায় তাহলেই আমাদেরকে দেখে ফেলবে। তিনি (নবী কারীম) বললেন- আবু বকর! চুপচাপ থাক। আমরা দু’জন, আর তৃতীয় জন আছেন আল্লাহ তায়ালা। অন্য একটি বর্ণনায় এমন আছে, হে আবু বকর! এমন দু’জন লোক সম্পর্কে তোমার কী ধারণা, যাদের তৃতীয়জন হলেন আল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৩১২-৩১৩, আর রাহীকুল মাখতূম, মুসনাদে আহমাদ, বুখারি)?</p>
<p>গ্রন্থটিতে মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর জন্মের পূর্ববর্তী আরবের সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র থেকে শুরু বিশ্বনবীর ওফাৎ বা প্রয়াণ পর্যন্ত সবকিছু ছবির মতো তুলে ধরা হয়েছে। আর-রাহীকূল মাখতূম গ্রন্থটির প্রণেতা আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী। ভারতের বেনারসের এই লেখকের লেখা গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশ হয় ২০১৮ সালের এপ্রিলে। এ বছরই রকমারির বেস্ট সেলার হিসেবে গ্রন্থটি সমাদৃত হয়।</p>
<p>ইসলাম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী নবীন-প্রবীণ সবার জন্য বইটি পড়ার আমন্ত্রণ রইল। গবেষকদের জন্য গ্রন্থটি সবিশেষ উপাদেয়।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%a4%e0%a7%82%e0%a6%ae-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a6/">আর-রাহীকূল মাখতূম: মহম্মদীয় জীবনধারার অনুপম গ্রন্থ</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২০-২১ শতকের গণহত্যা: সতথ্য ইতিহাস</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Sep 2024 15:43:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১ সালের ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১ সালের গণহত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে লিখ]]></category>
		<category><![CDATA[গণহত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[গণহত্যার ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[গাজায় গণহত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[গাজায় হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[দ্য হলোকস্ট]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা কারা]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা গণহত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গাদের ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[হামাস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10468</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Gaza.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Gaza.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Gaza-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Gaza-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Gaza-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div>
<p>গণহত্যা শব্দের ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ Genocide। এর আরও কয়েক সমার্থক শব্দ হলো Racial Kiliing, Massacre ও indiscriminate killing। সাধারণত গণহত্যা বলতে আমরা Genocide-কেই বুঝে থাকি। গ্রিক শব্দ Genos ও ল্যাটিন শব্দ Cide- দুই ভাষার শব্দ একত্রিত করলে দাঁড়ায় Genocide। Genos শব্দের অর্থ ‘নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা জাতি’ আর Cide শব্দের অর্থ ‘হত্যা’। ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত ‘Axis [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/">২০-২১ শতকের গণহত্যা: সতথ্য ইতিহাস</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Gaza.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Gaza.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Gaza-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Gaza-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/09/Gaza-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div><p>গণহত্যা শব্দের ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ Genocide। এর আরও কয়েক সমার্থক শব্দ হলো Racial Kiliing, Massacre ও indiscriminate killing। সাধারণত গণহত্যা বলতে আমরা Genocide-কেই বুঝে থাকি। গ্রিক শব্দ Genos ও ল্যাটিন শব্দ Cide- দুই ভাষার শব্দ একত্রিত করলে দাঁড়ায় Genocide। Genos শব্দের অর্থ ‘নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা জাতি’ আর Cide শব্দের অর্থ ‘হত্যা’।</p>
<p>১৯৪৪ সালে প্রকাশিত ‘Axis Rule in Occupied Europe: Laws of Occupation- Analysis of Government- Proposals for Redress’ নামক গ্রন্থে গণহত্যা শব্দটি প্রথম প্রয়োগ করা হয়। আইনি পরিমণ্ডলে শব্দটি প্রথম প্রয়োগ করা হয় ১৯৪৫ সালে। ন্যুরেমবার্গে গঠিত আন্তর্জাতিক সামরিক আদালতে নাৎসি নেতাদের বিচারে গণহত্যা শব্দের প্রয়োগ করা হয়। দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর ১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতিসংঘে গণহত্যা নিষিদ্ধ করে একটি রেজ্যুলেশন পাস করেন রাফায়েল লেমকিন। পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ কনভেনশনে গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেব স্বীকৃতি দেওয়া হয়।</p>
<p>এখন আমরা জানবো বিংশ ও একবিংশ শতকের গণহত্যার ইতিহাস। চলুন জেনে আসা যাক-</p>
<h2><strong>গ্রিক গণহত্যা</strong></h2>
<p>প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও তার পরবর্তী সময়কালে এই গণহত্যা সংঘটিত হয়। ১৯১৩-১৯২৩’র মধ্যে গ্রিসে ঘটে যাওয়া এই গণহত্যা ইতিহাসে গ্রিক গণহত্যা হিসেবে সমালোচিত হয়ে আসছে। পন্টাস, ক্যাপাডোসিয়া, আইওনিয়া ও ইস্টার্ন থ্রেসকে লক্ষ্য করে এই গণহত্যা পরিচালনা করে গ্রিকো-তুর্কি সেনাবাহিনী। এই গণহত্যা চলাকালেই শুরু হয় তুরস্কের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন। যার ফলশ্রুতিতে ১৯২৩ সালে উসমানীয় অধীনতা থেকে তুর্কিরা মুক্তি লাভ করে এবং ১৯২৪ সালে সাংবিধানিক চুক্তির মধ্য দিয়ে উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করা হয়। গ্রিক গণহত্যায় ৩-৯ লাখ বেসামরিক লোকের প্রাণহানি হয়।</p>
<h2><strong>আর্মেনীয় গণহত্যা</strong></h2>
<p>আর্মেনীয় গণহত্যা শুরু হয় ১৯১৫ সালের ২৪ এপ্রিল। শেষ হয় ১৯২৩ সালে। এই গণহত্যা চালায় অটোমান সাম্রাজ্য। এতে ৬ লাখ থেকে ১৫ লাখ লোক নিহত হয়।</p>
<h2><strong>দ্য হলোকস্ট</strong></h2>
<p>দ্য হলোকস্ট ইউরোপে ইহুদি গণহত্যা নামেও সমধিক পরিচিত। হলোকস্টকে হিব্রু ভাষায় ইহুদিরা হাশোয়া বলে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ইহুদিদের ওপর যে গণহত্যা চালানো হয়েছিল তাকে দ্য হলোকস্ট বলা হয়। নাৎসিবাদী জার্মান ও তাদের মিত্ররা ৬-১১ লাখ ইহুদিকে হত্যা করে।</p>
<h2><strong>‘৭১’র গণহত্যা</strong></h2>
