<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব Archives - ইতিবৃত্ত</title>
	<atom:link href="https://itibritto.com/tag/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://itibritto.com/tag/রামকৃষ্ণ-পরমহংসদেব/</link>
	<description>বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Mar 2026 19:19:44 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.2</generator>
	<item>
		<title>একান্ত আশ্রয় রামকৃষ্ণ</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a3/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Apr 2024 18:22:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[রামকৃষ্ণ]]></category>
		<category><![CDATA[রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10368</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/rk.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" fetchpriority="high" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/rk.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/rk-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/rk-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/rk-768x403.jpg 768w" sizes="(max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div>
<p>ত্রেতায় রাম, দ্বাপরে কৃষ্ণ। আর কলিতে তিনি রামকৃষ্ণ। কামারপুকুরে ১৮৩৬ সালে জন্ম নেয়া গদাধরকে কেন্দ্র করে এ কথা বলেছিলেন তান্ত্রিক গুরু ভৈরবী ব্রাহ্মণী। আবার কখনো নিজেকে শচী মা আর গদাইকে কলিযুগের গোরচাঁদ রূপে সম্বোধন করেছেন। রাসমণির জামাতা কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মথুরামোহনের সামনে যখন সেকালের বিশিষ্ট ধর্মবেত্তারা ঠাকুরের অবতারত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেসব প্রশ্নের জবাব তুলে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a3/">একান্ত আশ্রয় রামকৃষ্ণ</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/rk.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/rk.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/rk-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/rk-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/rk-768x403.jpg 768w" sizes="(max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div><p>ত্রেতায় রাম, দ্বাপরে কৃষ্ণ। আর কলিতে তিনি রামকৃষ্ণ। কামারপুকুরে ১৮৩৬ সালে জন্ম নেয়া গদাধরকে কেন্দ্র করে এ কথা বলেছিলেন তান্ত্রিক গুরু ভৈরবী ব্রাহ্মণী। আবার কখনো নিজেকে শচী মা আর গদাইকে কলিযুগের গোরচাঁদ রূপে সম্বোধন করেছেন।</p>
<p>রাসমণির জামাতা কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মথুরামোহনের সামনে যখন সেকালের বিশিষ্ট ধর্মবেত্তারা ঠাকুরের অবতারত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেসব প্রশ্নের জবাব তুলে ধরতেই ভৈরবী ব্রাহ্মণী সেদিন এ কথা বলেছিলেন। ভদ্র, কিন্তু সাড়ম্বর। যেন মহাযুগের মহাচৈতন্যের উদয় হয়েছে এই ঘোর কলিযুগে। পাপে, বিনাশে, আহাজারিতে নিমগ্ন মানব জাতিকে আশার পথ দেখাতে এসেছেন যিনি। সেই রামকৃষ্ণ, যিনি বলেছেন, গেরুয়া সাজের জন্য নয়, কাজের জন্য। জীবনসায়াহ্নে মা সারদাকে বলে গেছেন, আঁধারে নর্দমার পোকার মতো কিলবিল করছে যারা, তুমি মা যশোদা হয়ে তাদের কোলে