সম্প্রতি বিখ্যাত পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালী পদ্মাবতী ওরফে রাণী পদ্মিনীকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র তৈরি করছেন যার নাম “পদ্মাবতী”। কি ছিল সেই রাণীর ইতিহাস। ঐতিহাসিকরাও এই ঘটনার সত্যতা খোঁজার চেষ্টা করে যাচ্ছেন অনেকদিন ধরে। পদ্মাবতী কি শুধুই একটি কবিতার চরিত্র নাকি তার সাথে বাস্তবেই করুণ কাহিনী ঘটেছিল। বিভিন্ন সূত্রানুসারে কাহিনী পাওয়া গেছে। তারই সমন্বিত রূপ এই উপাখ্যান।
সিংহালের রাজা গন্ধর্ব সেন ও রানী চম্পাবতীর কন্যা রাজকুমারী পদ্মাবতী। সেই পদ্মাবতীর সাথে হীরামন নামের একটি কথা বলা তোতাপাখির গভীর বন্ধুত্ব হয়। এতই গভীর ছিল তাদের সম্পর্ক যে তারা বাবা এতে বিচলিত বোধ করে সেই তোতাপাখিটিকে মেরে ফেলার জন্য নির্দেশ দেয়। তাই তোতাপাখিটি নিজের জীবন বাচাতে উড়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু এক পাখি-শিকারি তাকে ধরে ফেলে এবং সে এক ব্রাহ্মণের কাছে পাখিটি বেঁচে দেয়। এক পর্যায়ে সেই ব্রাহ্মণ পাখিটিকে নিয়ে চিতোরে আসে। চিতোর হচ্ছে পশ্চিম ভারতের রাজস্থানের একটি জায়গা। চিতোরের রাজা রতন রাওয়াল সিং তোতাপাখিটি নজরে আসে। পাখিটির কথা বলার দক্ষতা দেখে মুগ্ধ হয়ে পাখিটিকে কিনে নেন রাজা রতন সিং।
একসময় তোতাপাখিটি রাজা রতন সিংকে পদ্মাবতীর রূপের মোহনীয় বর্ণনা দেয়। তা শুনে তিনি পদ্মাবতীকে বিয়ে করার জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হয়ে উঠেন। তোতাপাখির দেখানো পথে সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ১৬ হাজার অনুচর নিয়ে তিনি সিংহাল রাজ্যে পৌঁছান। প্রাসাদের পার্শ্ববর্তী একটি মন্দিরে পদ্মাবতীর খোঁজ পাওয়ার জন্য তপস্যা শুরু করেন। ঠিক এই সময়েই পদ্মাবতী একদিন সেই মন্দিরে আসে। তোতাপাখিটির সাথে তার দেখা হয় আর পাখিটি তাকে রতন সিং এর সমস্ত কাহিনী বলে দেয়। কিন্তু তারপরও পদ্মাবতী রতন সিং এর সাথে দেখা না করে দ্রুত রাজপ্রাসাদে চলে আসেন। সমস্ত ঘটনা শোনার পর থেকেই রতন সিং তার মনে একটা আলাদা জায়গা করে নেয়। হয়তো সেটা ছিল একটা ভালবাসারই লক্ষণ।
রতন সিং বুঝতে পারে যে উনি পদ্মাবতীর সাথে দেখা করার সুযোগ হাতছাড়া করে ফেলেছেন। এতে প্রচণ্ড হতাশ হয়ে তিনি নির্বাসনে যাওয়ার কথা ভাবেন। কিন্তু তারপর ভগবান শিব ও পার্বতীর কথা শুনে তার এই মত তিনি পাল্টান। শিবের কথামত তিনি তার অনুচারীদের নিয়ে সিংহাল রাজ্য আক্রমণ করে পরাজিত হন এবং তাদেরকে বন্দী করা হয়। রাজা গন্ধর্ব সেন যখন রতন সিং এর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছিল তখন সেই তোতাপাখি রাজাকে বলে দেয় যে উনি চিতোরের রাজা এবং সমস্ত কাহিনী বর্ণনা করে। এই শুনে গন্ধর্ব সেন তার কন্যা পদ্মাবতীকে রতন সিং এর সাথে বিয়ে দিয়ে দেন এবং প্রায় ১৬ হাজার পদ্মিনী তরুণীকে রতন সিং এর ১৬ হাজার অনুচরের জন্য ব্যবস্থা করে দেন। বিয়ের পর পদ্মাবতীর নাম হয় রাণী পদ্মিনী।