<p>১৯৭১ সালে বাংলাদেশ তথা তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যা চালানো হয়েছিল, তা ‘৭১’র গণহত্যা হিসেবে সমধিক পরিচিত। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন, শেখ মুজিবের ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও পশ্চিম পাকিস্তানের তদানীন্তন শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতালিপ্সার কারণে গণহত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান। দীর্ঘ ৯ মাস ধরে চলা এই গণহত্যায় ৩০ লাখ লোকের মৃত্যু হয়।</p>
<h2><strong>কম্বোডীয় গণহত্যা</strong></h2>
<p>১৯৭৫ সালের ১৭ এপ্রিল কম্বোডীয় গণহত্যার শুরু। ১৯৭৯ সালের ৭ জানুয়ারি এটি শেষ হয়। গণহত্যা শুরু করে খেমার রুজ। ১৯৭৫-১৯৭৯ সময়কালে কম্বোডিয়ার শাসকগোষ্ঠী এই নামে পরিচিত। তারা ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টি অব কাম্পুচিয়ার (সিপিকে) সদস্য। এই গণহত্যায় ১২-২৮ লাখ লোক প্রাণ হারায়।</p>
<h2><strong>রুয়ান্ডা গণহত্যা</strong></h2>
<p>রুয়ান্ডার সংখ্যালঘু টাটসি ও সংখ্যাগরিষ্ঠ হুটু গোষ্ঠীর মধ্যে ১৯৯৪ সালের ৭ এপ্রিল নির্বিচারে যে গণহত্যা শুরু হয়, তাই ইতিহাসে রুয়ান্ডা গণহত্যা হিসেবে পরিচিত। একই বছর ১৯ জুলাই শান্তি ও নিরস্ত্রীকরণের এক চুক্তির মধ্য দিয়ে এই গণহত্যার সমাপ্তি হয়। রুয়ান্ডা গণহত্যায় ৮-১০ লাখ লোক নিহত হয়।</p>
<h2><strong>বসনীয় গণহত্যা</strong></h2>
<p>১৯৯৫ সালে ১১-১৩ জুলাই বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় যে গণহত্যা চলে, বিশ্ব ইতিহাসে সেটা বসনীয় গণহত্যা হিসেবে তুমুল সমালোচিত হয়ে রয়েছে। এতে শুধু স্রেব্রিনিকা শহরেই ৮ হাজার ৩৭১ জন প্রাণ হারায়। এ ছাড়া বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা জুড়ে চালানো এই গণহত্যায় ২৫ হাজার ৬০৯ থেকে ৩৩ হাজার ৭১ জন নিহত হয়।</p>
<h2><strong>রোহিঙ্গা গণহত্যা</strong></h2>
<p>মিয়ানমারের শাসক গোষ্ঠীর ভয়াবহ নিপীড়ন থেকে বাঁচার জন্য ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ২০১৭ সালে জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে থাকে রোহিঙ্গারা। বিশেষ করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযান থেকে রেহাই পেতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনের রোহিঙ্গাদের বড় আকারের ঢল দেখা যায়। সংবাদপত্রের খবরাখবর অনুযায়ী মিয়ানমারের জাতিগত নিপীড়নের শিকার হয়ে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই গণহত্যায় ২৫ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা নিহত হয়।</p>
<h2><strong>গাজা গণহত্যা</strong></h2>
<p>২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকে গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, চলমান এই গণহত্যায় (এই কনটেন্ট লেখা পর্যন্ত) ৪০ হাজার ৮৭৮ জনের প্রাণহানি হয়েছে।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/">২০-২১ শতকের গণহত্যা: সতথ্য ইতিহাস</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইংরেজি ভাষা কি গোলাম বানায়?</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%87%e0%a6%82%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 28 Aug 2024 18:29:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই ও সিনেমা]]></category>
		<category><![CDATA[আত্মঘাতী বাঙালী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজি]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজি ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[নীরদচন্দ্র চৌধুরী]]></category>
		<category><![CDATA[বই রিভিউ]]></category>
		<category><![CDATA[রিভিউ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10464</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Atmagahtee-Bangalee.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Atmagahtee-Bangalee.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Atmagahtee-Bangalee-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Atmagahtee-Bangalee-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Atmagahtee-Bangalee-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div>
<p>ইংরেজি ভাষাকে যখন ভারতবাসীর শিক্ষার মাধ্যম করা হলো, তখন এর বিরুদ্ধে খোদ ব্রিটেনেই সমালোচনা হয়েছিল। অনেকে বলে থাকেন, ব্রিটিশরা আমাদের গোলাম বানানোর জন্য ইংরেজি ভাষাকে এদেশের শিক্ষার মাধ্যম করেছেন। এই সমালোচনা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় হিন্দু ব্রাহ্মণ ও মুসলিমদের মধ্যে। ইংরেজির প্রতি বিরাগবশত মুসলিম তো এক শতাব্দী ইংরেজিবিমুখই থাকল। পরে সৈয়দ আমীর আলী প্রমুখ মুসলিম [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%87%e0%a6%82%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/">ইংরেজি ভাষা কি গোলাম বানায়?</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Atmagahtee-Bangalee.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Atmagahtee-Bangalee.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Atmagahtee-Bangalee-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Atmagahtee-Bangalee-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Atmagahtee-Bangalee-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div><p>ইংরেজি ভাষাকে যখন ভারতবাসীর শিক্ষার মাধ্যম করা হলো, তখন এর বিরুদ্ধে খোদ ব্রিটেনেই সমালোচনা হয়েছিল। অনেকে বলে থাকেন, ব্রিটিশরা আমাদের গোলাম বানানোর জন্য ইংরেজি ভাষাকে এদেশের শিক্ষার মাধ্যম করেছেন। এই সমালোচনা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় হিন্দু ব্রাহ্মণ ও মুসলিমদের মধ্যে। ইংরেজির প্রতি বিরাগবশত মুসলিম তো এক শতাব্দী ইংরেজিবিমুখই থাকল। পরে সৈয়দ আমীর আলী প্রমুখ মুসলিম চিন্তাবিদের সংস্পর্শে ইংরেজি ভাষায় শিক্ষা নেওয়া শুরু করেছে মুসলিমরা।</p>
<p>শ্রীযুক্ত নীরদচন্দ্র চৌধুরী তার ‘আত্মঘাতী বাঙালী’ গ্রন্থে বাঙালির ইংরেজির প্রতি তথাকথিত বিরাগের জোর সমালোচনা করেছেন। গ্রন্থের ৩৪ নং পৃষ্ঠায় তার দৃষ্টান্তও উল্লেখ করেছেন: ইংরেজী ভাষার ও ইংরেজীতে শিক্ষার প্রবর্তন সম্বন্ধেও কয়েকটা কথা বলা দরকার। এ-বিষয়ে শুধু বাঙালি নয়, সমস্ত ভারতবাসীর মুখেই একটা অযৌক্তিক কথা শোনা যায়। সেটা এই যে, ইংরেজ শাসক আমাদিগকে গোলাম বানাইবার জন্য ইংরেজিতে শিক্ষার প্রবর্তন করিয়াছিল। অর্থাৎ ইংরেজদের শাসন চালাইবার জন্য কেরানী ও হাকিম জাতীয় ভারতবাসীর প্রয়োজন ছিল, তাই আমাদের ইংরেজী শিখিতে বাধ্য করিয়াছিল। এই কথাটা আমি বাল্যকাল থেকেই শুনিয়া আসিতেছি। আমি তখন ক্লাস সিক্সে (পুরাতন পঞ্চম শ্রেণিতে) পড়ি। কেদার বলিয়া একটি বালক আমার সঙ্গে পড়িত। সে ইংরেজীতে অত্যন্ত কাঁচা ছিল। দিনের পর দিন ক্লাসে অপদস্থ হইয়া একদিন সে আত্মগ্লানি হইতে মুক্ত হইবার জন্য এক কাণ্ড করিল। ইংরেজী পাঠ্যপুস্তকটি ছিঁড়িয়া পদদলিত করিয়া চীৎকার করিয়া উঠিল- ‘গোলাম হইবার ভাষা আমি বর্জন করিলাম’ (তৃতীয় অধ্যায়: ইংরেজী ভাষার প্রচার ও প্রসার)।</p>