তুলে নিও। তাদের শুদ্ধ কোরো। উনবিংশ শতাব্দির  নবজাগরণের আধ্যাত্মিক পুরোধা এই ঠাকুর জানতেন, আণবিকতা শেষ করবে মানবিকতাকে। উচ্ছৃঙ্খলা শেষ করবে স্বাধীনতাকে। মানুষের মন আরো উন্মাদ হবে। ভোগের নৃত্যে দুর্ভোগের চিতা তৈরি হবে। মহাভারতের যুগে শ্রীকৃষ্ণ যেমন পঞ্চপাণ্ডবকে কলিযুগের কিছু নিদর্শন বলেছেন, ঠিক তেমনই নরেন্দ্রনাথসহ অন্যান্য শিষ্যদেরও তিনি শেখালেন কলিতে হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে কীভাবে মানব হিতৈষী হতে হয়। মন্ত্র দিলেন শিবজ্ঞানে জীবসেবার। গুরুর এই কথা মেনে বিবেকানন্দ পাড়ি জমালেন যুক্তরাষ্ট্রে। বিশ্ব ধর্ম মহাসম্মেলনে। ১৮৯৩ সালে তিনি শোনালেন সব ধর্ম ছাপিয়ে মানব ধর্মের বাণী।</p>
<p>অবশ্য নিজের অবতারত্ব নিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকতে চেয়েছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ। পেরেছিলেনও তাই। নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ যখনই তাকে অবতার বলতেন, তখনই তিনি ক্ষেপে যেতেন। নিজেকে কখনোই অবতার বলে পরিচয় দিতে চাননি গদাধর। তবে দেহত্যাগের আগে ভক্তদের ঠিকই তার অবতারত্বের স্বরূপ দেখিয়েছিলেন। যেমন দেখিয়েছিলেন নরেনকে। আগেই বলেছিলেন, ‘যেদিন যাবো, হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়ে যাবো।’ কথা রেখেছেন রামকৃষ্ণ। তাই নরেন ঠাকুরের মধ্যে একই সঙ্গে দেখেছেন রাম এবং কৃষ্ণকে। ঠিক একইভাবে রাসমণির জামাতা মথুরামোহনকে নিজের অবতারত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন ভিন্ন আঙ্গিকে- মথুরবাবুকে তিনি ধরা দিয়েছিলেন কালী এবং কৃষ্ণের সমন্বিত রূপে।</p>
<p>১৮৮৬ সালের ২৬ আগস্ট প্রয়াত হন ঠাকুর রামকৃষ্ণ। তার প্রয়াণের পর তার গৃহী শিষ্য ও ত্যাগী শিষ্যদের মধ্যে তার অস্থিকলস এবং বিবিধ বিষয় নিয়ে বিবাদ উপস্থিত হয়। কিন্তু সুরেন্দ্র্যনাথ মিত্রকে ঠাকুর স্বপ্নাদেশ দেয়ার পর অবসান হলো সেই বিবাদের। ঠাকুর যেন দৈব বাণী দিলেন অভয় রূপে। সুরেনকে আদেশ দিলেন, যেভাবে ঠাকুরের রসদ যুগিয়েছিলেন, সেভাবেই এবার ঠাকুরের ত্যাগী শিষ্যদেরও রসদ যোগাতে হবে। তাই করলেন সুরেন মিত্তির। বরাহনগরের পোড়োবাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করলেন ত্যাগী শিষ্যরা। কিন্তু কলি যুগে সন্ন্যাস গ্রহণকে কেউ ভালো চোখে দেখবে, এটা আশা করা নিতান্তই বোকামি। তাদের নিয়ে বাইরে নানা কথা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলো। অনেকে আবার তাদের খেপাতো, বিদ্রুপ করতো। অনেকে রামকৃষ্ণ পরমহংসের শিষ্য বলে হাঁসের স্বর নকল করে ‘প্যাক প্যাক- প্যাক প্যাক’ ডেকে নাজেহাল করতো ঠাকুরের শিষ্যদের। কিন্তু ত্যাগী শিষ্যরা এসব কথায় বিচলিত হতেন না। ঠাকুরের উপদেশ অনুযায়ী লোকের কথাকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের ধ্যান, জপ, মন্ত্র ও পুঁথি পাঠে মনোযোগ রাখতেন। তাদের সাধনা ছিল ভগবানের সান্নিধ্য পাওয়া। আরতি ছিল শিবজ্ঞানে জীবসেবা। সেবার ক্ষেত্রে হিন্দু-মুসলমান বাছবিচার করতেন না তারা।</p>
