Browsing category

বিজ্ঞান ও গণিত

বিগ ব্যাং নিউক্লিওসিন্থেসিস

বিগ ব্যাং থেকে মহাবিশ্ব সূচনা, এটিই বর্তমানে কসমোলজির সুপ্রতিষ্ঠিত তত্ত্ব । বিগ ব্যাং এর পরে মহাবিশ্ব খুবি উষ্ণ, ঘন এবং অপটিক্যালি পুরু (অর্থাৎ কোনও ফোটন বাইরে বের হতে পারে না) এমন একটি প্লাজমা দশায় ছিল। Photon দৃঢ়ভাবে লেপটনিক(ইলেকট্রন-পজিট্রন ) , ব্যারোনিক(প্রোটন-নিউট্রন) এবং ডার্ক ম্যাটারের সঙ্গে যুক্ত ছিল(যাকে ফোটন-ম্যাটার কাপ্লিং বলা হয়)। অর্থাৎ ফোটন ম্যাটারের সাথে […]

একজন হাবল ও মডার্ন এস্ট্রোনমি!

এস্ট্রোনমি বিষয়টিকে মানুষের আষাঢ়ে গল্পের বস্তু থেকে বিজ্ঞান রূপে মানুষের সামনে প্রতিষ্ঠা করার পেছনে যে দুজন বিজ্ঞানীর নাম প্রথমেই আসে তাদের নাম মোটামুটি সবারেই জানা: কোপার্নিকাস ও কেপলার। কোপার্নিকাস সর্ব প্রথম পৃথিবীকেন্দ্রিক বিশ্বজগতের ধারনা থেকে সূর্যকেন্দ্রিক(heliocentric system) বিশ্বজগতের ধারনা প্রতিষ্ঠা করেন। অন্যদিকে কেপলার সর্ব প্রথম টাইকো ব্রাহের অবজারভেশনাল ডেটা ব্যবহার করে গ্রহ গুলোর সঠিক গতি […]

সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণঃ পুরাণ, কুসংস্কার ও বিজ্ঞান (শেষ পর্ব)

প্রথম পর্বের পর গত পর্বে আমরা গ্রহণ সম্পর্কিত পৌরাণিক কাহিনীসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। আজ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাগুলোও জেনে নেয়া যাক! আমরা আগেই বলেছি, কোনো ঘটনা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পর্যবেক্ষণ, পর্যাপ্ত পরীক্ষণ এবং গ্রহণযোগ্য যুক্তি বা ব্যাখ্যা- এই তিনের সমন্বয়ের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানকেই কেবল বিজ্ঞান বলা যাবে। বিজ্ঞান যেহেতু পুরাণের মতো এতো মশলাদার নয়, বরং কিছুটা কাঠখোট্টা; তাই […]

প্রাণীজগৎ নিয়ে প্রচলিত ১০ টি ভুল ধারণা

প্রায় ৮.৭ মিলিয়ন প্রজাতির প্রাণীকে ঘিরে আমাদের এই গ্রহ। তাই যদি বলা হয় যে আমরা অনেকেই প্রাণীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য সম্পূর্ণ ভুল জানি, তবে তা আশ্চর্যের বিষয় হবে না। কিছু প্রাণী এবং তাদের আচরণ বিজ্ঞানীদের কাছে এখনো রহস্যময় থাকলেও দীর্ঘমেয়াদী গবেষণার এবং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তারা কিছু রহস্য ও ভুল ধারণা দূর করতে সক্ষম হয়েছে। আসুন […]

জুরাসিক যুগ ও ডায়নোসর-বৃত্তান্ত! (শেষ পর্ব)

প্রথম পর্ব পড়তে – এখানে ক্লিক করুন  দ্বিতীয় পর্ব পড়তে – এখানে ক্লিক করুন  মায়াসরা এরা ছিলো অত্যন্ত বিশালদেহী ডাইনোসর। কিন্তু দেহের আকৃতি ছিলো অনেকটা রাজহাঁসের মতো। অনন্য ডাইনোসর থেকে এরা স্বভাবেও কিছুটা ভিন্ন ছিলো। এরা সন্তানদের খুব যত্ন নিতো। মায়াসরা শব্দের অর্থই হচ্ছে “সন্তানবৎসল।“ সন্তানদের প্রতি  অত্যন্ত স্নেহপরায়ণ ছিলো বিধায় এদের এই নাম দেয়া […]

জুরাসিক যুগ ও ডায়নোসর-বৃত্তান্ত! (পর্ব-২)

প্রথম পর্বের পর- ডিপ্লোডকাডসঃ বিশালদেহী আরেক প্রজাতির ডায়নোসর হচ্ছে ডিপ্লোকাডস। এরা ছিলো জুরাসিক যুগের শেষদিকের ডায়নোসর। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এদের আবাসস্থল ছিলো আমেরিকা মহাদেশ। এরা লম্বায় ছিলো প্রায় ৮৭.৫ ফুট। প্লেটিওসোরাসের মতোই এদের গলা ও লেজের আকৃতি বেশ দীর্ঘ ছিলো। দেহের তুলনায় মাথাটি এতোটাই ছোট ছিলো যে, গলার অগ্রভাগে ক্ষুদ্র মাথাটিকে একটি পুঁটুলির মতো দেখাতো। মাথার […]

জুরাসিক যুগ ও ডায়নোসর-বৃত্তান্ত: পর্ব-১

মিলিয়ন মিলিয়ন বছর আগেকার পৃথিবীতে একটা সময় ছিলো, যাকে বলা হতো মেসোজোয়িক যুগ। এই মেসোজোয়িক যুগকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা হয়ঃ- ট্রায়াসিক, জুরাসিক এবং ক্রিটাসিয়াস যুগ। ট্রায়াসিক যুগের শেষভাগ থেকে শুরু করে ক্রিটাসিয়াস যুগের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই ডায়নোসরেরা রাজত্ব করেছে। ডায়নোসরেরা শুধু মাটিতেই ঘুরে বেড়ায় নি, সমুদ্রেও দাপিয়ে বেড়িয়েছে। ডায়নোসর শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক ভাষা […]

আমাদের সৌরজগৎ ও এর গ্রহের পরিচিতি

১৯৩০ সালে ‘প্লুটো’ গ্রহ আবিষ্কারের পর থেকে স্কুল পড়ুয়া শিশুরা পড়ে এসেছে যে, সৌরজগতে মোট গ্রহের সংখ্যা ৯ টি। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে এসে এই ধারণাটি বদলে যায়। তখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দাবি তুলতে থাকেন যে, প্লুটো আসলে কোন গ্রহ নয়। সবশেষে ‘ইন্টারন্যাশনাল এস্ট্রোনোমিকাল ইউনিয়ন’ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, প্লুটোকে ‘বামুন গ্রহ’ বলে ডাকা হবে। […]

ইউরোপাঃ বরফে ঢাকা উপগ্রহ আর তার গভীর সমুদ্র

লো, গ্যানিমেড আর ক্যালিস্টোদের মত ইউরোপাও বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ। জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলেই এই উপগ্রহগুলো প্রথম আবিষ্কার করেন। বৃহস্পতির এই চার ছানার মধ্যে ইউরোপাই হচ্ছে সবচেয়ে ছোট। তবে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এই ইউরোপাই সৌরজগতের সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক উপগ্রহগুলোর মধ্যে একটি। ইউরোপার উপরিভাগ অর্থাৎ পৃষ্ঠতলের প্রায় পুরোটাই বরফের একটি আবরণে আচ্ছাদিত। তবে বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই বরফের আবরণের […]