<p>ইংরেজি ভাষা কি শুধু আমাদের ভারতবাসীকে গোলাম বানানোর জন্য শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে প্রবর্তন করা হয়েছে? প্রকৃত ইতিহাস দেখতে গেলে আমরা দেখতে পাই, গোলাম বানানোর কোনও অভিপ্রায় ব্রিটিশদের মধ্যে ছিল। বরং ভারতবাসীর শেখার আগ্রহ থেকেই ইংরেজি ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম করা হয়েছে। ঔপনিবেশিক শাসনামলে খোদ ব্রিটেনবাসীই ভারতে ইংরেজি প্রবর্তনের বিষয়ে আপত্তি তুলেছিল। কিন্তু ব্রিটিশ বক্তা মেকলে যুক্তি দেখিয়েছিলেন, ভারতে ইংরেজিকে শিক্ষার মাধ্যম করা হলে আশু ভারতবাসীর চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি উন্নতমানের হবে। রাজা রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরও ভারতবাসীর এই চাহিদার কথা ব্রিটিশ প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছিলেন। সেসবের ইতিহাসই তুলে ধরেছেন নীরদচন্দ্র চৌধুরী।</p>
<p>১৮৯৭ সালের ২৩ নভেম্বর জন্ম নেওয়া এই লেখকের জন্মস্থান অবিভক্ত ভারতের পূর্ববঙ্গের (অধুনা বাংলাদেশ) কিশোরগঞ্জের একটি মহকুমা শহরে। একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে তার জন্ম। বেড়ে উঠেছেন ব্রাহ্মঘেঁষা শিক্ষিত উদারমনোভাবাপন্ন পারিবারিক পরিবেশে। উদারনৈতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠায় পরবর্তীতে মুক্ত ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গী এবং অকপট সত্যভাষণের অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন। এভাবেই তিনি তার গ্রন্থের ১৫৮ নং পৃষ্ঠায় তার মায়ের সঙ্গে কথোপকথন উল্লেখ করেছেন। সেই কথোপকথনের উদ্ধৃতি দেবো। কিন্তু প্রসঙ্গ ও প্রেক্ষাপট জানার সুবিধার জন্য তার আগের ও পরের উদ্ধৃতিগুলোও উল্লেখ করা আশু প্রয়োজন বলে মনে করছি। গ্রন্থকারের বয়ান ছিল এরূপ: আমার মনে পড়ে ছাত্রাবস্থায় ‘মর‌্যাল-কনশাসনেস’ কথাটা শিখিবার পর, মাতার সঙ্গে কথা বলিতে গিয়া কি বিভ্রাট হইয়াছিল। বিবাহের পর মানসিক অবস্থার পরিবর্তন হয় এ-বিষয়ে চিন্তা করিতে করিতে একদিন মাকে জিজ্ঞাসা করিলাম, ‘মা, বিয়ের পর তোমার কোন নৈতিক পরিবর্তন হয়েছিল কি?’ মা ব্রাহ্মপন্থী, ‘নীতি’, ‘নৈতিক’ বলিতে ব্রাহ্মরা যাহা বুঝিত তাহাই বুঝিতেন। তিনি বলিলেন, ‘সে-আবার কি? নৈতিক পরিবর্তন কি বুঝিতে পারছি না?’ হয়ত ‘নৈতিক’ কথাটা শুনিয়া তিনি কুলটা-বা-বারাঙ্গনা-বৃত্তি সম্বন্ধে ইঙ্গিতে করিতেছি ভাবিলেন (অষ্টম অধ্যায়: চরিত্রবল ও ঈশ্বরপ্রেম)।</p>
<p>‘আত্মঘাতী বাঙালী’ গ্রন্থটি প্রাবন্ধিক নীরদচন্দ্র চৌধুরীর দ্বিতীয় বাংলা গ্রন্থ। প্রথমটির নাম ‘বাঙালী জীবনে রমণী’ (১৯৬৮)। এর আগে ১৯৫১ সালে দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব অ্যান আননন ইন্ডিয়ান নামে ইংরেজি ভাষায় তার প্রথম গ্রন্থ প্রকাশ হয়। নীরদচন্দ্র চৌধুরী ১৯৭০ সাল থেকৈ আমৃত্যু ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে বসবাস করেন। এক সংবর্ধনায় তার সম্পর্কে একজন ভারতীয় বক্তা বলেছিলেন, তার মতো ইংরেজির দক্ষতা অনেক ভারতীয়ের নেই। সেই সভায় একজন ইংরেজ রাজপুরুষ উঠে দাঁড়িয়ে বলেন, বক্তার কথায় ভুল আছে। নীরদচন্দ্র চৌধুরীর মতো ইংরেজিতে পারদর্শিতা ভারতীয় তো দূরের কথা, ইংরেজদের মধ্যে দুর্লভ।</p>
<p>‘আত্মঘাতী বাঙালী’ গ্রন্থটি প্রকৃত অর্থে সমালোচনাধর্মী একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য সুনিবেদিত গ্রন্থ এটি। বিশেষ করে সাহিত্য সমালোচকদের কাছে অবশ্যপাঠ্য গ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত এটি। ‘আত্মঘাতী বাঙালী’ ১৯৮৮ সালের ২৩ নভেম্বর (অগ্রহায়ণ, ১৩৯৫) প্রথম প্রকাশ হয়। গ্রন্থটির প্রচ্ছদ অঙ্কন করেছেন সুব্রত চৌধুরী। মুদ্রণ করেছেন চয়নিকা প্রেস। গ্রন্থটির ভারতীয় মূল্য: ৬৫ রুপি।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%87%e0%a6%82%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/">ইংরেজি ভাষা কি গোলাম বানায়?</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ হাসিনা</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Aug 2024 19:46:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনার পদত্যাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10439</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1920" height="1080" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7.jpg 1920w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7-300x169.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7-1024x576.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7-768x432.jpg 768w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7-1536x864.jpg 1536w" sizes="auto, (max-width: 1920px) 100vw, 1920px" style="aspect-ratio: 1920/1080;" /></div>
<p>সরকারি চাকরিতে কোটা বৈষম্যের প্রতিবাদে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী পদ এবং দেশ দুটোই ছাড়তে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গতকাল সোমবার হেলিকপ্টার যোগে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা (৭৬)। তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানাও। এদিকে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর পরই অসংখ্যা মানুষ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9/">বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ হাসিনা</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1920" height="1080" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7.jpg 1920w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7-300x169.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7-1024x576.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7-768x432.jpg 768w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15e1032294a78f56c73f74b93851ffc02e49a8cf73d341f7-1536x864.jpg 1536w" sizes="auto, (max-width: 1920px) 100vw, 1920px" style="aspect-ratio: 1920/1080;" /></div><p>সরকারি চাকরিতে কোটা বৈষম্যের প্রতিবাদে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী পদ এবং দেশ দুটোই ছাড়তে হয়েছে শেখ হাসিনাকে।</p>
<p>গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গতকাল সোমবার হেলিকপ্টার যোগে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা (৭৬)। তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানাও।</p>
<p>এদিকে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর পরই অসংখ্যা মানুষ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ঢুকে পড়েন। এ সময় আনন্দ-উল্লাসের সঙ্গে সঙ্গে চলতে থাকে লুটপাটও।</p>