<figure id="attachment_10369" aria-describedby="caption-attachment-10369" style="width: 1024px" class="wp-caption alignnone"><img decoding="async" class="wp-image-10369 size-large" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/ramkrishna-1024x538.jpg" alt="" width="1024" height="538" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/ramkrishna-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/ramkrishna-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/ramkrishna-768x403.jpg 768w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/ramkrishna.jpg 1200w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption id="caption-attachment-10369" class="wp-caption-text">উনবিংশ শতাব্দীর শেষে ও বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ধর্মান্দোলনের উদ্গাতা রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব</figcaption></figure>
<p>রামকৃষ্ণের দর্শন থেকে স্বামী বিবেকানন্দ, স্বামী ব্রহ্মানন্দ, স্বামী অভেদানন্দ, স্বামী সারদানন্দ, স্বামী রামকৃষ্ণানন্দসহ সংঘের শিষ্যরা শিক্ষা নিয়েছেন, দীক্ষা নিয়েছেন এবং অহিংসার পথ খুঁজে নিতে ব্রতী হয়েছেন। ঠাকুরের লোকহিতকর শিক্ষা হলো, ‘আমি হচ্ছে দুই প্রকার। একটা কাঁচা আমি, আরেকটা পাকা আমি। কাঁচা আমি হলো আমি তার ছেলে, আমি তার স্বামী ইত্যাদি। আর পাকা আমি হলো আমি তারই দাস। ভগবানের দাস। এই হলো চূড়ান্ত আমি।’</p>
<p>ঠাকুরের অমিয় বাণী- ‘জীবন, মরণ সব তার পায়ে বাঁধা আছে, যখন তার পা থেকে সব খুলে ফেলা হবে- তখনই তোদের আমিত্বটা যাবে।’ প্রয়াণের আগে ঠাকুর ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি গৃহী শিষ্যদের কাছে হলেন কৃপাকল্পতরু। কাউকে না জানিয়ে, এমনকি সারদাকেও না, নিঃশব্দে অসুস্থ, অথচ নীরোগ শরীর নিয়ে এলেন বাইরে। ভক্তদের ধরা দিলেন। যেন বোঝাতে চাইলেন- ‘তোদের কোথাও যেতে হবে না। যা আছে সেথায়, তাই আছে হেথায়। আমি তোদের জন্য ষোল আনা করে গেলাম। তোরা এক পয়সা করিস, তাতেই হবে।’</p>
<p>ঠাকুরের অন্তিম সময়ে নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ প্রশ্ন করেছিলেন, ‘এখন আমি কি করবো?’ উত্তরে ঠাকুর বলেছিলেন, ‘তুমি ওই থিয়েটারই করো। ওতে লোকশিক্ষে হয়।’ ঠাকুরের সঙ্গে শেষ কথা অনুযায়ী ‘লোকশিক্ষার’ এই কাজই সুনিপুণভাবে সমাধা করেন গিরিশ ঘোষ (জিসি)। ঠাকুর গৃহী শিষ্যদের মধ্যে এই গিরিশচন্দ্র ঘোষকেই গেরুয়া বস্ত্র দিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, গৃহী হয়েও মনেপ্রাণে সন্ন্যাসী থাকুক নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ। কেননা ঠাকুর বলতেন, গেরুয়া শুধু সাজের জন্য নয়, কাজের জন্য। অর্থাৎ বহুদূর অরণ্যে তপস্যা করে ভগবানকে যেমন পাওয়া যায়, তেমনই গৃহী অবস্থায়ও ভগবানকে পাওয়া যায়। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবকে (যার পূর্বাশ্রমের নাম গদাধর চট্টোপাধ্যায়) নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ, ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগ করা কেশবচন্দ্র সেনসহ আরও অনেকেই অবতার বলে প্রচার করেছেন। কিন্তু এসব প্রচারে রামকৃষ্ণ কেবল ভর্ৎসনা ছাড়া আর কিছুই দেননি। কারণ ঠাকুরকে যথাযথভাবে চিনতে পেরেছেন তারই প্রিয় শিষ্য নরেন্দ্রনাথ দত্ত অর্থাৎ স্বামী বিবেকানন্দ।</p>
<p><strong>তথ্যসূত্র:</strong><br />
১. শ্রীম কথিত মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত, রামকৃষ্ণকথামৃত;<br />
২. স্বামী সারদানন্দ, রামকৃষ্ণলীলাপ্রসঙ্গ;<br />
৩. স্বামী লোকেশ্বরানন্দ, রামকৃষ্ণ পরমহংস;<br />
৪. ওয়াল্টার জি নিভেল, বার্ড ওয়েল এল স্মিথ, দ্য ট্রান্সফর্মেশন অব রামকৃষ্ণ (১৯৭৬);<br />