এর কিছুদিন পরে এক বার্তাবাহক পাখির মাধ্যমে রাজা রতন সিং জানতে পারেন যে তার প্রথম স্ত্রী নাগমতী তার জন্য চিতোরে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। রতন সিং তাই তার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী পদ্মাবতীকে নিয়ে চিতোরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। যাত্রাপথে সমুদ্র রতন সিংকে বিশ্বের সেরা সুন্দরীকে বিয়ে করে অহংকার করার জন্য শাস্তি দেয়। শাস্তিস্বরুপ রতন সিং এর ১৬ হাজার অনুচর ও তাদের ১৬ হাজার পদ্মিনী সহচরী সবাই সামুদ্রিক ঝড়ে মারা যায়। শুধু রতন সিং আর পদ্মাবতী বেঁচে যায়। সমুদ্র দেবতা রতন সিং আর পদ্মাবতীকে বাঁচান। সাগর দেবতার কন্যা লক্ষ্মীর দ্বীপে পদ্মাবতী ছিল। লক্ষ্মী, পদ্মাবতীর প্রতি রতন সিং এর ভালবাসা পরীক্ষা করার জন্য নিজেই পদ্মাবতীর রূপ ধরে রতনের সামনে আসে পরীক্ষা করেন। কিন্তু রতন সিং তাতে বোকা বনেননি। তিনি এটি বুঝে ফেলেন। এতে খুশি হয়ে সমুদ্র-দেবতা ও তার কন্যা লক্ষ্মী তাদের মিলন ঘটান এবং অনেক উপঢৌকন দেন। তারা এরপর চিতোরে ফিরে আসেন।
তখনকার দিনে কালো জাদু করা একটা গর্হিত কাজ ছিল। রাঘব চেতন নামের রতন সিং এর সভার এক ব্রাহ্মণ সংগীতজ্ঞ তার প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কালো জাদু করত। এর জন্য তার সভা থেকে রাঘব চেতন নামের এক রাজা রতন সিং বহিষ্কার করেন এবং শাস্তি হিসেবে তার মুখে চুনকালি মেখে গাধার পিঠে করে ঘুরানোর আদেশ দেওয়া হয় । প্রতিশোধের নেশায় রাঘব চেতন দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজীর দরবারে গিয়ে উপস্থিত হয়। সেখানে সে পদ্মাবতীর অপরূপ রূপের কথা জানায় দরবারে। আলাউদ্দিন খিলজী তা শুনে এতই বিমুগ্ধ হোন যে তিনি পদ্মাবতীকে এক পলক হলেও দেখতে চান।
তিনি রতন সিং এর কাছে বার্তা পাঠান যে উনি এক পলক তার রাণীকে দেখতে চান। তখনকার দিনে এরকম কোন সংস্কৃতি ছিলনা। রাজপুত স্ত্রীদের বাইরের লোকেদের সাথে দেখা করতে দিত না। কিন্তু রতন সিং জানত এর পরিণাম ভাল হবেনা, তাই রাজ্য ও তার জনগণের কথা ভেবে তিনি রাজি হলেন এই অপমানজনক শর্তে।
পদ্মাবতী রাজি ছিলেন না মুখোমুখি দেখা করতে। তাই আয়নার ব্যবস্থা করা হল। প্রসাদের ভেতর এমন জায়গায় আয়না স্থাপন করা হল সুলতান আলাউদ্দিন খিলজী যাতে পানিতে রাণী পদ্মিনীর প্রতিবিম্ব দেখতে পান।

আয়নাতে মাত্র এক পলক দেখেই এত মুগ্ধ হয়ে যান সুলতান যে তিনি সিদ্ধান্ত বদল করেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি পদ্মাবতীকে ছাড়া দিল্লীতে ফিরে যাবেন না।
ফিরে আসার সময় রতন সিং সুলতান আলাউদ্দিনের সাথেই আসছিলেন। এটাই সুযোগ ভেবে সুলতান চালাকির করে রতন সিং কে আটক করে দিল্লী নিয়ে যান। তারপর প্রাসাদে সুলতান বার্তা পাঠান যে যদি তারা তাদের রাজাকে জীবিত দেখতে চায় তাহলে পদ্মাবতীকে তাদের সাথে দিল্লীতে যেতে হবে।