<p>বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকা সরকারপ্রধানের নাম শেখ হাসিনা। ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর ২০০৯ সালে সরকার গঠন করেন বিশ্বে সর্বোচ্চ ক্ষমতাবান এই নারী শাসক। ক্ষমতায় আসার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা দেশ শাসন করেছেন তিনি। মাঝখানে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম, ২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বর একাদশ ও ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেন তিনি। এর আগে ১৯৯৬ সালেও ১ মেয়াদের জন্য সরকার গঠন করেছিলেন শেখ হাসিনা।</p>
<p>দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে প্রধানমন্ত্রিত্ব করা শেখ হাসিনা (১৯৯৬-২০০১ ও ২০০৯-২০২৪) সব মিলিয়ে ২১ বছর ধরে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা শাসন করেছেন। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তার মতো এমন প্রধানমন্ত্রীর এমন পতন ও দেশ ছাড়ার ঘটনা বিস্ময়করও বটে। অনেক গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, বাংলার সর্বশেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেনের পর অভ্যুত্থানের মুখে প্রথম কোনো শাসক মসনদ ছেড়ে এভাবে পালিয়ে গেলেন।</p>
<figure id="attachment_10442" aria-describedby="caption-attachment-10442" style="width: 728px" class="wp-caption aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" class="wp-image-10442 size-full" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/image-834695-1722939856.jpg" alt="" width="728" height="410" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/image-834695-1722939856.jpg 728w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/image-834695-1722939856-300x169.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 728px) 100vw, 728px" /><figcaption id="caption-attachment-10442" class="wp-caption-text">মেট্রোরেল পরিদর্শনকালে বাষ্পাকুলনয়নে শেখ হাসিনা</figcaption></figure>
<p>তবে শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্য ছিল ঈর্ষণীয়। ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন শেখ হাসিনা। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে লড়াকু গণতন্ত্রকামী নেত্রী হিসেবে পরিচিতিও পেয়েছিলেন তিনি। সমালোচকরা মনে করেন, ক্ষমতার শেষদিকে শেখ হাসিনা ক্রমান্বয়ে একগুঁয়ে ও স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছিলেন। বিশেষ করে ভিন্নমতের কাউকেই তিনি গ্রাহ্য করতেন না। এমনকি দলের নেতাকর্মীদেরও। একের পর এক রাজনৈতিক গ্রেপ্তার, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন- সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসবই ছিল শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা শুধু চারজনকেই অন্ধের মতো বিশ্বাস করতেন। তারা হলেন- সালমান এফ রহমান, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সজীব ওয়াজেদ জয়। এই চারজন মিলে গণভবনে একটি বলয় গড়ে তুলেছিলেন যাকে বলা যেতে পারে ‘গ্যাং অব ফোর’ বা চারজনের সংঘ। এ ছাড়া ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানান, দলের নেতাকর্মীদেরকেও ভরসা করতেন না। প্রকৃত অর্থে শেখ হাসিনা নিজের রাজনৈতিক সত্ত্বাটাই হারিয়ে ফেলেছিলেন।</p>
<p>চলতি বছর জানুয়ারিতে নজিরবিহীন এক নির্বাচনে জিতে টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। প্রধান বিরোধী দলগুলোর বর্জনের পরও এই নির্বাচন করে দেশে ও বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হন।</p>
<h3><strong>যেভাবে</strong> <strong>ক্ষমতায়</strong> <strong>আসেন</strong></h3>
<p>পৈর্তৃক সূত্রে বাংলাদেশে রাজনীতির উত্তরাধিকার পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের ক্রমাগত বাণিজ্যিকীকরণের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করেছিলেন শেখ হাসিনা। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তার জন্ম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময়ই একজন ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালে এক সেনা অভ্যুত্থানে মা-বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হারান তিনি। বিদেশে থাকায় দুই বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেঁচে যান।</p>
<p>ক্ষমতার পালাবদল ও টানা রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিদেশে নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয় বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়েকে। ১৯৮১ সালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা। হাল ধরেন আওয়ামী লীগের। তখন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক ক্রান্তিলগ্ন পার করছিল দলটি।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="wp-image-10444 size-full aligncenter" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15-04-23-PM_Nomination-Board-Meeting-6-13848de30295001b34f98ec4e942441b.jpg" alt="" width="640" height="358" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15-04-23-PM_Nomination-Board-Meeting-6-13848de30295001b34f98ec4e942441b.jpg 640w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/15-04-23-PM_Nomination-Board-Meeting-6-13848de30295001b34f98ec4e942441b-300x168.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 640px) 100vw, 640px" /></p>
<p>আশির দশকে তখন জেনারেল এরশাদের শাসন চলছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে হাতে হাত ধরে গণঅভ্যুত্থানে নামেন শেখ হাসিনা। গণতন্ত্রের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন জোরদার করেন। এর ফলে দ্রুতই গণতন্ত্রকামী জাতীয় প্রতীকে পরিণত হন তিনি।</p>
<p>কিন্তু ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয় পায়নি আওয়ামী লীগ। অপেক্ষা করতে হয় ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত। অবশেষে নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। দুই দশকের বেশি সময় পর তার হাত ধরেই ক্ষমতায় ফেরে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো দল আওয়ামী লীগ।</p>
<p>প্রথম মেয়াদে অন্তত দুটি কারণে প্রশংসিত হন শেখ হাসিনা-</p>
<p>১. ভারতের সঙ্গে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি;</p>
<p>২. পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীলতা দূর করতে শান্তি চুক্তি করা।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-10445 size-full" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/ac007f5b89987b4c5e433296422be2c2-66474ba5586fa.webp" alt="" width="640" height="358" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/ac007f5b89987b4c5e433296422be2c2-66474ba5586fa.webp 640w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/ac007f5b89987b4c5e433296422be2c2-66474ba5586fa-300x168.webp 300w" sizes="auto, (max-width: 640px) 100vw, 640px" /></p>