৫. হিন্দুইজম: নিউ এসেজ ইন দ্য হিস্টোরি অব রিলিজিওন্স (পৃষ্ঠা: ৬১);<br />
৬. অমিয় সেন, অ্যানাটোমি অব আ টেক্সট, থ্রি-এসেজ শ্রীরামকৃষ্ণ অ্যান্ড হিজ টাইমস (পৃষ্ঠা: ৩০-৩২) (২০০৩);<br />
৭. ড. জয়শ্রী মুখোপাধ্যায়, শ্রীরামকৃষ্ণ ইমপ্যাক্ট অন কনটেম্পরারি ইন্ডিয়ান সোসাইটি (মে, ২০০৪);<br />
৮. উইলিয়াম থিওডোর দেব্রি ও আইন্সিল থমাস এম্ব্রি (১৯৮৮);<br />
৯. স্টিফেন এন হেই, ইন্ডিয়ান ট্রেডিশন: ফ্রম দ্য বিগিনিং অব ১৮০০;<br />
১০. জেফ্রি ক্রিপাল, কালিস চাইল্ড (১ অক্টোবর ১৯৯৮);<br />
১১. নরসিংহ পি. সিল, রামকৃষ্ণ রিভিজিটেড (২৮ মে ১৯৯৮);<br />
১২. <a href="https://hasnat208.wordpress.com/2023/12/21/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%82-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95/">কৃপাময় ঠাকুরের অন্তিম লীলা</a>;<br />
১৩. <a href="https://hasnat208.wordpress.com/2023/11/30/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87/">ধর্মকথা শোনার ছলে ঠাকুরের ছবি তুললেন নরেন</a>।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a3/">একান্ত আশ্রয় রামকৃষ্ণ</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যুক্তিবাদী গুরু বিবেকানন্দ</title>
		<link>https://itibritto.com/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসনাত আসিফ কুশল]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Apr 2024 18:14:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[রামকৃষ্ণ]]></category>
		<category><![CDATA[রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব]]></category>
		<category><![CDATA[স্বামী বিবেকানন্দ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://itibritto.com/?p=10365</guid>

					<description><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/vivekananda.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/vivekananda.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/vivekananda-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/vivekananda-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/vivekananda-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div>
<p>আপনি কখনও কাউকে কারও কাছে যোগের মতো অপার্থিব কোনোকিছুর জন্য দরবার করতে শুনেছেন, এমনটি আমার জানা নেই। কলিযুগে বৈষয়িক বিষয় রেখে অবৈষয়িক বিষয়ে দরবার করতে খুব কম মানুষকেই দেখা যায়। রামকৃষ্ণ যখন জীবনসায়াহ্নে এসে পৌঁছেছেন, তখন একবার নরেন্দ্রনাথ দত্ত, পরবর্তীতে স্বামী বিবেকানন্দ এমনই দরবার করেছিলেন। তিনি ঠাকুরের কাছে নির্বিকল্প সমাধির জন্য বারবার দরবার করেছিলেন। কিন্তু [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8/">যুক্তিবাদী গুরু বিবেকানন্দ</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="margin-bottom:20px;"><img width="1200" height="630" src="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/vivekananda.jpg" class="attachment-post-thumbnail size-post-thumbnail wp-post-image" alt="" decoding="async" loading="lazy" srcset="https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/vivekananda.jpg 1200w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/vivekananda-300x158.jpg 300w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/vivekananda-1024x538.jpg 1024w, https://itibritto.com/wp-content/uploads/2024/04/vivekananda-768x403.