এহেন বিপদের মাঝে তাই পদ্মাবতী রাজ্যের সভাসদের জেনারেল গোরা ও বাদলের সাহায্যে একটি পরিকল্পনা করেন। তারা সুলতানের কাছে বার্তা পাঠান যে তার প্রস্তাবে রাণী রাজি। রানী দূত মারফৎ জানালেন, সুলতান যদি তাঁর সাতশ দাসীকে বহন করার জন্য সাতশ পালকীর ব্যবস্থা করতে পারেন তবে তিনি সুলতানের সহগামী হবেন। কারণ রানী হিসেবে বাদী ছাড়া যাওয়া সম্ভব নয়। সুলতান খিলজী উপায় না দেখে সাতশ পালকীর ব্যবস্থা করে পদ্মাবতীর মহলে পাঠালেন। এদিকে রানী পদ্মাবতী নিজ বুদ্ধিমত্তায় প্রতিটি পালকীতে নারীর ছদ্মবেশে পালকী বাহকসহ ছ‘জন করে যোদ্ধা পাঠালেন। সে সঙ্গে ছ’জনের উপযোগী যুদ্ধাস্ত্র। রানীর চাচা গৌর পালকী বহর নিয়ে সুলতান খিলজীর দরবারে উপস্থিত হয়ে জানালেন, রানী পদ্মাবতী শেষবারের মত স্বামীকে দর্শন করতে চান। সুলতানের অনুমতিক্রমে পালকী বহর উপস্থিত হয় বন্দি শিবিরে। সাতশ পাল্কীর ৪২০০ যোদ্ধা দ্রুতই রানা রাওয়ালকে মুক্ত করে দুর্গে পাঠিয়ে দেন। গোরা মুক্ত করার সময় যোদ্ধাদের হাতে মারা যান। বাদল রতন সিং কে নিয়ে চিতোরে নিরাপদে ফিরে আসেন।
আবার রতন সিং দিল্লীতে বন্দী থাকা অবস্থায় চিতোরের প্রতিবেশী কুম্ভালনার রাজ্যের রাজপুত রাজা দেব পালও পদ্মাবতীর প্রেমে পড়ে যান। দেব পাল পদ্মাবতীর কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। রতন সিং চিতোরে ফিরে এসে এই অপমানের উচিত শাস্তি দিতে চান। রতন সিং এবং দেব পাল দুইজন লড়াইয়ে অবতীর্ণ হোন। এই লড়াইয়ে তারা একে অপরকে হত্যা করেন।

এরই মধ্যে সুলতান আলাউদ্দিন তার সাথে এই চালাকি বুঝতে পেরে পদ্মাবতীকে পাবার অভিপ্রায়ে আলাউদ্দিন খিলজী আবারও চিতোর অবরোধ করেন। তার সৈন্য-বহরকে পাঠালেন দুর্গ জয় করতে। চিতোরগড় দুর্গ এতটাই দুর্ভেদ্য যে সেটা একেবারে অসম্ভব একটি ব্যাপার। তাই তারা বাইরে থেকে যাবতীয় রসদ সরবরাহ বন্ধ করে দিলেন। দুর্গের ভেতর খাবারসহ সব কিছুর ঘাটতি দেখা গেল। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিলেন তারা সুলতানের বিশাল সৈন্যবাহিনীর মোকাবিলা করবেন। চিতোরের সৈনিকরা আমৃত্যু আলাউদ্দিন খিলজীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। তাতে তাদের পরাজয় হয়।
রতন সিং এর মৃত্যু সংবাদের খবর শুনে এবং আলাউদ্দিন খিলজীর বিরুদ্ধে এই পরাজয়ে সুলতানের হাতে অপমানের আশঙ্কায় রতন সিং এর দুই স্ত্রী নাগমতী এবং পদ্মাবতী আগুনে ঝাপ দিয়ে জওহর করার সিদ্ধান্ত নেন। জওহর প্রথা অনুসারে শত্রুপক্ষের কাছে যখন পরাজয় নিশ্চিত হত তখন নিজেদের সম্ভ্রম রক্ষার্থে সকল নারীরা একযোগে আত্মহত্যা করতেন, সাথে থাকত শিশুরাও। পদ্মাবতী আর নাগামতীর সাথে সাথে অন্যান্য যোদ্ধাদের স্ত্রীরাও শামিল হয়। প্রথমে পদ্মাবতী আগুনে ঝাপ দেন, একে সবাই এভাবেই মরণকে বরণ করে নেয়।

আলাউদ্দিন খিলজী শেষ পর্যন্ত মানুষের ছাই আর পোড়াদেহ ভর্তি একটি খালি দুর্গ ছাড়া আর কিছুই পায়না।
এই ঘটনার ২৪০ বছর পরে ১৫৪০ সালে সর্বপ্রথম মালিক মোহাম্মদ জয়সী তার পদ্মাভাত কবিতায় এই ঘটনা তুলে ধরেন। বেশীরভাগ ঐতিহাসিক একে তার কল্পনাপ্রসূত বলেই ধরে নেন। কারণ এই ঘটনার স্বপক্ষে কোন শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আর প্রধান চরিত্রকে রতন সেন নামেই জয়সী অভিহিত করলেও তার আসল নাম ছিল রতন রাওয়াল সিং।