<p>তবে একই সময়ে বেশ কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবসায়িক চুক্তি সই ও খুবই ভারতপন্থী মনোভাবের কারণে সমালোচনার মুখে পড়ে শেখ হাসিনা সরকার। ২০০১ সালে বিএনপির কাছে নির্বাচনে পরাজিত হয় আওয়ামী লীগ।</p>
<p>২০০৯ সালে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় ফেরে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনা আবার প্রধানমন্ত্রী হন। সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ওই নির্বাচন হয়েছিল।</p>
<p>শেখ হাসিনা একজন পরীক্ষিত রাজনীতিক। বেশ কয়েকবার কারাগারে যেতে হয়েছে তাকে। হামলার শিকার হয়েছেন কয়েকবার। ২০০৪ সালে ঢাকায় তাকে হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। প্রাণে বাঁচলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার কান। এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে পাঠানোর জন্য আইনি লড়াইও মোকাবিলা করতে হয়েছে তাকে।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="wp-image-10446 size-full aligncenter" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/pm.jpg" alt="" width="1200" height="630" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/pm.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/pm-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/pm-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/pm-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" /></p>
<h3><strong>শেখ</strong> <strong>হাসিনার</strong> <strong>অর্জন</strong> <strong>ও</strong> <strong>সাফল্য</strong></h3>
<p>একসময় বাংলাদেশ খুবই দরিদ্র একটি দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে শেখ হাসিনার হাত ধরে ধীরে ধীরে সেই পরিচয় ঝেড়ে ফেলতে শুরু করে বাংলাদেশ। বিশেষত ২০০৯ সালের পর থেকে শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নজর কাড়ে সবার।</p>
<p>বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। গত এক দশকে মাথাপিছু আয় তিন গুণ বেড়েছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, গত দুই দশকে আড়াই কোটির বেশি বাংলাদেশি দারিদ্র্যসীমা থেকে বেরিয়ে এসেছে।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-10447 size-publisher-lg" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/PM-Padma-Bridge-735x430.jpg" alt="" width="735" height="430" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/PM-Padma-Bridge-735x430.jpg 735w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/PM-Padma-Bridge-357x210.jpg 357w" sizes="auto, (max-width: 735px) 100vw, 735px" /></p>
<p>শেখ হাসিনার আমলের অর্থনৈতিক অর্জনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে দেশের ক্রমবিকাশমান পোশাকশিল্প। প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ।</p>
<p>সেই সঙ্গে দেশজুড়ে বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে শেখ হাসিনার সরকার। নিজস্ব অর্থায়ন, ঋণ ও উন্নয়ন সহায়তার অর্থে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ২৯০ কোটি ডলারের পদ্মা সেতু।</p>
<h3><strong>হাসিনাকে</strong> <strong>নিয়ে</strong> <strong>বিতর্কের</strong> <strong>কারণ</strong></h3>
<p>ক্ষমতায় আসার পর এবারই প্রথম এত গুরুতর আন্দোলনের মুখোমুখি হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সূত্রপাত। পরে ব্যাপক রক্তপাতের পর সেটা এক দফা বা সরাসরি সরকারের পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়।</p>
<p>আন্দোলন দমনে কঠোর পথ বেছে নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তিনি আন্দোলনকারীদের সরাসরি ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করেন। পুলিশ নির্বিচার গুলি চালায়। নিহত হন কয়েক শ’ মানুষ। এরপর হাজার হাজার মানুষকে ফৌজদারি অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়।</p>
<p>তবে শুধু কোটা সংস্কারের দাবি নয়, করোনা-পরবর্তী সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয়ের কারণে ক্ষুব্ধ ছিলেন সাধারণ মানুষ। মূল্যস্ফীতি আকাশ ছুঁয়েছে। ব্যাপক ধস নেমেছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও। ২০১৬ সালের পর বিদেশি ঋণ দ্বিগুণ হয়েছে।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="wp-image-10448 size-publisher-lg aligncenter" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/Hasina-1-750x429.jpg" alt="" width="750" height="429" /></p>
<p>সমালোচকরা বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে চারপাশ থেকে এমন ভরাডুবি। এ ছাড়া কয়েক দশকের অর্থনৈতিক উল্লম্ফনের জেরে আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজনদের সীমাহীন দুর্নীতির কারণেও মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।</p>
<p>গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের মূল্য চুকিয়ে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছিলেন শেখ হাসিনা, এমনটাই মত বিশ্লেষক ও সমালোচকদের অনেকের।</p>
<p>শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর কর্তৃত্ববাদী দমন-পীড়নের অভিযোগ বেশ পুরোনো। অথচ এই শেখ হাসিনা একসময় বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্য রাজনীতি করে এসেছেন।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="wp-image-10487 size-full aligncenter" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/VP_1704352556.jpg" alt="" width="800" height="420" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/VP_1704352556.jpg 800w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/VP_1704352556-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/08/VP_1704352556-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p>অধিকার সংগঠনগুলো বিভিন্ন সময় জানিয়েছে, শেখ হাসিনার আমলে (২০০৯ সালের পরবর্তী সময়ে) বাংলাদেশে অন্তত ৬০০ গুমের ঘটনা ঘটেছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে শতাধিক।</p>
<p>শেখ হাসিনার আমলে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর একের পর এক আটক, নির্যাতনের অভিযোগ নতুন নয়। ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।</p>
<p>আটক, নজরদারি, হয়রানির শিকার হন মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকরাও। গণমাধ্যমকে চেপে ধরতে শেখ হাসিনার সরকার কঠোরতর আইন করে।</p>
<h3><strong>পতনের </strong><strong>নেপথ্যে</strong></h3>