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 1200px) 100vw, 1200px" style="aspect-ratio: 1200/630;" /></div><p>আপনি কখনও কাউকে কারও কাছে যোগের মতো অপার্থিব কোনোকিছুর জন্য দরবার করতে শুনেছেন, এমনটি আমার জানা নেই। কলিযুগে বৈষয়িক বিষয় রেখে অবৈষয়িক বিষয়ে দরবার করতে খুব কম মানুষকেই দেখা যায়। রামকৃষ্ণ যখন জীবনসায়াহ্নে এসে পৌঁছেছেন, তখন একবার নরেন্দ্রনাথ দত্ত, পরবর্তীতে স্বামী বিবেকানন্দ এমনই দরবার করেছিলেন। তিনি ঠাকুরের কাছে নির্বিকল্প সমাধির জন্য বারবার দরবার করেছিলেন। কিন্তু ওই সময় ঠাকুর তা দেননি কেন? কারণ তিনি ভালোভাবেই জানতেন যে, ১৮৯৩ সালে এই বিবেকানন্দ শিকাগোতে ধর্মসভা মহাসম্মেলনে বক্তৃতা দেবেন। আর তাই যত মত, তত পথের এই প্রবক্তা সেদিন নির্বিকল্প সমাধি চাইতে আসা প্রিয় শিষ্যকে তা দেননি। দিয়েছিলেন পরে। যখন বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে তার কাজ সমাপ্ত হয়েছে, তখন। ১৯০২ সালের ৪ জুলাই নির্বিকল্প সমাধির ভেতরেই প্রয়াণ হয় তার। চিকিৎসকরা অবশ্য ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন, মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেঁটে যাওয়ার দরুণ মৃত্যু হয়েছে বিবেকানন্দের। কিন্তু তার শিষ্যরা পরবর্তীতে এই মৃত্যুকে ব্যাখ্যা করেছেন, নির্বিকল্প সমাধিস্থ থাকলে এক পর্যায়ে ব্রহ্মতালু ফেঁটে যায়। এভাবেই প্রয়াত হন বিবেকানন্দ।</p>
<p>১৮৬৩ সালের ১২ জানুয়ারি এক কায়স্থ দত্ত পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন নরেন্দ্রনাথ। জন্মের আগে তার মা ভুবনেশ্বরী দেবী শিবের আরাধনা করতেন। সন্ন্যাসীরা বলেছিলেন, এ হলো স্বয়ং শিবশম্ভু। গেরুয়া ধারণ করে যিনি সমগ্র বিশ্ব সংসারকে পথ দেখাবেন। সেই নরেন্দ্রনাথ দত্তের বাবা বিশ্বনাথ দত্ত ও পিতামহ দুর্গাপ্রসাদ দত্ত ছিলেন আইন ব্যবসায়ী। তিনি নিজেও আইন বিষয়ে পড়াশুনা করেছিলেন। কিন্তু ঠাকুর রামকৃষ্ণের পাদপদ্মে সে আর হয়ে ওঠেনি। কেননা রামকৃষ্ণ তাকে বলেছিলেন, তুই জগতে এই কারণে আসিস নে। তুই কে, তা বুঝতে পারবি যখন ইহজগতে আর থাকবি নে, তখন।</p>
<p>সনাতন ধর্মের প্রচারকরা বলে থাকেন, মানুষকে আধ্যাত্মিক মুক্তির পথ দেখানোর জন্যই বিবেকানন্দের আবির্ভাব হয়েছিল। তিনি না থাকলে রামকৃষ্ণকে পরিপূর্ণরূপে প্রচার করা কষ্টসাধ্য হতো। মৃত্যুর আগে বিবেকানন্দ বলেছিলেন, যদি একজন মানুষকেও সংশোধন করতে হয়, তারপরেও ধরাধামে আমি আবার দেহধারণ করবো। কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর/ মানুষের মাঝেই স্বর্গ-নরক, মানুষেতেই সুরাসুর- এই আধ্যাত্মিক বাণী মানুষকে উপলব্ধির জন্যই বিবেকানন্দ। রামকৃষ্ণ বিশ্বাস করতেন মানুষের মধ্যেই ভগবান বাস করে। সে হোক হিন্দু, হোক মুসলিম।</p>
<p>মুঘল শাসনামল থেকে বিবেকানন্দের পূর্বপুরুষেরা বর্ধমান জেলার কালনা মহকুমার ডেরিয়াটোলি গ্রামে বসবাস করতেন। ব্রিটিশ শাসনামলে তার এক পূর্বপুরুষ রামনিধি দত্ত ছেলে রামজীবন দত্ত ও নাতি রামসুন্দর দত্তকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতার গোড়গোবিন্দপুর গ্রামে চলে আসেন। পরবর্তীতে তারা সুতানুটি (উত্তর কলকাতার সিমলা) গ্রামে চলে আসেন। ৩ নম্বর গৌরমোহন মুখোপাধ্যায় স্ট্রিটের যে বাড়িতে বিবেকানন্দ জন্মগ্রহণ করেছিলেন, সেই বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন রামসুন্দর দত্তের বড় ছেলে রামপ্রসাদ দত্ত। রামপ্রসাদ দত্তের বড় ছেলে দুর্গাপ্রসাদ দত্ত ছিলেন বিবেকানন্দের পিতামহ। একমাত্র ছেলে বিশ্বনাথ দত্তের জন্মের পর মাত্র ২৫ বছর বয়সে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন তিনি। তখন থেকেই চাচা কালীপ্রসাদ দত্তের কাছেই লালিতপালিত হন বিশ্বনাথ। আর বিশ্বনাথ ও ভুবনেশ্বরীর ঘর আলো করেই বিশ্বে আর্বিভূত হন স্বয়ং শিবশম্ভু অর্থাৎ নরেন্দ্রনাথ দত্ত (পরবর্তী আশ্রমে স্বামী বিবেকানন্দ নামে পরিচিত হন)।</p>
<p>বিশ্বনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের অ্যাটর্নি। তিনি চেয়েছিলেন, ছেলে বিবেকানন্দও নামকরা আইনজীবী হবেন। কিন্তু বিধিলিপি ছিল উল্টো। আইনে পড়াশুনা করলেও বেশিদূর এগোতে পারেননি তিনি। এরই মধ্যে বিষয়বুদ্ধির আবরণে থেকেও রামকৃষ্ণের প্রিয় শিষ্য হয়ে ওঠেন। রামকৃষ্ণের সঙ্গে নরেন্দ্রনাথের পরিচয় রামচন্দ্র দত্তের মাধ্যমে, সুরেন্দ্র্যনাথ মিত্রের বাড়িতে। রামচন্দ্র দত্ত ও সুরেন্দ্র্যনাথ মিত্র দুজনেই ঠাকুরের গৃহী শিষ্যদের অন্যতম ছিলেন। অন্যদিকে, নরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রথম জীবনে ছিলেন যুক্তিবাদী এবং নিরীশ্বরবাদী। তাই ঠাকুরের সঙ্গে এই সাক্ষাৎকে রামকৃষ্ণ ও বিবেকানন্দ দুজনেই গণনায় ধরতেন না।</p>
<p>বাবার যুক্তির প্রতি অনুরাগ ও মায়ের ধর্মানুশীলন বিবেকানন্দের জীবনকে দারুণভাবে প্রভাবিত করেছিল। এ জন্যই ‘বিবিদিশানন্দ’ হয়ে উঠতে পেরেছিলেন তিনি। তার মতো ঠাকুরের আরেক ভক্ত নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষও নিজেকে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি এক সময় নেশা করতেন। এ কারণে কলকাতা শহরে তার নামে কুখ্যাতি ছিল। কিন্তু ঠাকুরের পাদপদ্মে থেকে বিবেকানন্দের যুক্তিবাদী মন যেমন পরাভূত হয়েছিল, তেমনই গিরিশচন্দ্রের জীবনে এসেছিল পরিবর্তনের ছোঁয়া।</p>
<p>যাই হোক, ১৮৮৬ সালে রামকৃষ্ণের প্রয়াণের পর বিবেকানন্দ ভারত ও পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশে পরিব্রাজক হিসেবে ঘুরে বেড়ান বিবেকানন্দ। ১৮৯৩ সালে ছোট ভাই মহেন্দ্রনাথ দত্তের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বধর্ম মহাসম্মেলনে গেছিলেন তিনি। রামকৃষ্ণ মন্দির ও মঠসহ ভারতে গড়ে তোলেন একাধিক মঠ-মন্দির। বিবেকানন্দের ছোট ভাই ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত ভারতের ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামী ও সমাজতান্ত্রিক নেতা হিসেবে পরিচিত। আর মহেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণের গৃহী শিষ্য ও লেখক।</p>
<p>রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব প্রায়শই বলতেন, মানুষ টাকার জন্য কাঁদে, মা তার বেটার জন্য, কিন্তু ভগবানের জন্য কাঁদে ক’জনা? ঠাকুরের প্রিয় এই শিষ্য তাই একবার ঠাকুরের কাছে চেয়েছিলেন নির্বিকল্প সমাধি। কাশীপুরে তা লাভও করতে পেরেছিলেন। কিন্তু ঠাকুরের কথামতো লোকশিক্ষার সব কাজ সেরে ১৯০২ সালের ৪ জুলাই বেলুড় মঠে নির্বিকল্প সমাধিস্থ হন তিনি।</p>
<p>The post <a href="https://itibritto.com/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8/">যুক্তিবাদী গুরু বিবেকানন্দ</a> appeared first on <a href="https://itibritto.com">ইতিবৃত্ত</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