চিতোর অবরোধের কথা ১৩০৩ সালে রচিত আমির খসরুর খাজাইন উল ফাতাহ তে পাওয়া যায়। আমির খসরু সেই সময় আলাউদ্দিনের সাথে ছিলেন। আমির খসরু তার বইয়ে কোন পদ্মিনীর কথা উল্লেখ করেননি। তিনি লিখেছেন চিতোরের রাজা আলাউদ্দিনের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তারা তার পরিবারকে ক্ষমা করে দিলেও বাকিদেরকে হত্যা করে। তার ছেলে খিজির খানকে এই অঞ্চলের দায়িত্ব দেন এবং নামকরণ করেন খিজিরাবাদ। তবে কিছু ঐতিহাসিক বলে মনে করেন খাজাইন উল ফাতাহ তে সুলায়মান ও সেবার রাণী বিলকিসের কাহিনীর হুদ-হুদ পাখি হয়তো এই ঘটনারই ইঙ্গিত দেয়।
এর পরবর্তী একটি বইয়েও তিনি গুজরাটের রাজকুমারী ও আলাউদ্দিনের প্রেম কাহিনী বর্ণনা করেন। সেখানেও পদ্মিনী নামের কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়না।
মেওয়ার ইতিহাসেও পদ্মিনী নামের কারো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সিংহলিজ ইতিহাসেও পদ্মাবতীর বাবা রাজা গান্ধর্ব সেনের নাম পাওয়া যায়নি।
অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন যে পদ্মিনী আসলে জয়সলমীর অথবা রাজস্থানের সিংহালের কেউ ছিলেন। রাজস্থানের ইতিহাসে বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যায় রাণী পদ্মিনী ছিলেন রাজা রতন রাওয়াল সিং এর পনের স্ত্রীর এগারতম স্ত্রী।
The Annals and Antiquities of Rajasthan বইটিতেও কর্নেল জেমস টড সুলতান আলাউদ্দিন খিলজীর কোন কথা পাওয়া যায়নি।
জায়সির লেখার পর এই কাহিনী বিভিন্নভাবে সে কালের আরও ক’জন বিখ্যাত ইতিহাসবিদের লেখায় স্থান পেয়েছে। যেমন আকবরের বিখ্যাত সভাসদ আবুল ফজল, বিখ্যাত মধ্যযুগীয় ইতিহাসবিদ ফিরিশতার লেখনীতে। যদিও তাদের বর্ণিত কাহিনীতে কিছুটা ভিন্নতা আছে।
দিল্লী থেকে আয়না বহন করে আনাও বিশ্বাস্য মনে হয় না। কেউ কেউ দাবী করেন যে সে সময় ভারতবর্ষে আদৌ আয়নারই ব্যবহার শুরু হয়নি। স্থানীয়রা এখনো আয়নার কাহিনীকে বিশ্বাস করেনা।
দেবপালকে হত্যা করে নিজেও যুদ্ধে নিহত হন রতন সিং। এটা শোনার পর রানী পদ্মিনী জওহরের পথ বেছে নেন। এই কাহিনীতে বিশ্বাসযোগ্য না খুব একটা। রাজপুতদের দিল্লী হানা দিয়ে রতন সিংকে উদ্ধার করার ঘটনা সত্য হবার সম্ভাবনাও খুব কম। রাজপুতদের সেই ক্ষমতা ছিল না। সেই কথিত যুদ্ধে দেবপালের নিহত হবার পরেও শুধু স্বামী শোকে দলবল সমেত পদ্মিনীর জওহর বেছে নেওয়াও তেমন যুক্তিসম্মত মনে হয় না।
এই ইতিহাস নিয়ে ঐতিহাসিকদের সন্দিহান থাকলে ভারতবর্ষের অনেক হিন্দুর কাছে রাণী পদ্মিনী সতী নারীর মূর্তি হিসাবে পূজিত হয়।
পদ্মাবতী কি আসলেও কবিতার কিংবদন্তী নাকি ট্রাজেডির নায়িকা? সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে তাই আজও বিতর্ক হয়। হয়তো আরও শতবর্ষ ধরেও হবে। পদ্মিনী এভাবেই যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকবে মানুষের মনে।
সূত্রঃ
উইকিপিডিয়া
Volume 6 of the History and Culture and Indian People, published by the Bhartiya Vidya Bhavan,
https://www.scoopwhoop.com/Legend-Of-Alauddin-Khilji-And-Rani-Padmavati
https://swarajyamag.com/culture/rani-padmini-and-alauddin-khilji-separating-fact-from-fiction
মুক্তমনা ব্লগ