<p>নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আদালতের মাধ্যমে বারবার ‘আইনি হয়রানি করা হচ্ছে’- শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে এটা ছিল বড় একটি অভিযোগ। চলতি বছরের শুরুতে ড. ইউনূসের কারাদণ্ড হয়। তবে সমালোচকরা মনে করেন, এই নোবেলজয়ী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।</p>
<p>চলতি বছর নির্বাচনের আগে বিএনপির বহু জ্যেষ্ঠ নেতাকে আটক করা হয়। আটক হন দলটির হাজারো নেতাকর্মী। এসব কর্মকাণ্ডকে শেখ হাসিনার ভিন্ন মত দমনের কৌশল হিসেবে ধরা হয়।</p>
<p>তবে এসব অভিযোগ বরাবর অস্বীকার করে এসেছেন শেখ হাসিনা। কিন্তু অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে এবং তা নিয়ে প্রতিবেদন করার জন্য বিদেশি সাংবাদিকরা বাংলাদেশ ভ্রমণ করতে চাইলে কখনোই অনুমতি দেওয়া হয়নি।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9/">বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ হাসিনা</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মোসাদ এজেন্ট কোহেন-কথা</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%8f%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 May 2024 16:42:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[এলি কোহেন]]></category>
		<category><![CDATA[কোহেন]]></category>
		<category><![CDATA[কোহেন-কথা]]></category>
		<category><![CDATA[মোসাদ]]></category>
		<category><![CDATA[মোসাদ এজেন্ট]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10426</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-2.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-2.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-2-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-2-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-2-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div>
<p>সিরিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তির জন্য পরিচিত এলি কোহেন। ১৯৬১-১৯৬৫ সালের মধ্যে রাজনৈতিক নেতা ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে হয়েছিলেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উপদেষ্টা। ১৯৬৫ সালে সিরিয়ার কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং একই বছর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ধারণা করা হয়, গ্রেপ্তারের আগে কোহেনের সংগ্রহ করা গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্যগুলো ইসরায়েলকে ছয়দিনের যুদ্ধে সাফল্য এনে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%8f%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/">মোসাদ এজেন্ট কোহেন-কথা</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-2.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-2.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-2-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-2-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-2-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div><p>সিরিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তির জন্য পরিচিত এলি কোহেন। ১৯৬১-১৯৬৫ সালের মধ্যে রাজনৈতিক নেতা ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে হয়েছিলেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উপদেষ্টা।</p>
<p>১৯৬৫ সালে সিরিয়ার কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং একই বছর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।</p>
<p>ধারণা করা হয়, গ্রেপ্তারের আগে কোহেনের সংগ্রহ করা গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্যগুলো ইসরায়েলকে ছয়দিনের যুদ্ধে সাফল্য এনে দেয়।</p>
<p>১৯২৪ সাল। এই বছরেই উসমানীয় খেলাফতকে চূড়ান্তভাবে বিলুপ্ত করা হয়। যাত্রা শুরু করে তুরস্ক প্রজাতন্ত্র। ঠিক এই বছরেই মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় এক ধর্মপ্রাণ জায়নবাদী ইহুদি পরিবারে জন্ম এলি কোহেনের।</p>
<p>এলি কোহেনের বাবা সিরিয়ার আলেপ্পো শহর ছেড়ে মিশরে এসেছিলেন। ১৯৪৭ সালের দিকে মিশরের সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন তিনি। তবে আনুগত্যের প্রশ্নে সন্দেহভাজন হওয়ায় দ্রুতই তাকে বাদ দেওয়া হয়।</p>
<p>ইহুদি হওয়ায় মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্যরা তাকে হয়রানি করতে থাকে। এ-সমস্যার সমাধান হিসেবে ১৯৪৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করে ঘরে অধ্যয়নের সিদ্ধান্ত নেন কোহেন।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-10428" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/images-1.jpg" alt="" width="1200" height="884" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/images-1.jpg 262w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/images-1-86x64.jpg 86w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" /></p>
<p>১৯৪৮ সালে যখন ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলো, তখন মিশরের অনেক পরিবার ইসরায়েলে স্থানান্তর হতে শুরু করে। তার পরিবার মিশর ত্যাগ করে ১৯৪৯ সালে।</p>
<p>পরিবার ইসরায়েলে স্থানান্তর হলেও এলি কোহেন তখনও মিশরে রয়ে যান। ইলেক্ট্রনিক্সের ওপর পড়াশুনা শেষ না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে মিশরের ইহুদিদের সহায়তা ও জায়নবাদী কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকলেন তিনি।</p>
<p>এর মধ্যেই মিশরে রাজা ফারুকের রাজত্ব খর্ব করতে অভ্যুত্থান শুরু করেন মোহাম্মদ নাগুইব ও জামাল আবদেল নাসের। ১৯৫২ সালে তাদের সেই অভ্যুত্থানে এলি কোহেন গ্রেপ্তার হন। জিজ্ঞাসাবাদে ইসরায়েলে অত্যাচারিত মিশরীয় সংখ্যালঘু ইহুদিদের ইসরায়েলে পাঠানোর ষড়যন্ত্রে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।</p>
<p>দোষী সাব্যস্ত হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ হাজির করা সম্ভব হয়নি।</p>
<p>সন্দেহ হয়, ১৯৫৪ সালে আত্মঘাতী সুসান অভিযানেও কোহেন জড়িত থাকতে পারেন। যার লক্ষ্য ছিল পশ্চিমা দেশগুলোর সামনে মিশরকে বেকায়দায় ফেলা। তবে এবারও কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি মিশরীয় কর্তৃপক্ষ।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-10429 size-full" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent.jpg" alt="" width="1200" height="630" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Mosad-Agent-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" /></p>
<p>১৯৫৬ সুয়েজ খাল খননকে কেন্দ্র করে সংকটময় পরিস্থিতিতে পড়ে মিশর। এ সময় দেশটির সরকার সংখ্যালঘু ইহুদিদের ওপর অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং অনেক ইহুদির নাগরিকত্ব বাতিল করে তাদের তাড়িয়ে দেয়।</p>
<p>তখন একটি ইহুদি সংস্থার মাধ্যমে ইতালির নেপলস শহর দিয়ে হাইফা বন্দরে এসে পৌঁছান কোহেন।</p>
<p>১৯৫৭ সালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যোগদান করেন এবং দেশটির সামরিক গোয়েন্দা শাখায় কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু খুব দ্রুতই এই কাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং মোসাদে ঢোকার চেষ্টা করতে থাকেন।</p>
<p>মোসাদে ঢোকার চেষ্টা করেও বিফল হন। রেগেমেগে সেনাবাহিনীর কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস পদ থেকে ইস্তফা দেন।</p>
<p>পরের দুই বছর তেল আবিবের একটি বিমা সংস্থায় কোহেন কেরানী হিসেবে চাকরি করেন। ১৯৫৯ সালে কোহেন উদারপন্থী লেখক সামি মাইকেলের বোন ইরাকি-ইহুদি নারী নাদিয়া মাজাল্ডকে বিয়ে করেন। সোফি, ইরিত ও শাই নামে তাদের ৩ সন্তান আছে। বিয়ের পর তেল আবিব শহরের দক্ষিণে বাতইয়ামে বসবাস করতে থাকেন তারা।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-10430 size-full" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/mossad-2jpg-20210223061010.jpg" alt="" width="2000" height="1600" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/mossad-2jpg-20210223061010.jpg 2000w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/mossad-2jpg-20210223061010-300x240.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/mossad-2jpg-20210223061010-1024x819.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/mossad-2jpg-20210223061010-768x614.jpg 768w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/mossad-2jpg-20210223061010-1536x1229.jpg 1536w" sizes="auto, (max-width: 2000px) 100vw, 2000px" /></p>
<p>আগেই বলেছি, মোসাদের চাকরিতে তাকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তদানীন্তন মোসাদ প্রধান মেইর অমিত তাকে ডেকে নেন এবং ট্রেনিং করার নির্দেশ দেন।</p>
<p>ট্রেনিং শেষে তাকে সিরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে গুপ্তচর হওয়ার জন্য সম্পূর্ণভাবে উপযুক্ত বিবেচনা করা হয়।</p>
<p>একাধিক মিশন পরিচালনার পর মোসাদের এজেন্ট কোহেনের প্রকৃত পরিচয় ফাঁস হয়ে যায়। সিরিয়ায় নতুন নিযুক্ত হন গোয়েন্দা উপদেষ্টা কর্নেল আহমেদ সু’এদানি। ১৯৬৫ সালের জানুয়ারিতে সিরিয়া কর্তৃপক্ষ গোয়েন্দা তথ্য চুরি উদ্ঘাটন শুরু করে।</p>
<p>সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে এনে বিভিন্ন শনাক্তকরণ যন্ত্র দিয়ে অন্য দেশে পাঠানো কিছু রেডিও সংকেত পর্যবেক্ষণ করতে থাকে সিরিয়া কর্তৃপক্ষ। এসব রেডিও সংকেতের উৎস তারা বের করে।</p>
<p>২৪ জানুয়ারি সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী কোহেনের বাসায় ঢুকে রেডিও সংকেত পাঠানো অবস্থায় হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। এরপর ১৯৬৫ সালের ১৮ মে প্রকাশ্যে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।</p>
<p>মৃত্যুর তিনদিন আগে স্ত্রীর উদ্দেশে সবশেষ চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, ‘প্রিয় নাদিয়া, তোমার প্রতি আমার অনুরোধ, যেটা হয়ে গেছে সেটা নিয়ে শোক কোরো না। তুমি বরং নিজের খেয়াল রেখো ও নিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য আশা রেখো।’</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%8f%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/">মোসাদ এজেন্ট কোহেন-কথা</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অশোক-কথা, মৌর্য-কথা</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%85%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 24 May 2024 15:38:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[বৌদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[মৌর্য সাম্রাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[সম্রাট অশোক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10421</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="800" height="481" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/161805This_excerpt_from_a_book_demolishes_Ashoka.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/161805This_excerpt_from_a_book_demolishes_Ashoka.jpg 800w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/161805This_excerpt_from_a_book_demolishes_Ashoka-300x180.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/161805This_excerpt_from_a_book_demolishes_Ashoka-768x462.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" style="aspect-ratio: 800/481;" /></div>
<p>মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে। গ্রিকরা তাকে ‘কোট্টাস’ নামে ডাকতেন। যার বাংলা অর্থ মুক্তিদাতা। অর্থাৎ প্রাচীন গ্রিসের বাসিন্দারা একজন পরিত্রায়কের খোঁজে পথ চেয়ে ছিলেন। যিনি এসে তাদের মুক্তি দেবেন, স্বপ্ন দেখাবেন নতুন করে পথচলার। শোনা যায়, প্রাচীন গ্রিসের একটি অংশও তার দখলে ছিল। মৌর্য বংশের প্রথম নৃপতি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজ্যসীমা উত্তর-পশ্চিমে পারস্য, [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%85%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/">অশোক-কথা, মৌর্য-কথা</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="800" height="481" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/161805This_excerpt_from_a_book_demolishes_Ashoka.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/161805This_excerpt_from_a_book_demolishes_Ashoka.jpg 800w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/161805This_excerpt_from_a_book_demolishes_Ashoka-300x180.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/161805This_excerpt_from_a_book_demolishes_Ashoka-768x462.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" style="aspect-ratio: 800/481;" /></div><p>মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে। গ্রিকরা তাকে ‘কোট্টাস’ নামে ডাকতেন। যার বাংলা অর্থ মুক্তিদাতা। অর্থাৎ প্রাচীন গ্রিসের বাসিন্দারা একজন পরিত্রায়কের খোঁজে পথ চেয়ে ছিলেন। যিনি এসে তাদের মুক্তি দেবেন, স্বপ্ন দেখাবেন নতুন করে পথচলার। শোনা যায়, প্রাচীন গ্রিসের একটি অংশও তার দখলে ছিল। মৌর্য বংশের প্রথম নৃপতি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজ্যসীমা উত্তর-পশ্চিমে পারস্য, পশ্চিমে আরব সাগর, পূর্বে বাংলা এবং দক্ষিণে মহীশূর ও মাদ্রাজ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।</p>
<p>অখণ্ড ভারতবর্ষ স্থাপনের ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন এই চন্দ্রগুপ্ত। তিনি ভারতের সীমানাকে একেবারে আরব পর্যন্ত নিয়ে গেছেন। এমনকি আলেকজান্ডারের সঙ্গেও তার যুদ্ধ হয়েছিল। গ্রিকবীর আলেকজান্ডারের সেনাপতি সেলুকাস নিকটোরকে পরাজিত করেন এবং সন্ধিসূত্রে আবদ্ধ হন। সন্ধির শর্ত অনুযায়ী চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য কাবুল, কান্দাহার, হিরাট ও বালুচিস্তান ছেড়ে দেন। সেই সঙ্গে সেলুকাস তার নিজ কন্যা হেলেনের সঙ্গে চন্দ্রগুপ্তের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করান এবং মেগাস্থিনিসকে নিজের দূত হিসেবে প্রেরণ করেন। পরবর্তী সময়ে মেগাস্থিনিস তার ‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থে ভারত সম্পর্কে নিজের অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও উপলব্ধি তুলে ধরেছেন।</p>
<p><strong>চন্দ্রগুপ্তের পরে:</strong> শেষজীবনে পুত্র বিন্দুসারকে রাজত্বভার অর্পণ করে জৈনধর্ম গ্রহণ করেন চন্দ্রগুপ্ত (খ্রিস্টপূর্ব ২৯৮-২৭৩ অব্দ)। এরপর জৈনপণ্ডিত ভদ্রবাহুর সঙ্গে মহীশূরের শ্রাবণগোলায় যান এবং সেখানে ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে অনশনে দেহত্যাগ করেন (জৈনশাস্ত্র পরিশিষ্টপার্বণ)। চন্দ্রগুপ্তের প্রয়াণের পর উত্তরাধিকারী হিসেবে নৃপতি হিসেবে রাজত্ব করেন বিন্দুসার।</p>
<p>চন্দ্রগুপ্তের পুত্র বিন্দুসারের (খ্রিস্টপূর্ব ২৯৮-২৭৩ অব্দ) আরেকটা নাম ছিল। আর তা হলো ‘অমিত্রঘাত’ বা শত্রুহননকারী। তার রাজত্বকালেই দক্ষিণ ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের চূড়ান্ত বিস্তৃতি হয়েছিল। তিনি ছিলেন আজীবিক ধর্মের অনুসারী। পিঙ্গল বৎস নামে এক আজীবিক ভবিষ্যদ্বক্তা বা জ্যোতিষী তার রাজদরবার অলঙ্কৃত করেছিলেন।</p>
<p>নৃপতি বিন্দুসারের রাজত্বকালেই গ্রিক নাবিক পেট্রোক্লেস ভারত মহাসাগরে অভিযান করে বহু তথ্য সংগ্রহ করেন। তার রাজত্ব বিস্তার নিয়ে ঐতিহাসিকরা বলেছেন, বিন্দুসার আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরের মধ্যভূমি দখলে নিয়েছিলেন।</p>
<p><strong>কলিঙ্গের যুদ্ধ:</strong> পিতা বিন্দুসারের মৃত্যুর পর মৌর্য সাম্রাজ্যের পরবর্তী নৃপতি হন সম্রাট আশোক। পিতার মৃত্যুর পর সিংহাসন লাভের জন্য তিনি ভ্রাতৃ যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন। জনশ্রুতি আছে, কলিঙ্গের যুদ্ধে তিনি তার ৯৯ ভাইকেই হত্যা করেছিলেন। শুধু ছোটভাই তিসসাকে রেহাই দেন। ‘দিব্যবদন’ ও ‘সিংহলী’ নামে প্রাচীন যুগের উপাখ্যানে তার এই ভ্রাতৃ যুদ্ধের বিষয়ে বর্ণনা আছে।</p>
<p>প্রথম জীবনে সম্রাট অশোক (খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩-২৩২ অব্দ) ছিলেন উজ্জয়িনীর শাসনকর্তা। পরে তক্ষশীলায় প্রজাবিদ্রোহ দেখা দিলে তিনি তার যোগ্যতা প্রমাণ করেন। অশোকের রাজত্বকালে সর্বপ্রথম ঘটনা হলো কলিঙ্গের যুদ্ধ। এই যুদ্ধ ২৬০ বা ২৬১ খ্রিস্টাপূর্বাব্দে হয়েছিল। কলিঙ্গের যুদ্ধে তারই জয় হয় এবং কলিঙ্গের রাজধানী হয় তেসালি। কিন্তু যুদ্ধের ভয়াবহতা উপলব্ধি করে সম্রাট অশোকের মনে অনুতাপ জন্মে। বৌদ্ধ ভিক্ষু উপগুপ্তের কাছে বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেন তিনি। এই সময়েই বুদ্ধ, ধর্ম ও সংঘের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে ওঠেন সম্রাট অশোক। চণ্ডাশোক যেন ধর্মশোকে পরিণত হয়ে যায়। বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য পুত্র মহেন্দ্র ও কন্যা সংঘমিত্রাকে সিংহলে পাঠান অশোক। তার রাজত্বকালেই ২৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তৃতীয় বৌদ্ধ সংগীতি অনুষ্ঠিত হয়। এই সংগীতির পর বেশ কয়েকজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে নির্বাচিত করে বিভিন্ন স্থানে পাঠান তিনি। তার অভিপ্রায় ছিল বৌদ্ধধর্ম প্রচার। ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সম্রাট অশোক প্রয়াত হন।</p>
<p><strong>তথ্যসূত্র:</strong><br />
১. ইরফান হাবিব ও বিবেকানন্দ ঝা, ভারতবর্ষের মানুষের ইতিহাস-৪: মৌর্যযুগের ভারতবর্ষ;<br />
২. বায়োগ্রাফি, থট কো;<br />
৩. শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রম ইনস্টিটিউট (হাই স্কুল)।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%85%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/">অশোক-কথা, মৌর্য-কথা</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বর্গী হানার গল্প</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 May 2024 17:30:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[নবাব আলীবর্দী খান]]></category>
		<category><![CDATA[মারাঠা]]></category>
		<category><![CDATA[মারাঠা আক্রমণ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10407</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Maratha.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Maratha.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Maratha-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Maratha-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Maratha-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div>
<p>মারাঠা নেতা রঘুজী ভোঁসলের সঙ্গে মাসিক ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে শান্তি চুক্তি করেন নবাব আলীবর্দী খান</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">বর্গী হানার গল্প</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Maratha.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Maratha.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Maratha-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Maratha-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/05/Maratha-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div><p>১৭৩৯ সালে গিরিয়ার যুদ্ধে সবে সরফরাজ খানকে পরাজিত করেছেন নবাব আলীবর্দী খান। তখনকার বাংলায় মারাঠা বর্গীর আক্রমণ ছিল সবচেয়ে আতঙ্কের। এই কারণে খোকা ঘুমাল, পাড়া জুড়াল/ বর্গী এলো দেশে,/ বুলবুলিতে ধান খেয়েছে/ খাজনা দেবো কীসে?- ঘুমপাড়ানি ছড়া এখনও প্রসিদ্ধ।</p>
<p>১৭৪২-১৭৫১ সালের মধ্যে মারাঠারা বারবার বাংলা আক্রমণ চালায়। মারাঠাদের লক্ষ্য ছিল মুঘল সম্রাটের কাছে জমা না পড়া চৌথ (ফসলের এক-চতুর্থাংশ কর) আদায়। বাংলার বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, রাজশাহী, হুগলি ও নদিয়া এবং বিহারের রাজমহলসহ আরও বেশ কয়েকটি অঞ্চলে তারা লুটপাট তো করেই। সেই সঙ্গে এখানকার বহু নারীকে তারা ধর্ষণ করে। প্রায় ৪ লাখ নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করে মারাঠারা। তাদের অত্যচার থেকে বাঁচতে নবাব আলীবর্দী খান মাসিক ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে মারাঠাদের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করেছিলেন।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">বর্গী হানার গল্প</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
